Wednesday, 30 December 2015

প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসির ফল জানা যাবে যেভাবে

পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী, জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অবতীর্ণ ৫৬ লাখ শিক্ষার্থীর ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেছেন দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার পরীক্ষার ফলের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। সচিবালয়ে বেলা সাড়ে ১২টায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এবং বেলা দেড়টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার কথা রয়েছে। তাদের সংবাদ সম্মেলনের পরেই শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর( www.dpe.gov.bd) এবং টেলিটকের ওয়েবসাইট (http://dpe.teletalk.com.bd) থেকে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল জানা যাবে। এ ছাড়া যে কোনো মোবাইল ফোন থেকে DPE লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৫ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে। ইবতেদায়ির ফলের জন্য EBT লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৫ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। এই এসএমএস লেখার সময় সরকারি অথবা রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের EMIS কোড নম্বরের প্রথম পাঁচ সংখ্যা উপজেলা/থানা কোড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে; যা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জানা যাবে। আর দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (www.educationboardresults.gov.bd) ছাড়াও সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে জেএসসি-জেডিসির ফল জানা যবে। যে কোনো মোবাইল থেকে JSC/JDC লিখে স্পেস দিয়ে নিজ বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৫ লিখে এসএমএস করলে ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

Sunday, 27 December 2015

asse baccon

আগামী সিনেমা ‘সরাবজিত্’-এর শ্যুটিংয়ে এসেছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। বিনা মেকাপে রাই-সুন্দরীকে প্রথমে ঠিক চিনতে পারেনি জনতা। কিন্তু পরে তাঁরা পরিচয় জানতে পারেন। তখন তাঁদের উত্সাহ কী আর বাঁধ মানে! জনতার ভিড়ে কার্যত বন্দী হয়ে পড়লেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী। ভ্যানিটি ভ্যানে উঠতে পাঁচ মিনিটের পথ তাঁকে পেরোতে হল আধ ঘণ্টায়। তারমধ্যে অনুরাগীদের অটোগ্রাফের আবদার মেটাতে হল তাঁকে। খ্যাতির বিড়ম্বনা কেমন, তা হাড়ে হাড়ে বুঝতে হল অভিষেক বচ্চন-ঘরণীকে। মুম্বাই থেকে মাত্র তিন ঘন্টার দূরত্বে একটি জায়গায় ওমাঙ্গ কুমার পরিচালিত ‘সরাবজিত্’ সিনেমার শ্যুটিংয়ে ঐশ্বরিয়াকে একটিবার চোখের দেখা দেখতে এক লহমায় প্রায় ৪০০ লোক জড়ো হয়েছিলেন। চলতি বছরের অক্টোবরে সঞ্জয় গুপ্তার ‘জযবা’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে দর্শনীয় কামব্যাক করেছেন আরাধ্যা-জননী। সিনেমাটি খুব একটা সাড়া ফেলতে ব্যর্থ হলেজনতার আবদার মেটালেন ঐশ্বরিয়াও ৪১ বছরের ঐশ্বর্যার স্টারডম যে এতটুকু ক্ষুণ্ন হয়নি, এই ঘটনা তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। সরাবজিত্ একটি বায়োপিক। গুপ্তচপ সন্দেহে পাকিস্তানে দীর্ঘদিন জেলে বন্দী ছিলেন ভারতীয় সরাবজিত্। তাঁকে মুক্ত করার নানারকম প্রচেষ্টা সত্ত্বেও কোনও কাজ হয়নি। তাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তানে জেলে তাঁকে পিটিয়ে খুন করা হয়। এই সিনেমায় সরাবজিতের দিদি দলবীর কউরের ভূমিকায় দেখা যাবে ঐশ্বরিয়াকে। ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে এই মাতামাতিতে আদৌ বিস্মিত নন সিনেমার প্রযোজক সন্দীপ সিংহ। তিনি বলেছেন,ঐশ্বরিয়ার স্টারডম সূর্যের আলোর উষ্ণতার মতো। সবাই এই উষ্ণতা পেতে চায়। সিনেমার চরিত্রেও একই ধরনের উষ্ণতা এনে দিয়েছেন তিনি। মুম্বাইয়ে সম্প্রতি একটি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ঐশ্বরিয়া জানিয়েছিলেন যে, ‘সরাবজিত্’-এ তাঁর লুক নিয়ে যে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে, তাতে তিনি খুশি। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2015/12/25/305910#sthash.xbWFYhLo.OANChISQ.dpuf

salman khan make a half century

পঞ্চাশে পরিণত সালমান ২৭ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৩:৩৬ | আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৭:০৩ ফাহিম ইবনে সারওয়ার বয়সের সঙ্গে নিজেকে বদলেছেন সালমান খান। ছবি : ফেসবুক আজ ৫০ বছরে পা রাখলেন বলিউডের ‘ভাইজান’ সালমান খান। পুরো নাম আবদুল রশিদ সালিম সালমান খান। সময়ের সঙ্গে ব্যক্তি সালমান কতটা বদলেছেন? জীবনে কম ঝড়-ঝাপ্টা পার করেননি তিনি। ১৩ বছর ধরে আদালতের চৌকাঠে যাওয়া-আসা করেছেন মানুষ হত্যার অভিযোগে। নির্দোষ হিসেবে মুক্তি পেয়েছেন এ বছর। পঞ্চাশে পা রেখে তাই অনেকটাই সুস্থির সালমান। কারণ, পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায় এক অস্থির, রগচটা যুবককে; যে সব সময় নিজের মতোই চলেছে। কাউকে কখনো তোয়াক্কা করেনি। সর্বশেষ যখন সালমানকে নির্দোষ হিসেবে রায় দেয় আদালত, তখন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি ছিলেন ভাবলেশহীন। ২০০৪ থেকে ২০০৮—টানা চার বছর সালমানের কোনো হিট ছবি ছিল না। সবাই ধরে নিয়েছিলেন, আর কখনো উঠে দাঁড়াতে পারবেন না সালমান। কিন্তু রগচটা সালমান ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন। মদ খেয়ে মাতলামি করা, সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা বা ক্লাবে মারামারি করার ঘটনা অনেকবার ঘটিয়েছেন সালমান। নেতিবাচক কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছেন একাধিকবার। ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে প্রেম এবং বিচ্ছেদ নিয়েও কম ঘটনার জন্ম দেননি। বারবারই নতুন প্রেমে জড়িয়েছেন এবং দুদিন পর আবার তা ভেঙেও দিয়েছেন। কিন্তু সালমানের ভক্তরা কখনো ছেড়ে যাননি তাঁকে। এটাই হয়তো অভিনেতা হিসেবে সালমানের বড় পাওয়া। তাই ৫০ বছর বয়সেও বক্স-অফিসে রাজত্ব করে চলেছেন সালমান। পাঁচ বছর ধরে সালমানের কোনো ব্যর্থতা নেই, যা করেছেন তাই দিয়েই রেকর্ড গড়েছেন। ২০০৯ সালে ‘ওয়ান্টেড’ ছবির মাধ্যমে ফিরে আসেন সালমান। ২০১০ সালে ‘দাবাং’ ছবিতে চুলবুল পান্ডের ভূমিকায় অভিনয় করেন সালমান। ছবিটি ব্লকবাস্টার ব্যবসা করে। পরের বছর ‘বডিগার্ড’ও বক্স-অফিসে ঝড় তোলে। এই বছরের আরেকটি ব্লকবাস্টার ছবি ছিল ‘রেডি’। ২০১২ সালে ‘দাবাং-২’ এবং ‘এক থা টাইগার’ নিয়ে হাজির হন সালমান। ফলাফল একই, ব্লকবাস্টার। ২০১৩ সালে বিরতি নিয়ে ২০১৪-তে ফিরে আসেন ব্লকবাস্টার ‘কিক’ নিয়ে। তবে একই বছর মুক্তি পাওয়া ‘জয় হো’ ছবিটি খুব একটা ভালো করতে পারেনি। আর এ বছর তো সালমানের জয়জয়কার। মাত্র দুটি ছবি মুক্তি পেয়েছে ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ও ‘প্রেম রতন ধান পায়ো’। দুই ছবি মিলে আয় হয়েছে ৫০০ কোটি রুপি। তাই পঞ্চাশে পা রাখলেও সালমানের বাজারদর আগের চেয়ে অনেক চড়া।

Saturday, 26 December 2015

কাল বিয়ের ঘোষণা দেবেন সালমান!

দুটি খবর আছে সালমানের ভক্তদের জন্য। একটি খারাপ অন্যটি ভালো খবর। প্রথমে খারাপ খবরটি শুনুন। উচ্চ আদালতের রায়ে মুক্তি মিললেও ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলা এবার উঠছে সুপ্রিম কোর্টে। এর অর্থ হয়তো আবারও আদালতে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য লড়তে হবে তাঁকে। এবারে সুখবরটি; আগামীকাল ২৭ ডিসেম্বর এই বলিউড তারকার পঞ্চাশতম জন্মদিন। আর কালই নাকি বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন সালমান খান। মুম্বাইয়ের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এমনটিই জানিয়েছে। কিছুদিন আগে সালমান বলেছিলেন, ‘শিগগিরই কিছু একটা ঘটতে চলেছে আমার জীবনে।’ বলিউডের ‘দাবাং’ তারকা সালমান খানের সঙ্গে তাঁর প্রেমিকা রোমানীয় টিভি তারকা লুলিয়া ভেঞ্চুরের সম্পর্ক নিয়ে অনেক দিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল। তা হলে কি সত্যিই এবার লুলিয়ার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন সালমান? বলিউডের একটি সূত্র দাবি করছে, হয়তো নিজের পঞ্চাশতম জন্মদিনেই পরিবার এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের সামনে লুলিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের জীবনের ‘বিশেষ নারী’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে পারেন সালমান। এদিকে, ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলাটি এবার উঠছে সুপ্রিম কোর্টে। সালমানের মুক্তির রায়ের বিরুদ্ধে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে যাচ্ছে মহারাষ্ট্র সরকার। গেল বুধবার মহারাষ্ট্রের সরকারি আইনজীবী হাইকোর্টকে জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা। জানা গেছে, সালমানের মুক্তি প্রবল চাপে ফেলে দিয়েছে মহারাষ্ট্রের সরকারকে। ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের চেষ্টাতেই সালমানের মুক্তির রায়কে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানাতে বাধ্য হচ্ছে মহারাষ্ট্রের বিজেপি সরকার— বলছে ওয়াকিবহাল মহল। সালমান খান বিজেপি সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন বছরখানেক ধরে। নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে নৈকট্য বাড়ানোর চেষ্টাও করেছেন। আর এ কারণে সালমানের মুক্তিতে গুঞ্জন আরও তীব্র হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্কের সুবাদেই তাঁর মুক্তি— এমনটিই দাবি করতে শুরু করে কেউ কেউ। প্রসঙ্গত; ২০০২ সালের ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলার রায় দিতে গিয়ে বম্বে হাইকোর্ট জানিয়েছিলেন, সালমান খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঠিকমতো প্রমাণ করতে পারেনি পুলিশ। হাইকোর্টের রায়ে স্পষ্ট বলা হয়, সালমান খানের বিরুদ্ধে যে সব তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে; তাতে অপরাধ প্রমাণের প্রক্রিয়ায় কিছু ফাঁক থেকে যাচ্ছে। এনডিটিভি। জি নিউজ। ইয়াহু নিউজ।

Friday, 25 December 2015

salman 500 club

প্রচ্ছদবিনোদন সালমানের দুই ছবিতেই ৫০০ কোটি রুপি! ২৫ নভেম্বর ২০১৫, ১৮:৩৭ ফাহিম ইবনে সারওয়ার সালমানের ‘প্রেম রতন ধান পায়ো’ এবং ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ বক্স অফিসের জন্য আশীর্বাদ নিয়ে এসেছে। ছবি : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বছরে মাত্র দুটি ছবি। আর তাতেই বক্স অফিস কাঁপিয়ে দিয়েছেন সালমান খান। বলিউড মানেই খান- এ ব্যাপারটা এ বছর আবারও প্রমাণ করলেন তিনি। যে বলিউডে প্রতি বছর হাজারখানেক ছবি মুক্তি পায় সেখানে মাত্র দুটি ছবি দিয়েই বক্স অফিসকে চাঙ্গা রেখেছেন ভাইজান। একজন অভিনেতার এক বছরে এরকম আয়ের রেকর্ড বলিউডে বিরল। এ খবর জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। এখনো বক্স অফিসে রাজত্ব করছে গত ১১ নভেম্বর মুক্তি পাওয়া সালমানের ‘প্রেম রতন ধান পায়ো’ ছবিটি। দুই সপ্তাহে ছবিটি ২০০ কোটি রুপি আয় করেছে। এটাই এ বছরে বলিউডের প্রথম ২০০ কোটি রুপি আয় করা ছবি বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। ছবিটি কোথায় গিয়ে থামবে সেটা এখনো বলা যাচ্ছে না। তবে যাই হোক সালমানের রেকর্ড ভাঙাটা কঠিনই হবে। বলিউড বিশ্লেষক তরণ আদর্শ এক টুইটে জানিয়েছেন, ‘২৩ নভেম্বর ২০০ কোটি রুপি আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘প্রেম রতন ধান পায়ো’। এর আগে গত ১৫ জুলাই মুক্তি পায় সালমানের আরেক ছবি ‘বজরঙ্গি ভাইজান’। দর্শকদের মন জয় করে ছবিটি আয় করে নেয় ৩১০ কোটি রুপি। তবে দুই ছবি দিয়ে বক্স অফিস কাঁপিয়ে দিলেও এখনো আমির খানের রেকর্ড ভাঙতে পারেননি তিনি। আমিরের ‘পিকে’ ছবিটি ভারতে ৩৩৮ কোটি রুপি আয় করেছিল। ভারত এবং ভারতের বাইরে সব মিলিয়ে ৫০০ কোটি রুপি আয় করে এখনো বলিউডের সবচেয়ে বেশি আয় করা ছবির স্থান ধরে রেখেছে ‘পিকে’।

