Tuesday, 16 February 2016

kashe removed

কাশি সমস্যায় আমরা কম-বেশি সব সময়ই ভুগে থাকি। শীত শেষে আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নানান রোগও বেড়ে চলেছে। এই সময়ে অধিকাংশ মানুষই খুসখুসে কাশির যন্ত্রণায় ভোগেন।
আবহাওয়ার পরিবর্তন, অ্যালার্জি, ঠান্ডাজনিত ইনফেকশন, অ্যাজমা ইত্যাদি কারণে এই কাশি হয়ে থাকে। কিছু ঘরোয়া উপায়ে এই কাশি থেকে আপনি রক্ষা পেতে পারেন। ১। লবণ পানি এক কাপ পানি এক চিমটি লবণ দিয়ে গরম করে নিন। এবার এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। লবণ গলা ভিতর থেকে তরল কফ, পদার্থ বের করে দিয়ে থাকে। Mayo clinic book এর মতে কুলকুচি গলার ভিতরের অস্বস্তিকর অনুভূতি দূর করে দিয়ে থাকে। এটি আপনার শুষ্ক কাশি কমিয়ে দিয়ে কিছুটা আরাম দেবে। ২। মধু শুষ্ক কাশি প্রতিকারে মধু বেশ কার্যকর। এক টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু প্রতিদিন ১ থেকে ৩ বার গ্রহণ করুন। বিশেষ করে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক টেবিল চামচ মধু খেয়ে নিন। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১ চা চামচ থেকে ১ টেবিল চামচ হতে পারে। মধুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান কাশি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৩। আদা চা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক কাপ আদা চা খেয়ে নিতে পারেন। আদার অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান গলার ভিতরে অস্বস্তিকর অনুভূতি দূর করে থাকে। এক কাপ পানিতে আদা কুচি দিয়ে জ্বাল দিন। এটি দিনে তিন থেকে চার বার পান করুন। দেখবেন শুষ্ক কাশি অনেক কমে গেছে। আদা চায়ের পরিবর্তে এটি পান করতে পারেন। ৪। হলুদ এক চামচ মধুর সাথে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিন থেকে চারবার গ্রহন করুন। এক টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো চার কাপ পানিতে জ্বাল দিন। কয়েক মিনিট পর এতে লেবুর রস এবং মধু দিয়ে পান করুন। এছাড়া এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এটিঅ আপনার কাশি কমাতে সাহায্য করবে। ৫। রসুন পাঁচটি রসুনের কোয়া কুচি করে এক চা চামচ ঘিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। কুসুম গরম থাকা অবস্থায় এটি খেয়ে ফেলুন। রসুনের অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং এক্সপেকটোরেন্ট উপাদান কাশি উপশম করে থাকে। University of Maryland Medical Center cites এর মতে রসুন অব্যশই কাশি উপশম করে থাকে। এছাড়া যষ্টি মধু, গোলমরিচ এবং মধুর মিশ্রণ শুষ্ক কাশি প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে। আপনি যদি অ্যালার্জি সমস্যা থেকে থাকে তবে এই সময় কিছুটা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

No comments:

Post a Comment