salman Khan's sultan

ইয়াশ রাজ ফিল্মসের ‘সুলতান’ ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে সালমান খান কাজ করছেন এটি সবারই জানা। এরই মধ্যে ছবিটির প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে। কেননা ছবিটির জন্য এখনো কোনো নায়িকা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ইয়াশ রাজ ফিল্মসের কর্ণধার আদিত্য চোপড়া এখনো আশা করছেন সালমান খান পরিণীতি চোপড়ার সঙ্গে কাজ করতে রাজি হবেন। কিন্তু সালমান খান চাচ্ছেন কৃতি স্যাননের সঙ্গে কাজ করতে। আদিত্য ও সালমানের সঙ্গে যখন বোঝাপড়া চলছিল, তখন কৃতি কয়েকটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে গেছেন। ফলে এখন তার হাতে কোনো ফাঁকা সময় নেই। আর একারণেই তিনি ‘সুলতান’ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হতে রাজি হননি। কৃতি ‘হিরোপান্তি’ সিনেমার মাধ্যমে সবার নজর কাড়েন। সম্প্রতি শাহরুখ-কাজলের ‘দিলওয়ালে’তেও বেশ গ্ল্যামারাসভাবে হাজির হন কৃতি। আর এরইমধ্যে বলিউডে তার বেশ কদর বেড়েছে। হয়ত তাই সালমানকে না করতে সাহস করলেন তিনি। খবর: বলিউড লাইফ

sent martin

জেনে নিন সেন্টমার্টিন এর ‪#‎ডেথ_জোন‬ সম্পর্কেঃ শীত জেঁকে বসেছে । শুরু হয়েছে বেড়ানোর মৌসুম । এই সময়ে অনেকেই বেড়াতে পরিবার, বন্ধুবান্ধব নিয়ে সেন্টমার্টিন যাবেন । সেখানে কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন আপনার ও আপনার পরিজনদের জীবনকে নিরাপদ রাখতে পারে । সেন্টমার্টিনে একটি ডেথ জোন রয়েছে । এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে শুরু করে অনেকেই অকালে প্রাণ হারান । সর্বশেষ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সোহান সহ আট জন পর্যটক প্রাণ হারিয়েছেন । সেন্টমার্টিনের সবচেয়ে বিপদজনক সেই ডেথ জোনটি হচ্ছে উত্তর পূর্ব বীচ সংলগ্ন এলাকা । অর্থাৎ ফেরীঘাট খেকে উত্তর দিকে পূর্ব বীচ ধরে হেটেঁ যেতে যেতে যেখানে বাঁদিকে টার্ন নিয়েছে সেখানটায় ।(ছবিতে দেখুন) এই অংশটুকুর একটা বাহারি নামও আছে- প্রিন্স হ্যাভেন পয়েন্ট !! এই জায়গাটা গুগল ম্যাপে দেখতে অনেকটা মরুভূমির উট এর ঘাড়ের অংশের মতো । এখানে একটু লম্বা খালের গভীর জায়গা রয়েছে যার দু্ই পাশে উচুঁ স্থান রয়েছে । এখানে পূর্বদিকের স্রোত, উত্তর দিকের স্রোত এবং মধ্যবর্তী এই ত্রিমুখী স্রোত কাজ করার জায়গাটাতে পানি চাপ নিম্নমুখী হওয়ার কারণে প্রাকৃতিক ভাবে এখানে খাদের সৃষ্টি হয়েছে । এখানে উল্টো স্রোত বা রিপ কারেন্ট ক্রিয়াশীল থাকায় ভাটার সময় এখানে টান টা বেশী কাজ করে । ভালোভাবে খেয়াল করলে এই জায়গাটাতে অসামঞ্জ্যতা চোখে পড়বে । দুই দিকে স্রোত আছে, মাঝখাণে কিছুটা স্থবির ! এছাড়া দুই দিকে উচুঁ স্থান থাকায় ভুল করে মাঝখানে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি । ছবিতে ভালো করে দেখে নিন । সবাইকে জানাতে শেয়ার করুন । আপনার একটি শেয়ার বাচিঁয়ে দিতে পারে অনেকের জীবন ।

Thursday, 24 December 2015

bear grylls & barack obama

Running Wild with Bear Grylls and President Barack Obama Famed adventurer and survivalist Bear Grylls gives President Barack Obama a crash course in survival techniques as they trek across the Alaskan wilderness in the highly anticipated television event, Running Wild with Bear Grylls and President Barack Obama, premiering exclusively on Discovery Channel next Friday 18 December at 7.30pm AEDT, just hours after it airs in the US. In this unprecedented special, Bear Grylls and President Obama travel across the rugged terrain of Alaska on a journey neither of them will forget. No subject is off limits as Obama candidly chats about family and fatherhood. The effects of climate change are also on the agenda as the two visit the melting Exit Glacier; discussing new energy resources and how we can maintain a clean environment. During their adventure, which President Obama has called, "One of the best days of my presidency," Grylls teaches him how to utilise the environment around them in order to survive, with the pair feasting on an Alaskan salmon that has been partially eaten by a bear. In the series Running Wild with Bear Grylls, celebrities travel to the most remote locations in the US and around the world for the journey of a lifetime as Bear Grylls teaches them to survive in some of the most unforgiving wildernesses. Season 2 will premiere on Discovery Channel in February 2016 and guests include Kate Winslet, Kate Hudson, Michelle Rodriguez, Jesse Tyler Ferguson and more

commidey Queen

বিয়ে করতে চলেছেন ভারতের কমেডি কুইনখ্যাত ভারতী সিং। জানা গেছে, আগামী বছরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন তিনি। যার সাথে পরিনয়ে নিজেকে বাঁধতে যাচ্ছেন, তিনি ‘কমেডি সার্কাস’ অনুষ্ঠানের চিত্রনাট্যকার হর্ষ লিম্বাসিয়া। হঠাৎ করে বিয়ের খবর দিয়ে পুরো মিডিয়াকে চমকে দিয়েছেন ভারতী। জানা গেছে, অনেকদিন ধরেই নাকি হর্ষের সাথে প্রেম চলছিল তার। কমেডিয়ান অভিনেত্রী ভারতী জানালেন, আগামী বছরেই বিয়ের কাজ সেরে ফেলতে চলেছেন এই জুটি। ভারতী আরও জানিয়েছেন, প্রতিটি মেয়ের মতোই বিয়ে নিয়ে তারও স্বপ্ন রয়েছে। বিয়ের পর টিপিকাল হাউজ ওয়াইফ হতে চান তিনি। মিডিয়ায় কাজ কমিয়ে দেয়ার কথাও জানালেন তিনি। তিনি বলেন, ‘সংসারে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিতে চাই। স্বামীর দেখাশোনা করা, ছেলেমেয়েদের জন্য রুটি বানানোর মতো কাজ করতে চাই। মোট কথা আর পাঁচটা হাউজ ওয়াইফের জীবন চাই আমি।’ - See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/61729#sthash.coYo4ITG.dpuf

Dilwala2015

৮ ডিসেম্বর একসঙ্গে মুক্তি পাওয়া ‘দিলওয়ালে’ এবং ‘বাজিরাও মাস্তানি’র বক্স-অফিস যুদ্ধে এসেছে নতুন মোড়। আয়ের দিক থেকে ‘দিলওয়ালে’ এগিয়ে থাকলেও ধীরে ধীরে কমে আসছে ‘বাজিরাও মাস্তানি’র সঙ্গে দূরত্ব। RELATED STORIES প্রসঙ্গ ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা: প্রভাব পড়েছে 'দিলওয়ালে'র ব্যবসায়? তিন দিনেই 'দিলওয়ালে'র শত কোটি, পিছিয়ে নেই 'বাজিরাও মাস্তানি' এনডিটিভি বলছে, প্রথম তিনদিন ভালো ব্যবসা করলেও সোমবার থেকে দুটো সিনেমারই আয়ের রেখা নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে। ভারত ও আন্তর্জাতিক বাজারের সম্মিলিত হিসাবে রবিবার পর্যন্ত ‘দিলওয়ালে’ আয় করেছে ১২১ কোটি রুপি। এর মধ্যে ভারতের ভেতর আয় ছিল ৬৫ কোটি ৯ লাখ রুপি এবং বিশ্ববাজারে ৫৬ কোটির মতো। অপরদিকে ‘বাজিরাও মাস্তানি’র আয় ছিল ৯০ কোটি ৮০ লাখ রুপি। যার মধ্যে ভারতের ভেতরে সিনেমাটির সংগ্রহ প্রায় ৬০ কোটি ৮০ লাখ এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আরো ৩০ কোটি রুপি। কিন্তু সোমবার হিসাব পাল্টে গেছে বেশ খানিকটা। বানিজ্য বিশ্লেষক তারান আদর্শ টুইটারে জানান, মুক্তির পর প্রথম সোমবারই ‘দিলওয়ালে’র টিকিট বিক্রি কমে গেছে ৫০ শতাংশ। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস সোমবার টিকিট বিক্রি কম হয় এমনিতেই, তবে ‘দিলওয়ালে’র ক্ষেত্রে একটু বেশিই কমে গেছে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের। অপরদিকে ‘বাজিরাও মাস্তানি’র টিকিট বিক্রি কমেছে মাত্র ১০ শতাংশ। মারাঠা সেনানায়ক পেশোয়া বাজিরাওয়ের চরিত্রে রানভির সিং মুগ্ধ করেছেন সমালোচক এবং সাধারণ দর্শকদের। তারই প্রভাব পড়েছে সিনেমাটির ব্যবসায়। মোট আয়ে এখনো ১৮ কোটি রুপি পিছিয়ে থাকলেও অতি দ্রুতই শাহরুখের ‘দিলওয়ালে’কে ছাড়িয়ে যাবে বলেই ভাবছেন বিশ্লেষকরা। অন্তত ‘দিলওয়ালে’র টিকিট বিক্রির মন্থর গতি তাই নির্দেশ করছে। ‘দিলওয়ালে’ নির্মাতারা ভাবছেন ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা প্রসঙ্গে শাহরুখ মন্তব্য নিয়ে বিতর্কের প্রভাব পড়েছে সিনেমাটির ব্যবসায়। মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান এবং বিহারের কয়েকটি স্থানে ‘দিলওয়ালে’র প্রদর্শনী বন্ধ রয়েছে বলে জানান পরিচালক রোহিত শেঠি। ‘দিলওয়ালে’র মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো পরিচালক সঞ্জয় লিলা বানসালির সঙ্গে বক্স-অফিস যুদ্ধে নেমেছেন অভিনেতা শাহরুখ খান। এর ২০০৭ সালে ‘ওম শান্তি ওম’ এবং ‘সাওয়ারিয়া’র মাধ্যমে শাহরুখ এবং সঞ্জয়ের টক্কর লাগে। একই দিনে মুক্তি পাওয়া সিনেমা দুটির মধ্যে সেবার জিতে যায় শাহরুখের বিপরীতে দিপিকার প্রথম সিনেমা ‘ওম শান্তি ওম’। এবার সেই দিপিকাই ‘বাজিরাও মাস্তানি’ দিয়ে শাহরুখকে হারিয়ে দেন কিনা তা দেখার বিষয়।

Dilwala2015

প্রায় পাঁচ বছর পর জুটিবদ্ধ হলেন বলিউডের কিংবদন্তি জুটি শাহরুখ খান ও কাজল। গত সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে এ জুটির ষষ্ঠ ছবি 'দিলওয়ালে'। এর আগে ১৯৯৫ সালে তাদের অভিনীত 'দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে' ছবিটি বলিউডের বক্স অফিসে ইতিহাস সৃষ্টি করে। এবারের ছবিটিও ইতিমধ্যে দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। রাজ-সিমরানের অমর প্রেমের আখ্যান চোখের জল ঝরিয়েছিল বলিউডের দর্শকের। অমর এ জুটির প্রত্যাবর্তন নিয়ে লিখেছেন রাসেল রানা শাহরুখ খান-কাজল। পাঁচ বছর প্রতীক্ষার পর সেই চির নতুন জুটি আবারও এসেছেন মধুকরী রূপে। তাই ভারতের প্রেক্ষাগৃহে এখন ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই অবস্থা। তাদের রসায়ন দেখতে প্রতিদিন হাজারো ভক্ত ভিড় করছেন প্রতিটি হলে। মুক্তির প্রথম দিনেই ছবিটি কেবল ভারতে আয় করেছে ২১ কোটি রুপি। তৃতীয় দিনেই ছবিটি অতিক্রম করে ১০০ কোটির ঘর। মুক্তির চতুর্থ দিনেই ছবিটি বিশ্বব্যাপী ১২১ কোটি রুপি আয় করেছে। এর মধ্যে ভারতের প্রেক্ষাগৃহ থেকেই আয় করেছে ৭৭ কোটি রুপি। সপ্তাহান্তে ছবিটি ২০০ কোটি রুপির ঘর ছাড়িয়ে যাবে বলে অনুমান করেছেন বোদ্ধারা। তবে সালমান খানের 'বজরঙ্গি ভাইজান' ছবিটি এখনও বছরের শীর্ষ ছবির তালিকায়। 'ডিডিএলজে'খ্যাত শাহরুখ-কাজলের কাছ থেকে দর্শকের আশা হয়তো অনেক বেশি ছিল। কিন্তু পরিচালক রোহিত শেঠি কিংবদন্তি এ জুটিকে সঠিক চিত্রনাট্যে ফিরিয়ে আনতে পারেননি বলেই দর্শকের অভিমত। এ জুটির নতুন ছবি 'দিলওয়ালে' নিয়েও ভক্তদের উচ্ছ্বাস বাঁধভাঙা। রোহিত শেঠির পরিচালনায় এ ছবিটি ১৮ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে বিশ্বব্যাপী। শাহরুখ-কাজলের ুপাশাপাশি এ ছবিতে আছেন বরুণ ধাওয়ান ও কৃতি স্যানন জুটি। দু'জনেই গুরুত্বপূর্ণ দুটি ছবি ছেড়ে এক হয়েছেন শাহরুখ-কাজলের পতাকাতলে। এর মধ্যে কৃতি স্যাননের হাতে থাকা 'সিং ইজ বি্লং' ছবিটি দারুণ ব্যবসা করেছে। অক্ষয় কুমারের মতো তারকার ছবি ছেড়ে দিয়ে সেকেন্ড রোল প্লে করাটা সে সময় অনেকের কাছে বোকামি মনে হলেও দিলওয়ালের সাফল্যে তিনি ভুলে গেছেন সব। অন্যদিকে, সালমান খানের ভক্তখ্যাত বরুণ, নিজেকে নতুন করে চিনে নিয়েছেন এ ছবির মাধ্যমে। 'এবিসিডি-টু' ছবির সেমি হিটের পর এ ছবিটির বক্স অফিসের রেকর্ড তাকে স্বস্তি এনে দিয়েছে। আর তাদের সাফল্যে পরিচালকের পাশাপাশি প্রযোজক গৌরী খানও এখন আছেন খুশির আমেজে। ছবিটি মীরা-রাজের প্রেম ও ঘৃণা নিয়ে। কাজল অভিনয় করেছেন মীরা চরিত্রে, শাহরুখ রাজ চরিত্রে। রোমান্টিক জুটি হিসেবে খ্যাত হলেও এ ছবিতে প্রেমের চেয়ে ঘৃণা ও কষ্ট প্রাধান্য পেয়েছে বেশি। শাহরুখের ছোট ভাই বীর ও কাজলের ছোট বোন ঈশিতা একেবারেই ভিন্নধর্মী। অন্যান্য চরিত্রে বোমান ইরানি, বিনোদ খান্না, কবির বেদি, চেতন পাণ্ডে, জনি লেভার, সঞ্জয় মিশ্র, মুখেশ তিওয়ারি, পঙ্কজ ত্রিপাঠি, নওয়াব শাহ ও শাওয়ার আলী স্বতন্ত্র্য বজায় রেখেই অভিনয় বরেছেন। দিলওয়ালে মূলত দুটি সময়ের ছবি। একটি রাজের অতীত জীবনে দুর্ধর্ষ কালির বীরবিক্রম ও সুন্দরী মীরার প্রেম নিয়ে। দাদের বাবা মুকেশ তিওয়ারি ও পঙ্কজ ত্রিপাঠির দ্বন্দ্বের কারণে করুণ দৃশ্যের অবতারণা হয় মীরা ও রাজের জীবনে। ১৫ বছরের বিরতির পর তাদের আবার দেখা হয় বীর ও ঈশিতার বিয়ের উপলক্ষে। কিন্তু পরিচালক রোহিত শেঠি রাজের অতীত জীবনে যতটুকু গোছানো ছিলেন, পরবর্তী পর্যায়ে এসে সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারেননি। তবে সেসব দুর্বলতা এ ছবির বক্স অফিস সাফল্যে তেমন বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বরং তোপে পড়ে পিছিয়ে পড়েছে সঞ্জয় লীলা বানসালির 'বাজিরাও মাস্তানি'। আর পাঁচ বছর পর ফিরে এসে কাজল এখনও সেই তুলনাহীনা। ছবিতে তার বিখ্যাত সংলাপ 'ক্যাইসি লাগি মেরি অ্যাক্টিং_ ওয়ার্ল্ড ক্লাস, না?' ছবিতে কাজলের অভিনয়ের ব্যাপারে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। তবে পরিচালক রোহিত শেঠির ব্যাপারে এ কথা বলছেন না ভারতীয় চলচ্চিত্রবোদ্ধারা। আর শাহরুখের ব্যাপারে দর্শকের অভিমত তেমনি মিশ্র। অনেকের ধারণা, বয়সের তুলনায় শাহরুখের প্রয়োজন ছিল চিত্রনাট্য নিয়ে আরও বেশি ভাবা। কারণ স্টারডমের খ্যাতি ছাড়িয়ে শাহরুখের কাছে এখন দর্শকদের প্রত্যাশা প্রাণভরা অভিনয়, একের পর এক লাগামহীন ছুটে চলা নয়।

Tuesday, 22 December 2015

Dilwala2015 sex

‘দিলওয়ালে’তে রোমান্টিক দৃশ্যে সমস্যায় পড়েছিলেন শাহরুখ-কাজল ! প্রকাশের সময়: Mon, Dec 21st, 2015 | বিনোদন 3940 4 বিনোদন ডেস্ক- বলিউডের সেরা সফল অন্যতম জুটি শাহরুখ খান আর কাজল। এই জুটির সব ছবি যেন দর্শকদের মন কেড়েছে। সম্প্রতি এই জুটির ছবি ‘দিলওয়ালে’ মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত বাজিমাত করে যাচ্ছে ছবিটি। ছবিটির মূল মন্ত্রই ছিল শাহরুখ-কাজল জুটি। আর সেটি আবারো সফল। পাঁচ বছর পর এই জুটি আবারো প্রমাণ করেছে তারা এখনও আগের মতই আছে। তবে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দিলওয়ালে’তে রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন তারা। ছবি মুক্তির পর এ কথা বলেছেন খোদ বাদশা। কিন্তু কেন দু’জনের এই জড়তা তার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেননি নায়ক। শাহরুখের কথায়, ‘রোমান্টিক দৃশ্যের শুটিংয়ে আমার আর কাজলের বোঝাপড়াটা অনেক সময়ই ক্লিক করছিল না। এমনও হয়েছে ঘনিষ্ঠ হতে গিয়ে একে অপরের সঙ্গে আমাদের মাথা ঠুকে গিয়েছে।’ টুইটারে এক শাহরুখ ভক্ত জানতে চেয়েছিলেন শুটিংয়ে সবচেয়ে বিড়ম্বনার মুহূর্ত কী ছিল? তার জবাবেই শাহরুখ এই তথ্য শেয়ার করেছেন। রোহিত শেঠির ‘দিলওয়ালে’তে এক কথায় রি-ইউনিয়ন হয়েছে এই জুটির। ইতিমধ্যেই বক্স অফিসে তুমুল সাফল্য পেয়েছে ছবিটি। আর পর্দায় তাঁদের দেখে শুটিংয়ে অস্বস্তির কথা দর্শকরা বুঝতে পারেননি। বরং ফিরে পেয়েছেন এই রোমান্টিক জুটির চেনা উষ্ণতা। - See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/326350#sthash.XNwtBmeZ.dpuf

Dilwala2015

অন্যতম ছিল রোহিত শেঠির পরিচালনায় এবং শাহরুখ-কাজল অভিনীত ছবি ‘দিলওয়ালে’। মুক্তির প্রথম দিনে আশানুরূপ ব্যবসা না করতে পারলেও তৃতীয় দিনে এসে ঠিকই বিশ্বব্যপী ১০০ কোটি রুপি আয় করে নিয়েছে ছবিটি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ১৮ ডিসেম্বর শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে বহুল আলোচিত বলিউডের দুই ছবি। একটি শাহরুখ কাজল অভিনীত ‘দিলওয়ালে’ এবং অন্যটি রনবীর সিং, দীপিকা পাডুকোন ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অভিনীত সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত বাজিরাও মাস্তানি! মুক্তির প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে বক্স অফিসে দাপট দেখানোর পর তৃতীয় দিনেও সে দাপট অব্যাহত রাখলো ছবিটি। আর মুক্তির তৃতীয় দিনেই ছবিটি পৌঁছে গেল একশো কোটির ঘরে।সিনেমার বাণিজ্য বিশ্লেষক তারান আদর্শ ‍তৃতীয় দিনের বক্স অফিস সম্পর্কে জানান যে, প্রথম দিন এবং দ্বিতীয় দিনের মত ‘দিলওয়ালে’ তার দাপট অব্যাহত রেখেছে তৃতীয় দিনেও। প্রথম দিনে একুশ কোটি রুপি এবং দ্বিতীয় দিনে ২০ কোটি রুপি অর্জনের পর মুক্তির তৃতীয় দিনেও ছবিটি আয় করেছে চব্বিশ কোটি রুপি। যা খুবই আশাব্যঞ্জক। ‘দিলওয়ালে’ মুক্তির প্রথম দিনে আয় করেছিল ২১ কোটি রুপি, দ্বিতীয় দিনে ২০ কোটি রুপি। কিন্তু মুক্তির তৃতীয় দিনে এসে ছবিটি সর্বোচ্চ আয় করে, ২৪ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে ভারতে ছবিটি তিন দিনে আয় করেছে ৬৫.০৯ কোটি রুপি। এছাড়া বিশ্বব্যাপী ছবিটি আয় করেছে ৫৮ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে মুক্তির তৃতীয় দিনে ‘দিলওয়ালে’র আয় ১২৩.০৯ কোটি রুপি। অন্যদিকে চলতি বছরে মুক্তির প্রথম দিনে আয় করা ছবির তালিকায় ৩ নম্বরে জায়গা পেয়েছে শাহরুখ অভিনীত ‘দিলওয়ালে’। শাহরুখ ও কাজল ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছেন বরুন ধাওয়ান, কৃতি স্যানন, বোমান ইরানি এবং জনি লিভার।

Asia cup dhaka

ec, 2015 ফরম্যাটটা বদলে গেছে। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য এবারের এশিয়া কাপ হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। সেটা আগেই জানা ছিল। এবার, মঙ্গলবার মিরপুরের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কার্যালয়ে বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন জানিয়ে দিলেন এই টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত সূচি। জানা গেল, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে গড়াবে এশিয়া কাপ। পাচ দলের অংশগ্রহণে এই টুর্নামেন্ট শেষ হবে ছয় মার্চ। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকাতেই পাঁচ সহযোগী দেশ নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে বাছাইপর্ব।
বাছাইপর্বে এর আগের বছর এশিয়া কাপের চুড়ান্ত পর্বে খেলা আফগানিস্তানের মোকাবেলা করবে হংকং, নেপাল ও ওমান। বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দলটি চার টেস্ট খেলুড়ে দেশ – বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলঙ্কার সাথে খেলবে চুড়ান্ত পর্ব। বোর্ডের প্রধান নির্বাহী জানিয়েছেন, এবারের এশিয়া কাপও মোট দুটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সাথে থাকছে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম।প্রিয়

new years railway bd

রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেছেন, বাংলাদেশ রেলওয়েতে নতুন বছরে নতুন চমক আসছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে নতুন কোচ ও লোকোমেটিভ দিয়ে যাত্রীদের বিশেষ সেবা। সোমবার কমলাপুর রেলওয়ে ওয়ার্কশপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফিরোজ সালাউদ্দীন, রেলওয়ের মহাপরিচালক আমজাদ হোসেন, এডিজি খলিলুর রহমান প্রমুখ। মন্ত্রী বলেন, আগামী জানুয়ারিতে ২৭০টিরও বেশি কোচ সংযোজন করা হবে। কমলাপুর ডিজেল ওয়ার্কশপে আধুনিকতা আনা হবে বলেও জানান তিনি। রেলে সময়সূচি মেনে সব রকম যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। - See more at: http://bangla.samakal.net/2015/12/21/181418#sthash.mbcJpfRL.dpuf

Monday, 21 December 2015

পিএসএল

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বাংলাদেশের তামিম ইকবাল পেশাওয়ার জালমিতে আর পেসার মুস্তাফিজুর রহমান খেলবেন লাহোর কোয়াল্যান্ডারে। সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে খেলোয়াড় বাছাই করে পিএসএলে অংশ নেওয়া পাঁচটি দল। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে বাছাই পর্বের শেষ ধাপ। ইতোমধ্যে প্লাটিনাম, ডায়মন্ড ও গোল্ড ক্যাটাগরিতে খেলোয়াড় বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। এরপর সিলভার ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের বাছাই। সেখানে বাংলাদেশিদের মধ্যে আছেন মুমিনুল হক, ইমরুল কায়েস, মাহমুদউল্লাহ ও এনামুল হক। প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে বিদেশি খেলোয়াড় কোটায় সাকিবকে বেছে নেয় করাচি। তবে ডায়মন্ড ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশি কোন খেলোয়াড় ছিল না। মুস্তাফিজ আর তামিম ছিলেন 'গোল্ড' ক্যাটেগরিতে। লাহোর কালান্দার্সের আইকন ক্রিকেটার ক্রিস গেইল আর পেশাওয়ার জালমির শহীদ আফ্রিদি। প্লাটিনাম গ্রুপের খেলোয়াড়দের প্রত্যেকের মূল্য ১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। ডায়মন্ড, গোল্ড, সিলভার ও ইমাজিং ক্যাটাগরির প্রত্যেক খেলোয়াড়দের মূল্য যথাক্রমে ৭৫ হাজার, ৫০ হাজার, ২৫ হাজার ও ১০ হাজার মার্কিন ডলার। সোমবার খেলোয়াড় বাছাই শেষে কে কোন দলে: করাচি কিংস: সাকিব আল হাসান, শোয়েব মালিক, সোহেল তানভীর, ইমদাদ ওয়াসিম, রবি বোপারা, লেন্ডন সিমন্স, মোহাম্মদ আমির, বিলওয়াল ভাট্টি ইসলামাবাদ ইউনাইটেড: শেন ওয়াটসন, আন্দ্রে রাসেল, মিসবাহ-উল-হক, স্যামুয়েল বদ্রি, মোহাম্মদ ইরফান, ব্র্যাড হাডিন, সার্জিল খান, মোহাম্মদ সামি পেশোয়ার জালমি: শহীদ আফ্রিদি, ওয়াহাব রিয়াজ, ড্যারেন স্যামি, কামরান আকমল, মোহাম্মদ হাফিজ, ক্রিস জর্ডান, তামিম ইকবাল, জুনায়েদ খান কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স: কেভিন পিটারসেন, সরফরাজ আহমেদ, আহমেদ শেহজাদ, আনোয়ার আলী, জেসন হোল্ডার, লুক রাইক, জুলফিকার বাবর, উমর গুল লাহোর কোয়াল্যান্ডার : ক্রিস গেইল, ডোয়াইন ব্রাভো, উমর আকমল, মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইয়াসির শাহ, শোয়েব মাকসুদ, মুস্তাফিজুর রহমান,কেভন কুপার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ৫ দলের এই টুর্নামেন্ট। ফাইনাল ২৩ ফেব্রুয়ারি। সূত্র: ক্রিকইনফো

Sunday, 20 December 2015

রসুনে ১ লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান

১. একটি মাঝারি সাইজের রসুনে ১ লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে। ২. ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি অ্যামিবিক ডিসেনট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে রসুন বেশ কার্যকরী। ৩. শরীরের রোগ সংক্রমণ দূর করার জন্য একসাথে তিন কোয়া রসুন দিনে তিন থেকে চারবার চিবিয়ে খান। ৪. রক্তের চাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য প্রতিদিন তিন থেকে ১০ কোয়া রসুন খেতে পারেন। ৫. উচ্চরক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অপরিসীম। রসুন রক্ত জমাট নিরোধী অ্যাসপিরিনের মতোই শক্তিশালী। ৬. রসুন খেতে হলে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেতে হবে। চিবিয়ে না খেলে রসুনের রাসায়নিক উপাদান এলিসিন নির্গত হবে না। এলিসিনই হচ্ছে শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক। অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা কাজে লাগানোর জন্য কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়াই উত্তম। ৭. যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপজ্জনক। রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। ৮. অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি ঘটাতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম। ৯. রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। ১০. শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

ঘর চটপট ঘরে তৈরী করুন সু-স্বাদু চটপটি

ঘর চটপট ঘরে তৈরী করুন সু-স্বাদু চটপটি চটপটি খেতে ছোট,বড় সবাই পছন্দ করে। চটপটির নাম শুনলেই জিভে জল এসে যায়। বাইরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ধূলাবালি যুক্ত চটপটি না খেয়ে ঘরে তৈরী করুন ছোট,বড় সবার পছন্দের সু-স্বাদু চটপটি। উপকরণ # ডাবলি বুট আধা কেজি # বেকিং পাউডার ১ চা চামচ # লবণ পরিমাণমতো # পানি পরিমাণমতো # আলু ৪টা (সেদ্ধ) # পেঁয়াজ কুচি ৪ টেবিল চামচ # ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ # কাঁচামরিচ কুচি ২টা # চটপটির মশলা ২ টেবিল চামচ # লেবুর খোসা ১ চা চামচ # ডিম সেদ্ধ ১টা # বিট লবণ সিকি চা চামচ # তেঁতুলের কাত্থ ১ কাপ # ভাজা মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ # লবণ পরিমাণমতো # ভাজা জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ # বিট লবণ সামান্য ,পানি পরিমাণমতো প্রস্তুত প্রণালী ডাবলি সারা রাত ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে বেকিং পাউডার, লবণ ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। ইচ্ছা করলে সামান্য জর্দার রঙ দিতে পারেন। এবার সেদ্ধ আলু গ্রেট করে নিন। এবার একটা বাটিতে সেদ্ধ ডাবলি দিয়ে এর সঙ্গে আলু, পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, লেবুর খোসা, চটপটির মশলা দিয়ে একসঙ্গে চামচ দিয়ে মেখে নিন। এবার মশলা মেশানো তেঁতুলের পানি দিয়ে নেড়ে উপরে কয়েকটা ফুচকা ভেঙে দিন। সবার উপর স্লাইস করা ডিম দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার চটপটি।

salman khan wife

সুলতান’ সালমান খানের বেগম মিলল কি? বোধহয় হ্যাঁ! বি-টাউনের ওজনদার নাম নয়, প্রায় আনকোরা মানদানা করিমিই হতে চলেছেন সাল্লু মিয়াঁর বেগম। এমনটাই কানাকানি বলিউডের অন্দরে। তবে রিয়েল নয়, রিল লাইফে সুলতানের বেগম হবেন মানদানা। ‘বিগ বস-৯’-এর সৌজন্যে মানদানা এখন দেশীয় দর্শকের ড্রয়িং রুমের নতুন অতিথি। রিয়েলিটি শো-এর আগে অবশ্য চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেই তাকে দেখা গেছে ‘ভাগ জনি’তে। কুণাল খেমুর বিপরীতে ইরানীয় সুন্দরী নজর কাড়লেও সে ছবি কিন্তু বক্স অফিসে ডুবেছে। তবে মডেলিং দিয়ে নাম কিনলেও মানদানা আপাতত ফিল্মেই মন দিতে চান। ‘বিগ বসে’র সেটে সালমান যে তার প্রতি একটু বেশিই সদয় তা তো চোখেই পড়ছে। আদিত্য চোপড়া প্রযোজিত ‘সুলতান’ সিনেমার পর্দায় দেখা যেতে পারে আগামী বছর ঈদে। ‘মেরে ব্রাদার কি দুলহান’ বা ‘গুন্ডে’-র পর এটাই পরিচালক আলি আব্বাস জাফরির বড় প্রজেক্ট। তা সেই সালমানের ‘সুলতান’-এর জন্য নায়িকার ভূমিকায় কে থাকবেন, তা নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই। একে একে নাম উঠেছে দীপিকা পাড়ুকোন, পরিণীতি চোপড়া থেকে কর্তি সাননের। কিন্তু, এখন শোনা যাচ্ছে ওই তিন বলিউড নায়িকা নন, সাল্লু মিয়াঁর বেগমের রোল পেতে পারেন মানদানা। -

Dilwala2015

১৮ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে রোহিত শেঠি পরিচালিত ‘দিলওয়ালে’ ছবি। আর এই ছবি দিয়ে পাঁচ বছর পর ফিরছে শাহরুখ খান আর কাজল জুটি। দর্শকদের যেন এই নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। কারণ এই জুটি যে এই ছবির সাফল্যের মূল মন্ত্র। আর রোহিতের সেই মন্ত্র কাজেও লেগেছে। মুক্তির প্রথম দিনেই বাজিমাত ‘দিলওয়ালে’। শুক্রবার মুক্তি পাওয়া এই ছবি যত হলে মুক্তি পেয়েছে প্রায় সব হলই ছিল দর্শকে ভরপুর। শুধু কি তাই ভারতে প্রথম দিনেই এই ছবি ২২ কোটি রুপি আয় করে ফেলেছে। আর ওভারসিস আয় ছিল প্রায় ১০ কোটি রুপি। আবারো এই ছবি প্রমাণ করেছে এখনও শাহরুখ-কাজল জুটি দর্শকদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। আর এই ছবির মুক্তির প্রথম দিনের সাফল্যে শাহরুখের বাসায় এক পার্টির আয়োজন করা হয়েছে যেখানে এই ছবির কলাকুশলী বাদেও উপস্থিত ছিল অনেক তারকা। এখন শুধু দেখার পালা যে এই বছরের সেরা ছবি হয় কিনা ‘দিলওয়ালে’।

adding 2years for gov job

সময়ের কণ্ঠস্বর- বহুল প্রত্যাশিত সরকারি চাকরিজীবীদের অষ্টম পে-স্কেলের গেজেট সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। আর এর মাধ্যমে অবসান হলো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার। অষ্টম বেতন স্কেলের গেজেট প্রকাশকে অর্থমন্ত্রী সরকারি চাকারিজীবীদের জন্য বিজয় দিবসের বিশেষ উপহার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে এই সুখবরের রেস কাটতে না কাটতেই নতুন বছরে সরকারি চাকুরীজীবীদের জন্য আরও একটি সুখবর আসছে। সুখবরটি হচ্ছে, আবারও তাদের অবসরে যাওয়ার বয়স বাড়ানো হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা কর্মচারীদের বয়স ৬০ থেকে বাড়িয়ে ৬২ বছর করা হতে পারে। সাধারণ কর্মচারীদের বয়স ৫৯ থেকে বাড়িয়ে ৬১ করার প্রস্তুতি রয়েছে। ইতিমধ্যে এমন বিধান রেখে গণকর্মচারী অবসর আইন-২০১৫ সংশোধন সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব তৈরি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। শিগগিরই মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হবে। এদিকে, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তিন স্তরের পদোন্নতির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পদোন্নতি সংক্রান্ত সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) সভাও চলছে। আগামী বছরের শুরুতেই এ পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সরকারি কর্মচারীদের অবসরের বয়স নিয়ে আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা মন্ত্রিসভায় উত্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে কিছু পর্যালোচনাসহ একটি প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে। জনপ্রশাসনের প্রস্তাবে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হবে। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কর্মচারীদের বয়স বাড়ানো হলে সাধারণ কর্মচারীদের বয়স বাড়ানোর বিষয়টি আসতে পারে। তিন স্তরের পদোন্নতির ক্ষেত্রে তিনি বলেন, পদোন্নতির বৈঠক চলছে। এখনই বলা যাবে না কতজন কর্মকর্তা পদোন্নতি পাবেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অন্য একটি সূত্র অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে জানায়, আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণসহ বয়স বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবই মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। এ ক্ষেত্রে গণকর্মচারী অবসর আইন সংশোধনীর প্রস্তুতি রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা গণকর্মচারীদের অবসরের বয়স বাড়ানোর ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তিনটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার জন্য মন্ত্রিসভায় মতামত দেবে। প্রথমত, ইতিমধ্যে যেসব মুক্তিযোদ্ধা কর্মচারী অবসরে গেছেন তাদের সুবিধা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, দ্বিতীয়ত, যারা অবসর-পূর্ববর্তী ছুটিতে গেছেন তারা এ সুবিধা পাবেন কি-না, মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স বাড়ানো হলে কত বছর বাড়ানো সঙ্গত হবে। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা কর্মচারীদের বয়স বাড়ানো হলে সাধারণ কর্মচারীদের অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখা। সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা কর্মচারীর সংখ্যা হবে ৫ হাজার। সব মিলিয়ে গণকর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ২১ লাখ। তবে বয়স বাড়ানোর ব্যাপারে প্রশাসনের মধ্যম ও শেষভাগের কর্মচারীদের আপত্তি রয়েছে। তারা মনে করছেন, বয়স বাড়ানো হলে পদোন্নতির সুযোগ বিঘি্নত হয়। পাশাপশি পদ শূন্য না হওয়ায় বেকারদের চাকরির সুযোগ কমে আসে। বয়স বাড়ানোর আগে চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোসহ পদোন্নতির একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার এবং সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২৫০ টাকা মূল ধরে সরকারি কর্মচারীদের জন্য অষ্টম বেতন কাঠামো মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পায়। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতন পাবেন ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে। এক্ষেত্রে ১ জুলাই থেকেই এরিয়ার কার্যকর হবে। - See more at: http://www.somoyerkonthosor.com

Saturday, 19 December 2015

রণবীর-ক্যাটরিনার সম্পর্কের ইতি!

বেশ কিছুদিন ধরেই বলিউডের সংবাদমাধ্যমগুলো রণবীর কাপুর আর ক্যাটরিনা কাইফের বিয়ের খবর নিয়ে সরগরম ছিল। বলিউডের এই আলোচিত জুটির বিয়ে নিয়ে সরগরম সংবাদমাধ্যমগুলোর গায়ে যেন ঠান্ডা পানির ছিটে পড়েছে সাম্প্রতিক এক খবরে। মুম্বাইয়ের স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যাদের সম্পর্ক নিয়ে সংবাদমাধ্যমে এত তোলপাড়, সেই রণবীর-ক্যাটরিনাই নাকি হাঁটছেন বিচ্ছেদের পথে। এ দুজনের সম্পর্কের এক বিয়োগান্ত ইতিই নাকি ঘটতে যাচ্ছে শিগগির। সম্প্রতি ‘তামাশা’ ছবিতে দীপিকা পাডুকোণের সঙ্গে অভিনয় করেছেন রণবীর কাপুর। এ ছবিতে দীপিকার সঙ্গে রণবীরের ঘনিষ্ঠতা নাকি ভালোভাবে নেননি ক্যাটরিনা। এ ছাড়া, ‘তামাশা’ ছবির প্রচারে এ দুজনের অংশ নেওয়া এবং তাঁদের সম্পর্কের উষ্ণ রসায়নও ক্যাটরিনার একদমই পছন্দ হয়নি। মুম্বাইয়ের একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বরাতে একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্যাটরিনা ও রণবীর বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। তাঁদের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। এই ভালো না যাওয়ার পেছনে যা কাজ করেছে তা হলো ‘তামাশা’ ছবির প্রচারের কাজে দীপিকা-রণবীরের ঘনিষ্ঠতা। অবশ্য, কষ্ট ভুলতে নাকি ছুটি কাটানোর পরিকল্পনাই করেছেন ক্যাটরিনা কাইফ। পরিবারের সঙ্গে বড়দিনের ছুটি কাটাবেন ক্যাটরিনা আর এরই মধ্যে রণবীর কাপুর তাঁর ছবি ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’-এর যাবতীয় কাজ গুছিয়ে নেবেন। এরপর দুজনে মিলে ছুটি কাটাতে যাওয়ার কথা কোনো এক দ্বীপে। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

salman khan going to marry first

সুপার ব্যাচেলর হিসেবে খ্যাত অভিনেতা সালমান খান। তার জীবনে প্রেম নিয়ে বির্তকের শেষ নেই। বহু বলিউড নায়িকাদের সঙ্গে প্রেমোময় সম্পর্কে জরিয়ে ছিলেন সালমান। কিন্তু এখন পূর্যন্ত বিয়ে মুকুট তার মাথায় সোভা পায়নি। বিভিন্ন মহল থেকে খানকে প্রশ্ন করা হয় বিয়ে করছেন কবে? এখন এই প্রশ্নে ক্লান্ত সালমান নিজেই। তাই এবার হয়ত বিয়ের ব্যাপারে একটু সিরিয়াস হলেন তিনি এবং প্রেমের ব্যাপারেও। তবে এই প্রেমটাও কি গড়াবে বিয়ে পর্যন্ত? বলিউডের চির প্রেমিক সালমন খান। ঐশ্বরীয়া থেকে ক্যাটরিনা কাইফ। কারো সাথেই প্রেমের সম্পর্ক টিকে নেই। এছড়া, ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া থেকে ম্যায়নে প্যায়ার কিঁউ কিয়া। সব এক্সপিরিয়েন্সই করেছেন সাল্লু ভাই। এবার সালমানের লভ লাইফে নিউ এন্ট্রি লুয়িয়া ভেন্টুর। বোন অর্পিতার বিয়ে থেকেই যিনি এন্ট্রি নিয়েছেন খান পরিবারেও। খানদেরও খাস পছন্দ এই রোমানিয়ান সুন্দরী। এমনকি প্রেম রতন ধন পায়োর সেটে দিনের পর দিন সালমানের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে লুইয়াকে। প্রেমের ব্যাপারে খামখেয়ালি সালমানও এখন কিছুটা সিরিয়াস। বিগ বসের সেটে জানিয়েছেন এবার বিয়ের ব্যাপারে ভাবনা চিন্তা করবেন। পঞ্চাশের এই যুবার মনেও কি তাহলে লুইয়া? জল্পনাটা জিইয়ে রাখলেন সালমান নিজেই। ১১, ডিসেম্বর, ২০১৫/এমটিনিউজ২৪/এসপি/এমইউ

public universery teacher pay scale 2016

আবু কাওসার নতুন পে স্কেলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য সব সুযোগ-সুবিধা আগের মতো বহাল রাখা হয়েছে। পদোন্নতির মাধ্যমে উচ্চতর ধাপে যেতে পারবেন তারা। জাতীয় অধ্যাপকদের সিনিয়র সচিব মর্যাদার 'সুপার গ্রেড' পদে উন্নীত করা হয়েছে। আগের বেতন কাঠামোতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা তৃতীয় গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল পেয়ে উচ্চতর ধাপ গ্রেড-২ এবং গ্রেড-১-এ যেতে পারতেন। নতুন বেতন কাঠামোতে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বিলুপ্ত করা হলেও বিকল্প সুবিধা হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে তৃতীয় গ্রেড থেকে দ্বিতীয় এবং প্রথম গ্রেডে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। নতুন স্কেলে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকদের পরবর্তী ধাপে পদোন্নতির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সম্প্রতি যে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে এসব বিষয়। জানুয়ারি মাস থেকে নতুন বেতন কাঠামোতে 'বর্ধিত বেতন' পাবেন তারা।  গত মঙ্গলবার নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, মন্ত্রিসভায় পাস হওয়ার পর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অষ্টম বেতন কাঠামোর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। অবশ্য পরে তারা নমনীয় হন। নতুন বেতন কাঠামোতে তাদের সুযোগ-সুবিধা কমানো হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ এ প্রসঙ্গে সমকালকে বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোনো সুযোগ-সুবিধা বাতিল করা হয়নি; বরং আরও বাড়ানো হয়েছে। এটা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ নেই।  তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা বলেছেন, তাদের বেতন-ভাতার বিষয়ে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। বরং আরও হরণ করা হয়েছে সুযোগ-সুবিধা। এতে এতে খুশি নন তারা। শিক্ষকরা আরও বলেন, গত ৮ ডিসেম্বর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সর্বশেষ বৈঠকে 'সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্ত অধ্যাপকদের' মধ্য থেকে কিছু অংশকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় 'সুপার গ্রেডে' উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি। একই অভিমত ব্যক্ত করেন বিসিএস শিক্ষকরা। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসিচব ড.এ এস এম মাকসুদ কামাল সমকালকে বলেন, নতুন পে স্কেলে শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা কমানো হয়েছে। এতে আমাদের অনেক দাবি প্রতিফলিত হয়নি। জাতীয় অধ্যাপকরা পে স্কেল অনুযায়ী বেতন পান না। তাদের থোক বরাদ্দ দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেছিলেন, জাতীয় অধ্যাপকদের সুপার গ্রেডে নেওয়া ঠিক হবে না। অথচ জাতীয় অধ্যাপকদের সুপার গ্রেড দেওয়া হলো। এটা আইনের পরিপন্থী। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির মহাসচিব আই কে সেলিম উল্লাহ খন্দকার এ প্রসঙ্গে সমকালকে বলেন, নতুন পে স্কেলে জনপ্রশাসনের সবাই পঞ্চম গ্রেড থেকে তৃতীয় গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। শিক্ষকরা কেন চতুর্থ গ্রেডে থাকবেন। তিনি বলেন, নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালা সংশোধন করলে বর্ধিত বেতন পেতে জটিলতা বাড়বে। এ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। গত ৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভায় নুতন পে স্কেল অনুমোদনের পর পাবিলক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাদের অভিযোগ ছিল, পে স্কেলে শিক্ষকদের চার ধাপ নিচে নামানো হয়েছে, যা তাদের জন্য অমর্যাদাকর। বেতন বৈষম্য দূর করে শিক্ষদের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে একপর্যায়ে ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলনে নামেন। পরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবি নিরসনে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বেতন বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশের আলোকেই নতুন পে স্কেলে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে :আগের বেতন কাঠামোতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা তৃতীয় গ্রেডভুক্ত ছিলেন। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পেয়ে গ্রেড-২ এবং গ্রেড-১-এ পদোন্নতির সুযোগ পেতেন। নতুন বেতন কাঠামোতে অধ্যাপকদের আগের মতোই তৃতীয় গ্রেডে রাখা হয়েছে। এই গ্রেড থেকে পদোন্নতি পেয়ে যথাক্রমে গ্রেড-২ এবং গ্রেড-৩-এ যেতে পারবেন তারা। তবে গ্রেড-১-এ বেতন আহরণযোগ্য অধ্যাপকের সংখ্যা হবে গ্রেড-২প্রাপ্ত অধ্যাপকদের সংখ্যার সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ। এ প্রসঙ্গে ড. মাকসুদ কামাল বলেন, শিক্ষকদের গ্রেড-২-এর পদ কখনোই ছিলো না। এটা করা হলে আমাদের সুবিধা আরও কমে যাবে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে তা হবে উচ্চশিক্ষার ওপর হস্তক্ষেপের শামিল। বিসিএস শিক্ষক : আগে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত অধ্যাপকরা চতুর্থ গ্রেডে বেতন পেতেন। মোট অনুমোদিত অধ্যাপক পদের ৫০ শতাংশ সিলেকশন গ্রেড পেয়ে চতুর্থ গ্রেড থেকে তৃতীয় গ্রেডে যেতে পারতেন। নতুন বেতন কাঠামোতে তাদের জন্য একই সুযোগ-সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। তবে অধ্যাপকদের পদোন্নতি পাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়োগ ও পদোন্নতির নীতিমালা সংশোধন করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই নীতিমালার আলোকে পদোন্নতি দেওয়া হবে। - See more at: http://bangla.samakal.net/2015/12/19/180756#sthash.a7suWcCe.dpuf

new Urban rode plans

আসাদুর রহমান কোনো বিজ্ঞানী বা নগর পরিকল্পনাবিদ নন, একজন সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি তার আবিষ্কৃত যানজটমুক্ত সড়কের মডেল গৃহীত হয়েছে সরকারিভাবে। আসাদুর রহমান এবং তার স্বপ্নের সিগন্যালবিহীন সড়ক নিয়ে প্রচ্ছদ লিখেছেন ইমরান-উজ-জামান সারা ঘরে রাস্তার ম্যাপ আর সেই সব রাস্তায় প্রচুর গাড়ি। প্লাস্টিকের মডেল গাড়ি দিয়ে গাড়ি নির্দেশ করা হয়েছে। ডানে-বামে, সামনে-পেছনে বোর্ড দিয়ে বানানো রাস্তায় গাড়ি চলাচলের মডেল। ঘরের মেঝেতে বড় টেবিলের ওপর একটা বড় ম্যাপে রাখা আছে রাস্তার ছবি। এটা ঢাকা শহরের রাস্তা যানজটমুক্তকরণের মহাপরিকল্পনা। এই মডেলটির জন্যই তিনি প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন। এ বছরের ৮-১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের বিজ্ঞান ও শিল্প-প্রযুক্তি মেলা ২০১৫। ঢাকাকে যানজটমুক্তকরণের একটি বিজ্ঞানভিত্তিক ও কার্যকরী পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য স্বশিক্ষিত বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন ঢাকার জুরাইনের আসাদুর রহমান মোল্লা। উদ্ভাবনী ক্ষমতার স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননার সঙ্গে ৩০ হাজার টাকাও ছিল। আসাদুর রহমান মোল্লা কোনো বিজ্ঞানী নন; একজন সাধারণ মানুষ। ঘণ্টাখানেকের আলোচনায় এটা বোঝা গেল কত কষ্টসাধ্য একটি কাজ করেছেন তিনি। নিজেই জানান সে কথা_ ঢাকা শহরের রাস্তার প্রতিটি ইঞ্চি পথ তিনি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তার পরেই এই মডেল তৈরি করেছেন। তবে এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের আছে ভিন্ন একটি ইতিহাস। আসাদুর রহমান মোল্লা কাজ করেন বাংলাবাজারে। জুরাইন থেকে ইসলামপুর যেতে তার সময় লেগে যায় তিন থেকে চার ঘণ্টা। প্রতিদিন একই ঘটনা। বিরক্ত হয়ে ভাবলেন_ নাহ, এভাবে প্রতিদিন শুধু শুধু মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। এ থেকে মুক্তি পেতে হবে। জ্যামে রিকশায় বসে বসেই ভাবেন। একদিনের কথা_ দয়াগঞ্জের ট্রাফিক সিগন্যালে ট্রাফিক নিজেই ঘর্মক্লান্ত হয়ে হাঁপােেচ্ছন। রিকশা থেকে নেমে গিয়ে যানবাহনের জট খোলার সহজ রাস্তাটা বাতলে দিলেন ট্রাফিককে। ট্রাফিক পুলিশ আসাদকে পরামর্শ দিলেন এই বিষয়টা তাকে না বলে কর্তাব্যক্তিদের কাছে বলতে। কারণ আসাদ যে পদ্ধতিতে গাড়ি ঘুুরাতে ও রাস্তা যানজটমুুক্ত করার কথা বলেছেন সেই পদ্ধতি বেশ সহজ, কিন্তু সিটি করপোরেশনের নিয়মের বাইরে। প্রস্তাবনা তৈরি করতে হবে। অফিসিয়ালি জমা দিতে হবে কার্যকর করতে। শুরু করলেন সারা ঢাকার রাস্তা যানজটমুক্তকরণে মহাপরিকল্পনার কাজ। পুরনো ও অভিজ্ঞ ড্রাইভার জুলফিকার আলী তাদের পারিবারিক গাড়ির চালক। সেনাবাহিনীর ভারী গাড়ি চালাতেন। দেখেই বলে দিতে পারেন রাস্তার প্রশস্ততা কতটা আছে আর কতটা প্রয়োজন। কোন রাস্তায় কোন গাড়ি ঘুুরতে পারবে। জুলফিকার আলীকে নিয়ে ঘুরে বেড়ালেন সারা ঢাকা। ঢাকার প্রতিটি পাড়া-মহল্লা ঘুরে ঘুরে তৈরি করেলেন ঢাকা ট্রান্সপোর্ট মহাপরিকল্পনা। জুলফিকার আলী বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করলেন আসাদকে_ রাস্তার কোন বাঁকে ইউটার্ন নিতে গাড়ির কতটুকু জায়গার প্রয়োজন পড়বে; কোন রাস্তা কতটুকু প্রশস্ত আছে আরও কতটা হওয়া প্রয়োজন, সব দেখেশুনে সিদ্ধান্ত নিলেন। ঢাকা নগরের গাড়ির গতিপথ একমুখী করে যদি গাড়ি চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা যায়, বাধাহীনভাবে গাড়ি চলাচল নিশ্চিত করতে পারলে নগরে কোনো যানজট থাকবে না। আর মানুষের মূল্যবান কর্মঘণ্টাও বাঁচবে। তার পরিকল্পনা মতে ঢাকার প্রতিটি পথ হয়ে যাবে একমুখী। নগরের ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার মূল রাস্তায় কোনো রিকশা চলাচল করবে না। সব রাস্তায় গাড়ি একদিকে চলাচল করবে। মহল্লা ও সংযোগ সড়কগুলোতে সাব-ট্রান্সপোর্ট হিসেবে রিকশা ও ছোট ছোট যান চলাচল করবে। দূরপাল্লার যানবাহনের জন্য স্ট্যান্ডগুলো নগরের বাইরে নিয়ে যেতে হবে। নগর পরিবহনের গাড়িগুলো যেখানে খুশি থেমে যাত্রী ওঠানামা করে। এতে প্রায় সময়ই যানজট লেগে যায়। এই সমস্যা দূরীকরণে তিনি গাড়িতে যে সিঁড়ি আছে তা উঠিয়ে দেওয়ার পক্ষে। তার পরিকল্পনা মতে গাড়ির সিঁড়ি উঠিয়ে দিয়ে গাড়ির স্টেশনে গাড়ির মেঝে সমান উঁচু বেদি করে দিলে চাইলেও কেউ নিদিষ্ট স্টেশন ব্যতিরেকে যত্রতত্র নামতে-উঠতে পারবে না। নগরের কিছু কিছু জায়গায় গাড়ির চলাচল একমুখীকরণের জন্য ওভারহেড ইউটার্নের ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারণ রাস্তায় গাড়ি ইউটার্ন করাতে বিশেষ ডিজাইনের প্রয়োজন পড়বে। লক্ষণীয় বিষয় হলো, রাস্তায় আর কোনো ট্রাফিক পুলিশের প্রয়োজন পড়বে না। রাস্তার ডিজাইনমতো কেউ চাইলেই যে কোনো জায়গায় যানবাহন ঘুরাতে পারবে না। পরিকল্পিত প্রতিবন্ধকতার ফলে নির্ধারিত রাস্তায় গাড়ি চালাতে বাধ্য হবে মানুষ। অনেকের সঙ্গে কথা বললেন। পরামর্শ নিলেন অনেকের। ২০১২ সালে তার বানানো প্রস্তাবনা জমা দিলেন ডিএমপি, যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও তৎকালীন ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন বোর্ড ডিটিসিবি বর্তমান ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন অথিরিটি ডিটিসিএর কাছে। বুয়েটের কয়েকজন নগর পরিকল্পনাবিদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও নগর বিশেষজ্ঞ প্রফেসর নজরুল ইসলাম, ডিএমপির ট্রাফিক পুলিশের তৎকালীন জয়েন্ট সেক্রেটারি ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম একদিন ডেকে পাঠালেন আসাদুর রহমান মোল্লাকে। তার প্রবর্তিত পদ্ধতির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলাপ-আলোচনা করলেন। তার পরিকল্পনার প্রশংসা করলেন। তিনি জোর দিলেন এই পরিকল্পনার দুটি দিকের ওপর। প্রথমত, কোনো খরচ ছাড়া ও কম সময়ে বাস্তবায়নযোগ্য। মাহবুবুল আলম জানান, তিনি ডিএমপিতে থাকাকালীন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাবেন। কিন্তু হঠাৎ তিনি বদলি হয়ে চলে গেলেন ঢাকার বাইরে। আটকে গেল তার পরিকল্পনা। তবে তার পরিকল্পনা মতে এয়ারপোর্ট থেকে প্রধানমন্ত্রীর অফিস পর্যন্ত একমুখী গাড়ি চলাচলের ঘোষণা দিয়েছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী। পরে সেই ঘোষণাও কেন যেন আর আলোর মুখ দেখেনি। প্রথম থেকেই আসাদুর রহমান মোল্লার উদ্ভাবিত ও পরিকল্পিত যানজটমুক্ত নগর চিন্তার ভক্ত পরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. সালেহ উদ্দীন আহমেদ। সালেহ উদ্দীন আগে থেকেই এই প্রজেক্টটি সম্পর্কে জানেন। তিনি আসাদুর রহমান মোল্লার উদ্ভাবিত পরিকল্পনাটিকে বাস্তবসম্মত ও বৈজ্ঞানিক বলে অভিহিত করলেন। ঢাকা সিটি করপোরেশনের কাছে এই প্রজেক্ট চালু করার প্রস্তাব জমা দিলেন আসাদুর রহমান মোল্লা। প্রজেক্ট জমা দেওয়ার প্রয়োজনে নিজের গাঁটের টাকা খরচ করে তৈরি করলেন ইউলুপ ডিজাইনসহ রাস্তা ডিভাইডারের পূর্ণাঙ্গ নকশা। মেয়রের নির্দেশে ডিএনসিসির প্রকৌশলীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখলেন এবং ছোট ছোট ক্রুটি-বিচ্যুতি সমাধান করে সাতরাস্তা থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত এই পরিকল্পনা চালু করার সিদ্ধান্ত হলো। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। গত মাসের ১৮ তারিখে ঢাকার একটি হোটেলে সড়ক ও সেতুমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা দিলেন, রাজধানীর হাতিরঝিলের সাতরাস্তা থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কের ৬৯টি রোড ক্রসিং বন্ধ করে ২২টি ইউ-লুপ তৈরি করে একমুখী যান চলাচল চালু হলে ঢাকার রাস্তার ২৫-৩০ শতাংশ যানজট কমে যাবে। আসাদের বয়স এখন ৪৭ বছর। নটর ডেম কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে সিটি কলেজ থেকে বিএসসি করেছেন। এরপর একটি ঢেউটিন কোম্পানিতে কাজ করেছেন। কিছুদিন ছিলেন কনস্ট্রাকশন ব্যবসায়ী। এখন কাপড়ের ব্যবসা করেন। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনিই বড়। বাবা ছিলেন স্কুলের শিক্ষক। ১৯৯৬ সালে বাবা মারা গেলে আসাদ পরিবারের হাল ধরেন। বাবার রেখে যাওয়া জমিতে বাড়ি তুলে নিচতলার দুটি ঘর যানজট প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করেছেন। ঘরগুলোয় ঢাকার বিভিন্ন এলাকার মানচিত্র আর যানজট নিরসনের উপায় সংবলিত ত্রিমাত্রিক মডেল শোভা পাচ্ছে। মডেল তৈরি করতে একজন আর্কিটেক্ট বন্ধুর সাহায্য নিয়েছেন। নকশাগুলোর বড় বড় প্রিন্টও করিয়েছেন, নিজের পয়সায়। গোড়ায় ভাইবোন সবাই এটিকে পাগলামি হিসেবে দেখেছিল। কিন্তু সায়েন্স ল্যাবরেটরি মেলায় পুরস্কার পেয়ে শেষ পর্যন্ত সমীহ আদায় করেছেন সবার। রাজধানীকে যানজটমুক্ত করতে ক্রমাগত স্বপ্ন দেখেন আসাদুর রহমান। সেই স্বপ্নের পালে হাওয়া লেগেছে। শুরু হয়েছে আসাদের স্বপ্নের যানজটমুক্ত সড়কের কাজ। নগরবিদদের মতে, প্রকল্পটি শেষ হলে ঢাকার যানজট নিরসনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে। কোনও এক নতুন ভোরে রাজধানীবাসী হয়তো দেখবে যানজটমুক্ত এক নতুন ঢাকা। হ - See more at: http://bangla.samakal.net/2015/12/19/180682#sthash.V7LJ1dpa.dpuf

Tuesday, 15 December 2015

pay scale bd 2016

বিশেষ প্রতিনিধি অবশেষে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে অর্থমন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের আদেশ জারি করে তা কার্যকর করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ গেজেট প্রকাশের বিষয়টি সমকালকে নিশ্চিত করেছেন।
অর্থমন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটেও রাতে গেজটটি প্রকাশ করা হয়েছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে যে সংশয় ও সন্দেহের অবকাশ ছিলো গেজট প্রকাশের মধ্য দিয়ে তা দূর হলো। জানুয়ারিতেই নতুন পে-স্কেলে বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। পে স্কেল গত জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ায় পাওনা বকেয়া পাবেন তারা। দুই কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে বকেয়া। এখন শুধু বেতন বাড়বে। ভাতা বাড়বে আগামী বছরের জুলাই থেকে। অর্থমন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর সদস্য, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকে কর্মরত চাকরিজীবি এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নতুন পে-স্কেল অনুুযায়ী জানুয়ারিতে 'বর্ধিত বেতন' পাবেন। এমপিওভুক্ত শিক্ষকসহ বর্তমানে সরকারি কোষাগার থেকে মাসিক বেতন নেন- সারা দেশে এরকম জনবল ২১ লাখ। বিসিএস প্রকৃচি সমন্বয় পরিষদ বলেছে, নতুন পে স্কেলে বেতন বৈষম্য তৈরি করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে ১৯ ডিসেম্বর সমাবেশ ঘোষণা করেছে তারা। সচিবালয় সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি নিজামুল হক ভুইয়া বলেন, এ বৈষম্য থাকলে কর্মচারিদের মধ্যে হতাশা বাড়বে। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব ড.এ এস এম মাকসুদ কামাল সমকালকে বলেন, আমরা এখনও গেজট পাই নি। এতে কি আছে তা পর্যালোচনা করার পর মন্তব্য করা হবে। নতুন পে স্কেলে বহু আলোচিত টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড প্রথা বাতিল করা হয়েছে। এর পরিবর্তে বিকল্প সুবিধা দেওয়া হয়েছে। নতুন পে স্কেল অনুযায়ী, প্রত্যেকে চাকরি মেয়াদে ২ টি পদোন্নতি পাবেন। সন্তোষজনক চাকরি করার বিভিন্ন শর্ত পূরণ হলে ১০ বছর পর পরবর্তী গ্রেডে উন্নীত হবেন। সেই উন্নীত গ্রেডে ৬ বছর চাকরিরর পর 'স্বয়ক্রিয়ভাবে' পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের সুবিধা বহাল থাকবে। জানা গেছে, প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার আগ পর্যন্ত যে সব কর্মকর্তা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন, শুধুমাত্র তারাই আর্থিক সুবিধা পাবেন। প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর থেকে যারা যোগ্য হবেন তাদের এ সুবিধা দেওয়া হবে না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পাবেন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্য থেকে যারা জাতীয় অধ্যাপক হবেন, তাদের জন্য সিনিয়র সচিব পদমর্যদা সম্পন্ন নতুন একটি গ্রেড সৃষ্টি করা হয়েছে। পে স্কেলে স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর প্রথা বিলুপ্ত করা হয়েছে। এদিকে, চাকরিতে প্রথম অবস্থায় যোগদানের ক্ষেত্রে বিসিএস প্রথম শ্রেণীর ক্যাডার কর্মকর্তাদের আগের মতো অষ্টম গ্রেডে বহাল রাখা হলেও নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের এক ধাপ নিচে নামিয়ে দিয়ে নবম গ্রেডে রাখা হয়েছে। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থমন্ত্রীকে টেলিফোনে জানান, বিজয় দিবসের আগে আরেকটি শুভ সংবাদ দিতে চান সরকারি চাকরিজীবীদের। যে ভাবেই হউক গেজট প্রকাশ করতেই হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করতে অর্থমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। নির্দেশের পর মঙ্গলবার রাতেই গেজট প্রকাশ করা হয়। নতুন স্কেলে 'মূল বেতন' সবোর্চ্চ ৭৮ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২৫০ টাকা। সবোর্চ্চ গ্রেডে বর্তমানের চেয়ে ৯৫ শতাংশ ও সর্বনিম্ন গ্রেডে শতভাগের বেশি 'মূল বেতন' বাড়ানো হয়েছে। সচিব সহ এক নম্বর গ্রেডের কর্মকর্তাদের মুল বেতন ৭৮ হাজার টাকা। এর বাইরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধানরা মূল বেতন পাবেন যথাক্রমে ৮৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া সিনিয় সচিব ও লেফটেনেন্ট জেনারেলদের মহৃল বেতন ৮২ হাজার টাকা। নতুন স্কেলে ২০ টি গ্রেড রাখা হয়েছে। অষ্টম গ্রেডের বিসিএস প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তারা প্রবেশের সময় মূল বেতন পাবেন ২৩ হাজার টাকা। অপরদিকে, নবম গ্রেডে নন-ক্যাডার কর্মকর্তার মূল বেতন হবে ২২ হাজার টাকা। আগে এরা একই গ্রেডে মূল বেতন পেতেন। ১০ ও ১৬ বছরে স্বয়ংক্রিয় পদোন্নতি: টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড না থাকায় তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের উচ্চতর গ্রেডে পৌঁছানোর সুবিধা বাতিল হয়ে গেছে। এ অবস্থায় তাদের জন্য চাকরি শুরুর প্রথম ১০ বছরে কোনো পদোন্নতি না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চতর গ্রেডে উন্নীত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরে আরো ৬ বছর অথ্যাৎ ১৬ বছর চাকরি শেষে একইভাবে উচ্চতর গ্রেডে যেতে পারবেন তারা। চলতি অর্থবছরের ইনক্রিমেন্ট বাদ: নতুন স্কেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীর চলতি অর্থবছরের ইনক্রিমেন্ট পাবেন না। এত দিন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেদিন চাকরিতে যোগদান করতেন, প্রতিবছর ওই দিন থেকে তারা ইনক্রিমেন্ট পেতেন। নতুন নিয়মে এ বছর কোনো ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হবে না। তবে আগামী অর্থবছরের ১ জুলাই একটি করে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হবে। বাড়িভাড়া বাবদ মূল বেতনের ৭.৫ শতাংশ কেটে রাখা হবে না: সরকারি কিংবা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের মধ্যে যারা সরকারি বাসায় থাকেন, তাদের বাড়িভাড়ার পুরোটা এবং মূল বেতনের ৭.৫ শতাংশ অর্থ বাড়িভাড়া ও রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ কেটে নিতো সরকার। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, মূল বেতনের ৭.৫ শতাংশ কর্তন করা হবে না। ফলে সরকারি বাড়িতে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্থ সাশ্রয় হবে। পিআরএল সুবিধা বাড়ল : আগের বেতন কাঠামোতে পিআরএল সুবিধা এক বছর ছিলো। অর্থাৎ অবসরে যাওয়ার আগের এক বছর ছুটিতে থেকেও চাকরি থাকার মতোই সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা এক বছর ভোগ করতে পারতেন চাকরিজীবীরা। নতুন বেতন কাঠামোতে এটি বাড়িয়ে দেড় বছর বা ১৮ মাস করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে অবসরে যাওয়ার দেড় বছর আগে থেকে ছুটিতে থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন তারা। বাড়ল পেনশন সুবিধা: নতুন বেতন কাঠামোতে অবসরে যাওয়ার পর কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা তাদের সন্তানদের পাওয়া পেনশন সুবিধা বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ অবসরে যাওয়ার আগে তিনি যে গ্রেডে ছিলেন, ওই গ্রেডের মূল বেতনের ৯০ শতাংশ অর্থ প্রতি মাসে পেনশন হিসেবে পাবেন। আগে এটি ছিল মূল বেতনের ৮০ শতাংশ। - See more at: http://bangla.samakal.net/2015/12/15/180113#sthash.rh2qtA8Q.dpuf

Monday, 14 December 2015

government calander 2016,

সাধারণ ছুটি ২১ ফেব্রুয়ারি (৯ ফাল্গুন), রোববার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস। ১৭ মার্চ (৩ চৈত্র), বৃহস্পতিবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। ২৬ মার্চ (১২ চৈত্র), শনিবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১ মে (১৮ বৈশাখ), রোববার মে দিবস। ২১ মে (৭ জ্যৈষ্ঠ), শনিবার বুদ্ধপূর্ণিমা (বৈশাখী পূর্ণিমা)। ১ জুলাই (১৭ আষাঢ়), শুক্রবার জুমাতুল বিদা। *৬ জুলাই (২২ আষাঢ়), বুধবার ঈদুল ফিতর। ১৫ আগস্ট (৩১ শ্রাবণ), সোমবার জাতীয় শোক দিবস। *২৫ আগস্ট (১০ ভাদ্র), বৃহস্পতিবার জন্মাষ্টমী। * ১২ সেপ্টেম্বর (২৮ ভাদ্র), সোমবার ঈদুল আজহা। *১১ অক্টোবর (২৬ আশ্বিন), মঙ্গলবার দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী)। *১২ ডিসেম্বর (২৮ অগ্রহায়ণ), সোমবার ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। ১৬ ডিসেম্বর (১১ পৌষ), শুক্রবার বিজয় দিবস। ২৫ ডিসেম্বর (১১ পৌষ), রোববার যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন)। নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ) বাংলা নববর্ষ। ২৩ মে (৯ জ্যৈষ্ঠ) শবে বরাত। ৩ জুলাই (১৯ আষাঢ়) শবে কদর। ৫-৭ জুলাই (২১-২৩ আষাঢ়) ঈদুল ফিতর (ঈদের পূর্বের ও পরের দিন)। ১১-১৩ সেপ্টেম্বর (২৭-২৯ ভাদ্র) ঈদুল আজহার পূর্বের ও পদের দিন। ১২ অক্টোবর (২৭ আশ্বিন) পবিত্র আশুরা। ঐচ্ছিক ছুটি (মুসলিম পর্ব) ২২ জানুয়ারি (৯ পৌষ) ফাতেহা-ই-ইয়াজদাম। ৫ মে (২২ বৈশাখ) শবে মেরাজ। ২৩ মে (৯ জ্যৈষ্ঠ) শবে বরাত। ১ জুলাই (১৭ আষাঢ়) জুমাতুল বিদা। ৩ জুলাই (১৯ আষাঢ়) শবে ক্বদর। ৬ জুলাই (২২ আষাঢ়) ঈদুল ফিতর (ঈদের পরের ২য় দিন)। ১৩ সেপ্টেম্বর (২৯ ভাদ্র) ঈদুল আজহা (ঈদের পরের দ্বিতীয় দিন)। ৩০ নভেম্বর (১৬ অগ্রহায়ণ) আখেরি চাহার সোম্বা। ঐচ্ছিক ছুটি (হিন্দু পর্ব) ৪ ফেব্রুয়ারি (২২ মাঘ) শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা। ২৭ ফেব্রুয়ারি (১৫ ফাল্গুন) শ্রীশ্রী শিবরাত্রী। ১৬ মার্চ (২ চৈত্র) শ্রীশ্রী হরিঠাকুরের আবির্ভাব। ২৩ সেপ্টেম্বর (৮ আশ্বিন) শুভ মহালয়া। ৩ অক্টোবর (১৮ আশ্বিন) শ্রীশ্রী দুর্গাপূজা (মহানবমী)। ৭ অক্টোবর (২২ আশ্বিন) শ্রীশ্রী লক্ষ্মীপূজা। ২৩ অক্টোবর (৮ কার্তিক) শ্রী শ্রী শ্যামাপূজা। ঐচ্ছিক ছুটি (খ্রিস্টান পর্ব) ১ জানুয়ারি (১৮ পৌষ) ইংরেজি নববর্ষ। ৪ মার্চ (২১ ফাল্গুন) ভষ্ম বুধবার। ১৭ এপ্রিল (৪ বৈশাখ) পুণ্য বৃহস্পতিবার। ১৮ এপ্রিল (৫ বৈশাখ) পুণ্য শুক্রবার। ১৯ এপ্রিল (৬ বৈশাখ) পুণ্য শনিবার। ২০ এপ্রিল (৭ বৈশাখ) স্টার সানডে। ২৪, ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর (১০, ১১ ও ১২ পৌষ) যিশুখ্রিস্টের জন্মোৎসব (বড়দিনের আগের ও পরের দিন)। ঐচ্ছিক ছুটি (বৌদ্ধ পর্ব) ১৪ ফেব্রুয়ারি (২ ফাল্গুন) মাঘি পূর্ণিমা। ১৩ এপ্রিল (৩০ চৈত্র) চৈত্র সংক্রান্তি। ১১ জুলাই (২৭ আষাঢ়) আষাঢ়ি পূর্ণিমা। ৮ সেপ্টেম্বর (২৪ ভাদ্র) মধু পূর্ণিমা। ৮ অক্টোবর (২৩ আশ্বিন) প্রবারণা পূর্ণিমা আশ্বিনী পূর্ণিমা। টিকা যেকোনো সম্প্রদায়ের একজন কর্মচারীকে তার নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে মোট তিনদিনের মাত্রা পর্যন্ত ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে এবং এ ব্যাপারে প্রত্যেক কর্মচারীকে বছরের শুরুতে নিজ ধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত তিনদিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার ইচ্ছা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদন করে নিতে হবে। সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যোগ করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

black coffee

চিনিছাড়া ব্ল্যাক কফির ৭ টি চমৎকার স্বাস্থ্যগুণ! অনেকে ব্ল্যাক কফি পছন্দ করেন। কারও কারও আবার ধারণা ব্ল্যাক কফি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু এই ধারণাটি ভুল। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে অন্তত দু’বার চিনি ছাড়া কফি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপাকারী। সকালে ব্রেকফাস্টের পরে এক কাপ এবং সন্ধ্যাবেলায় এক কাপ কফি খাওয়া যেতে পারে। এক কাপ কফিতে ৬০% পুষ্টি, ২০% ভিটামিন এবং ১০% খনিজ ও ক্যালরি আছে। যা হৃদযন্ত্রসহ দেহের অন্যান্য অংশের উপকার করে থাকে। তবে তা অব্যশই চিনি ছাড়া হতে হবে। ১। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি ব্ল্যাক কফি মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে। যার ফলে মনে রাখার ক্ষমতা অনেকখানি বেড়ে যায়। এছাড়া এটি নার্ভকেও সচল রাখে। ২। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে কফির উপাদানসমূহ ব্লাড সুগার কমিয়ে দেয় এবং মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে থাকে। যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। নিয়মিত কফি পানে ৭% ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে। ৩। পেট পরিষ্কার করতে কফি খেলে ঘন ঘন প্রসাব হয়। চিনি ছাড়া কফি খেলে শরীরের ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ, ব্যাকটেরিয়া প্রসাবের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। যা পেট পরিষ্কার করে থাকে। ৪। ওজন হ্রাস করতে ব্ল্যাক কফি ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে থাকে। এটি মেটাবলিজম ৫০% বাড়িয়ে দেয় এবং এর সাথে পেটে জমে থাকা চর্বি গলাতে সাহায্য করে। ৫। ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে ব্ল্যাক কফি ২০% পুরুষের ক্যান্সার এবং ২৫% মেয়েদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে। যারা প্রতিদিন চার কাপ কফি পান করে তাদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। ৬। হার্ট সুস্থ রাখে ব্ল্যাক কফি দেহের ইনফ্লামেশন কমিয়ে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে থাকে। চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি হার্ট সুস্থ রাখে। ৭। হাসিখুশি রাখে এক কাপ ব্ল্যাক কফি সাথে সাথে আপনার মুড ভাল করে দেয়। ক্যাফিন নার্ভ সিস্টেমকে প্রভাবিত করে আপনার মনকে খুশি করে দেয়।

Thursday, 10 December 2015

তবুও মুসলিমদের ঘৃণা করি না

তবুও মুসলিমদের ঘৃণা করি না: ব্রিটিশ সৈন্য
ক্রিস হার্বাট ``হ্যা, একজন মুসলমানের পাতা বোমাতেই আমার পা উড়ে গিয়েছে।`` ক্রিস হার্বাট এভাবেই শুরু করেছেন ফেসবুকে তার পোস্ট। ইংল্যান্ডের বন্দর নগরী পোর্টস্‌মাউথের বাসিন্দা মি. হার্বাট ব্রিটিশ সেনাদলের সদস্য হয়ে যখন ইরাকের বন্দর নগরী বসরায় মোতায়েন ছিলেন তখন রাস্তার পাশে পেতে রাখা এক বোমায় গুরুতরভাবে আহত হন। এবং তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়। সুস্থ হওয়ার পর বিভিন্ন ইসলাম-বিরোধী সংগঠন দলে টানার জন্য তাকে নানাভবে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করে। কিন্তু তা কোন ফল হয়নি। নিজের ফেসবুক পাতায় লেখা ঐ পোস্টে ক্রিস হার্বাট লিখেছেন, যদিও তার আহত হওয়ার জন্য দায়ী একজন মুসলমান, তবুও এজন্য সব মুসলিমকে এ জন্য তিনি দোষ দেন না। কারণ? তিনি লিখছেন, ``আমার সাথে ব্রিটিশ বাহিনী উর্দি পরা একজন মুসলিম সহযোদ্ধাও সেদিন বোমা বিস্ফোরণে তার একটি হাত হারিয়েছেন, যে হেলিকপ্টারে করে আমাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল তার মেডিকেল কর্মকর্তা ছিলেন একজন মুসলিম, হাসপাতালে অপরেশন করে যে আমার জীবন রক্ষা করেছেন সে একজন মুসলমান ডাক্তার। দেশে ফেরার পর আমাকে স্বাভাবিক হতে সাহায্য করেছিলেন যারা তাদের মধ্যে একজন নার্স ছিলেন মুসলমান।`` ``আমি জানি কাকে আমার ঘৃণা করা উচিত, আর কাকে নয়,`` তিনি লিখছেন, ``দায়েস (জঙ্গী সংগঠন ইসলামিক স্টেট) কিংবা তালেবানের কর্মকান্ডের জন্য সব মুসলমানদের দায়ী করার অর্থ হলো (বর্ণবাদী সংগঠন) কেকেকে`র জন্য সব খ্রিস্টানদের দায়ী করা। তাই আপনার দৃষ্টিভঙ্গী আমার ওপর চাপিয়ে দেবেন না।`` এই পোস্টে একই সাথে মি. হার্বাট বর্ণনা করেন, কিছু কিছু শ্বেতাঙ্গের কাছ থেকে কিভাবে তিনি নিজেও নানা ধরনের গালাগালির শিকার হয়েছেন।

3 new rules in gulf

January 1, 2016 More transparency: 3 new rules cover application of ministry-approved contracts, conditions for terminating employees and labour permits to work for new employers Derek Baldwin, Chief Reporter September 28, 2015 Image Credit: GN file Dubai: Sweeping new rules by the Ministry of Labour will forge a stronger relationship between employers and workers and enhance the labour market across the country by ensuring transparency and encouraging more flexible labour mobility for workers.
The new rules were unveiled on Monday by Minister of Labour, Saqr Ghobash to build upon the latest decisions to the labour policy initiative in 2011 regarding labour mobility. Ministerial Decrees 764, 765 and 766 pave the way for improved labour relations by securing more stable practices governed by regulations that protect workers who are legally sponsored to enter the UAE, the ministry said. “The new rules will also bring greater transparency, clarity and tighter monitoring of labour contract conditions and ensure both employer and employee enter into fully voluntary relationships,” a statement said. The decrees will see the creation of a new unified, standard labour contract. Related Stories New labour rules support employees Qualitative leap in improving labour conditions; new rules to ensure healthy labour market New UAE Ministry of Labour decree on termination of employment relations Standard work contract Ministerial Decree 764 of 2015 on ministry-approved standard employment contracts states that a worker must be presented with an employment offer that conforms with the unified contract and then must be signed by the worker. All contract renewals in force beforehand must use the new unified contract which, in addition to the employment offer, the terms of which cannot be altered or substituted unless approved by the ministry. No clauses can be added to any contract unless compliant with and approved by the labour ministry. Terminating work contract Within Ministerial Decree 765 of 2015 on terminating employment, a series of articles outline conditions when a contract can be terminated for term and non-term contracts. Under term contracts of no more than two years, an employee contract is terminated if the term of the contract expires, if an employer and employee mutually agree to end the contract, if either party acts unilaterally to terminate the contract or renewal, but complies with legal consequences of early termination including notification in writing at least one month in advance and no longer than three months. A contract can also be terminated if a worker commits violations prohibited under Article 120 of the Federal Labour Law. Non-term contracts can be terminated if both parties consent to termination, one party gives notice of termination at least one month in advance and not exceeding three months or if one party unilaterally acts to terminate but bears consequences of early termination. The non-term contract can also be terminated if an employee violates labour law rules under Article 120. Granting a new work permit Under Article 1 of Ministerial Decree 766 of 2015, rules and conditions for granting a permit to a worker for employment by a new employer must meet a set of new rules, the ministry said. For both term and non-term contracts, a new permit may be granted upon termination of the workers employment when the term of the contract has expired. A new permit can be granted when both worker and employer mutually consent to terminating the contract during the term provided that the worker has completed at least six months employment or if workers qualify for a skill set series classified by the ministry. The decree also notes that a new permit can be issued for a worker whose employer terminated him or her without reason provided the worker has completed six months. The six-month rule is waived if the worker has skill levels classified by the ministry as 1, 2, and 3 meaning those who hold a university degree, post secondary diploma or high school diploma, respectively. Term contracts can be terminated with notice periods of between one and three months, of the terminating party continues to honour contractual obligations for the term duration or if the terminating party indemnifies the other party in the amount not exceeding the equivalent of three month’s gross wages. Meanwhile, a worker may be granted a work permit for all term and non-term contracts if it is determined that the employer has failed to meet legal and contractual obligations, including but not limited to when the employer fails to pay the worker’s wages for more than 60 days. A worker may also be granted a permit if the labour ministry confirms that the employing company has not provided work due to the firm being inactive for more than two months and, if the worker reports to the ministry during the company shutdown. Work permits may also be issued in cases in which a labour complaint is referred by the ministry to the labour court and final ruling in favour of the worker who is terminated early or is owed outstanding wages less than two months of dues for end of service. Three decrees' objectives: The primary purpose of the decrees is to delink sponsorship and labour relations: the former serves to secure legal entry and temporary residence in the UAE, while the latter is governed by an employment contract the terms of which are compliant with national labour legislation and regulation. This purpose is achieved by: Ensuring the transparency of the contracting process in the country of origin; Ensuring non-substitution of the contract terms post arrival in the UAE; Defining due processes for terminating labour relations; Spelling out the rules and conditions for granting a worker whose labour relation has ended a new work permit. Highlights of Ministerial Decree (764 ) of 2015 on Ministry of Labour-Approved Standard Employment Contracts Standard employment offer/contract: terms, rights and obligations; Informed consent; Non-substitutionof labour contract; Filing the offer for eventual capture as a legal contract; Termination clause; Commitments by the employer. Highlights of Ministerial decree (765) of 2015 on Rules and Conditions for the Termination of Employment Relations Any employment relation may be terminated, by either party, subject to a due process. One party or the other cannot be made to involuntarily continue the relation. A relation is terminated: By mutual consent, at any time By one party or the other, subject to certain considerations of notice and/or identification A relation is considered to be terminated if: - If employer does not meet its contractual obligation to worker; - If employer ceases to empower worker to perform his/her employment duties without; complying with due process; - If a worker absconds, without complying with due termination process. While a relation cannot be sustained except by mutual consent, the way it is terminated has a direct bearing on the status of the worker after termination (the granting or declining of a new work permit) Highlights of Ministerial Decree (766) of 2015 on Rules and Conditions for granting a permit to a worker for employment by a new employer Sets the conditions for granting a new work permit to a worker whose labour relation with an employer has ended as a function of the manner the relation was terminated Notably ascertains that the power to determine the status of the worker whose employment has ended is a public authority

করেন দারুণ মজার এই পানীয়টি।

শীত মানেই সর্দি, কাশি, জ্বর সহ নানান রকমের শীতকালীন অসুখ। একটুতেই অসুস্থ হয়ে পরা আর অনেকদিন অসুস্থ থাকা। শুধু তাই নয়, শীত এলেই চেহারা ও চুল হয়ে ওঠে নিষ্প্রাণ। আর দীর্ঘসময় অসুখে ভুগতে ভুগতে মেজাজটাও হয়ে পড়ে খিটখিটে। এই সমস্ত কিছুই কিন্তু দূর হতে পারে, যদি আপনি রোজ রাতে পান করেন দারুণ মজার এই পানীয়টি। ভাবছেন, কী এমন পানীয়? এই অসাধারণ পানীয়তে আছে প্রকৃতির এমন কিছু অনন্য উপাদান, যা আপনাকে রাখবে রোগ বালাই থেকে দূরে। সহজে অসুখ হবে না, অসুখ হলেও দ্রুত সেরে যাবে, চেহারা থাকবে ফর্সা ও উজ্জ্বল। একই সাথে ভালো থাকবে মনটাও, স্ট্রেস মুক্ত ভাবে দারুণ একটা ঘুম হবে রাতে। চলুন, জেনে নিই ঝটপট রেসিপি। যা লাগবে গরুর দুধ এক গ্লাস কাঁচা হলুদ ১ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি গুঁড়ো ১/২ চা চামচ মধু ১ টেবিল চামচ যেভাবে করবেন -কাঁচা হলুদ ছিলে টুকরো করে দুধের মাঝে দিয়ে দুধকে ফুটতে দিন। -হলুদ থেকে দুধের মাঝে রঙ ছড়িয়ে গেলে ৫ থেকে ৭ মিনিট ফুটান। তারপর ছেঁকে গ্লাসে নিন। কাঁচ বা সিরামিকের গ্লাস/মগে নেবেন। ধাতব কিছুতে না। -এরপর এই মিশ্রণে মেশান মধু ও দারুচিনি গুঁড়ো। -কুসুম কুসুম গরম থাকতেই পান করুন। ঠাণ্ডা করে পান করবেন না। মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ বিসুখ থেকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়াও প্রতিদিন ঘুমের আগে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়। মধুর সাথে দারচিনির গুঁড়ো রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। এছাড়াও দারুচিনির আছে জাদুকরী ক্ষমতা আপনার মন ভালো করে দেয়ার। হলুদ আপনার রক্তকে শুদ্ধ করে ও গায়ের রঙ উজ্জ্বল করে তোলে। নিয়মিত এই পানীয় পানে হয়ে উঠবেন ফর্সা।

প্রতিদিন ১টি কাঁচা মরিচের ১৩টি স্বাস্থ্য উপকারিতা!

প্রতিদিন ১টি কাঁচা মরিচের ১৩টি স্বাস্থ্য উপকারিতা! প্রতিদিন যাদের ভাতের সাথে একটি কাঁচা মরিচ না খেলে চলেই না তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে কাঁচা মরিচ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচা মরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খাওয়া হয়। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। ঝাল স্বাদের সব্জিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দেখে নিন কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো। কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা: গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে।প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়।কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে।প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ খুবই উপকারী।কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।

Wednesday, 9 December 2015

আইপিএলে নতুন দল রাজকোট ও পুনেস্পোর্টস ডেস্কনবম আইপিএলে নতুন দল হিসেবে আসছে

আইপিএলে নতুন দল রাজকোট ও পুনেস্পোর্টস ডেস্কনবম আইপিএলে নতুন দল হিসেবে আসছে রাজকোট ও পুনে। ফিক্সিংয়ের দায়ে বাদ পড়া চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালসের জায়গায় খেলবে দল দুটি।গতকাল দিলি্লতে আয়োজিত ফ্র্যাঞ্চাইজি নিলাম থেকে পুনের দলটি কিনে নেয় কলকাতাভিত্তিক বিজনেস টাইকুন সঞ্জিব গোয়েঙ্কার কোম্পানি নিউ রাইজিং। মহারাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত পুনের দলটির জন্য প্রতিষ্ঠানটি বিসিসিআইকে দেবে বছরপ্রতি ১৬ কোটি রুপি। সঞ্জিব গোয়েঙ্কার প্রতিষ্ঠান কলকাতা গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড ইন্ডিয়ান সুপার লীগে (আইএসএল) অ্যাথলেটিকোডি কলকাতা ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানায়ও আছে। এদিকে গুজরাটের রাজকোট শহরের নামে ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনেছে ইনটেক্স মোবাইলস। এজন্য তাদের বছরপ্রতি গুনতে হবে ১০ কোটি রুপি।ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত লোদা কমিটির রিপোর্টেরভিত্তিতে ২০১৩-তে আইপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় চেন্নাই ও রাজস্থানকে। বাদ পড়া দুই দলেরশীর্ষ খেলোয়াড়দের পুনে ও রাজকোটে ভাগ করে দেওয়া হবে ১৫ ডিসেম্বরের নিলামে। সেদিনই নির্ধারিত হবে মহেন্দ্র সিং ধোনিরনতুন আইপিএল দল। নতুন দল নিয়ে আইপিএলের নবম আসর শুরু হবে ৯ এপ্রিল থেকে, চলবে ২৬ মে পর্যন্ত।

Tuesday, 8 December 2015

আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছেন?

আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছেন? জাকির নায়েকের অবাকলাগানো উত্তর! পিসটিভির প্রশ্নোত্তর পর্বে ড. জাকির নায়েককে জিজ্ঞাসা করা হয়, আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছেন, যার কোনো শেষ নেই শুরুও নেই। উত্তরে ড. জাকির নায়েক বলেন, সাধারণত এ প্রশ্নের উত্তরটি আমি আরেকটি প্রশ্নের মাধ্যমে দিই। এভাবে যে, আমি বললাম, আমার বন্ধু জন সন্তানজন্ম দেওয়ার জন্য হসপিটালে ভর্তি হয়েছেন। সে হাসপাতালে একটি সন্তান জন্ম দিয়েছে। আপনি বলতে পারবেন সন্তানটি ছেলে না মেয়ে?ডা. জাকির নায়েক কয়েকবার প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করার পরও কেউ উত্তর দেয়নি। তখন তিনি বলেন, এখানে ঘটনা হলো, জন একজন পুরুষ সে কিভাবে সন্তান জন্ম দেবে। যেহেতু সে পুরুষ তাই সে সন্তান জন্ম দিতে পারবেনা। তাই এ প্রশ্ন করাও বোকামি যে তার বাচ্চাটি ছেলে না মেয়ে। এ প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করাই উচিত নয়।তবে কেউ যদি প্রশ্ন করে আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছেন তাহলে আমরা বলব, আল্লাহ তায়ালার সংজ্ঞা হচ্ছে, তাকে কেউ সৃষ্টি করেননি। তিনি কারও সন্তান নন, তাকে কেউ জন্ম দেয়নি। যদি কোনো ইশ্বর সৃষ্টি হয়ে থাকেন তাহলে তিনি প্রকৃত ইশ্বর নন। এ জন্য আমরা বলে থাকি, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। তিনি ছাড়া কোনো আল্লাহ নেই। তিনিই এক ও অদ্বিতীয়। তিনি সৃষ্টি হননি তাকে কেউ সৃষ্টিও করেনি। তার শুরুও নেই, শেষও নেই। তিনিই সকল কিছু সৃষ্টি করেছেন। সবকিছু তার ওপর নির্ভর করে। তিনি কারও ওপর নির্ভর করেন না। বিস্তারিত জানার জন্য ড. জাকির নায়েক তার ‘ইজ দ্যা কোরান গড ওয়ার্ড’ বইটি পড়ার জন্য অনুরোধ করেন।

pay schle

ফাইল রাষ্ট্রপতির কাছে, যেকোনো সময় গেজেট প্রকাশনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমসঢাকা:জাতীয় বেতনকাঠামোর (পে-স্কেল) ফাইল অনুমোদনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে গেছে। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। যেকোনো সময় এই গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে।রবিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূ্ত্র ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।এর আগে গেজেট প্রকাশের আগে ভেটিংয়ের জন্য সম্প্রতি এটি আইনমন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। আইনমন্ত্রণালয় তা পরীক্ষা নীরিক্ষা শেষে এটি আবার অর্থমন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠায়। অর্থমন্ত্রণালয় থেকে তা যায় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে।এ মাসে গেজেট প্রকাশ হলে আগামী মাসেই নতুন বেতন কাঠামোতে 'বর্ধিত বেতন' পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে যখনই এটা চালু হোক না কেন কার্যকর হবে গত জুলাই থেকেই।গত বছরের ডিসেম্বরে পে কমিশনের মূল প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পর ৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই দিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতনকাঠামো কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে তা বাস্তবায়ন করতে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। এতে দেড় থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে। মন্ত্রিসভার সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হচ্ছে।নতুন বেতন কাঠামোতে মাসিক 'মূল বেতন' সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখন শুধু 'মূল বেতন' বাড়বে। ভাতা বাড়বে আগামী বছরের জুলাই থেকে।জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীরা এখন মূল বেতনের সঙ্গে চিকিৎসা ভাতা পান ৭০০ টাকা। এই ভাতা বাড়িয়ে ১৫০০ টাকা করা হয়েছে। যাতায়াত ভাতা ১৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে দ্ধিগুণ করা হয়েছে। শিক্ষা ভাতা ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে কোনো সরকারি চাকরিজীবী পিআরএলে (অবসর-পূর্ব ছুটি) গেলে এক সঙ্গে ১২ মাসের সমপরিমাণ মূল বেতন পান। নতুন স্কেলে ১৮ মাসের সমপরিমাণ 'মূল বেতন' পাবেন। খসড়া প্রজ্ঞাপনে এসব বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া নববর্ষে বৈশাখী ভাতার কথা উল্লেখ থাকছে প্রজ্ঞাপনে।