Friday, 18 March 2016

অমিতাভ রাষ্ট্রপতি হলে সেটা হবে গর্বের'

প্রণব মুখার্জী উত্তরসূরী হিসেবে অমিতাভ বচ্চনকে কি দেখবে ভারত? শুনতে অবাক লাগলেও এমনই প্রস্তাব দিয়েছেন অমিতাভের এক সময়ের সহকর্মী আর এখন বিজেপির সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের শত্রুঘ্ন বলেন, 'যদি অমিতাভ দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হন, তা হলে সেটা আমাদের গর্বের বিষয় হবে। সমাজ এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনেক মাইলস্টোন উনি ইতিমধ্যেই পেরিয়ে এসেছেন। তাই অমিতাভের নাম পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনায় আসতেই পারে।' তার আগে অবশ্য বিজেপির এই লোকসভা সদস্যকেই পরবর্তী প্রেসিডেন্টের আসনে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন স্বয়ং বিগ বি। তারই উত্তরে সৌজন্য রক্ষার্থে শত্রুঘ্ন সিনহা কি এ কথা বলেছেন? 'শান', 'কালোপাথর', 'দোস্তানা'-র মতো অনেক সুপারহিট ছবিতে দুই জনে এক সঙ্গে চুটিয়ে অভিনয় করেছেন। এর পর দুইজনের রাস্তা আলাদা হয়ে গেলেও অমিতাভ বচ্চন এবং শত্রুঘ্ন সিনহার একে অপরের প্রতি বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা থেকেই গিয়েছে। কয়েক দিন আগেই মুম্বাইতে শত্রুঘ্ন সিংহের জীবনী প্রকাশ করেছিলেন বিগ বি। সব মিলিয়ে সৌজন্যের আবহে কি সত্যিই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে অমিতাভের নাম ভাবা হবে? সূত্র: এনডিটিভি - See more at: http://bangla.samakal.net/2016/03/18/200327#sthash.tmtSDPqW.dpuf

Thursday, 17 March 2016

বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করবে বাংলাদেশ : অমিতাভ বচ্চন

বাংলাদেশের তরুণ ব্রিগেডকে তিনি যতই দেখছেন, ততই নাকি মুগ্ধ হচ্ছেন। বিশ্বের যে প্রান্তেই মাশরফিরা খেলুন না কেন, সেই ম্যাচ তিনি দেখবেনই। ভবিষ্যদ্বাণী করলেন, কয়েক বছরের মধ্যেই বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করবে বাংলাদেশ। সাকিব-মাশরফিদের এই নতুন ফ্যান আর কেউ নন, স্বয়ং বিগ বি। বাংলাদেশের সংবাদপত্র প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে অমিতাভ বলেন, “যে প্যাশান নিয়ে মুস্তাফিজুর, সাকিবরা বাইশ গজে নামছেন, তাতে মোহিত হয়ে যেতে হয়। এই ভাবে খেললে সে দিন আর বেশি দেরি নেই, যে দিন বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করবে বাংলাদেশ।” আইপিএলের দৌলতে সাকিবের খেলা দেখেছেন আগেই। “অসাধারণ খেলে এই ছেলেটা। এত বছর ধরে দেশের সেরা পারফর্মার। দলের প্রয়োজনে বল, ব্যাট সব কিছু দিয়েই পারফর্ম করতে তৈরি।”— বললেন বিগ বি। সিনিয়র বচ্চন উচ্ছ্বসিত মুস্তাফিজুরকে নিয়েও। “কী অসাধারণ বল করে ছেলেটা। আর কী প্যাশান ওর চোখেমুখে। ভবিষ্যতের তারকা হওয়ার যাবতীয় রসদ রয়েছে ওর মধ্যে।”— মত অমিতাভের। এ দিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে বাংলাদেশকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন অমিতাভ। কাজের ফাঁকে খেলা দেখবেন বলেও জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই নতুন ফ্যান। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/sport/2016/03/17/336853#sthash.FRQkcs6d.dpuf

dangerous rode

বিশ্বের সবচেয়ে বিপদসঙ্কুল রাস্তাগুলির একঝলক প্রকাশের সময়: Thu, Mar 17th, 2016 | ভিন্ন খবর / স্পট লাইট 2112 1 Karakoram-Highway-Pakistan ভিন্ন খবর ডেস্ক: পথে সঠিকভাবে চলতে গেলে, বিশেষ করে যদি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে যেতে হয়, তাহলে সিট বেল্ট বেঁধে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে, কম গতিতে গাড়ি চালালেই আর কোনও সমস্যা হওয়ার নয়। এপর্যন্ত সব ঠিকই রয়েছে। তবে পাহাড়ি রাস্তায় চলতে গেলে এসবের সঙ্গে অত্যন্ত বেশি করে মনোসংযোগ করা প্রয়োজন। তাহলেই অনায়াসে পাহাড়ের রাস্তায় আপনিই গাড়ি চালিয়ে দিব্যি মজা পাবেন। লে-লাদাখের দিকটাতে অনেকেই বাইক বা গাড়ি নিয়ে চালিয়ে এসেছেন। এমনকী উত্তরবঙ্গের রাস্তায়ও গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। তবে বিশ্বের কয়েকটি জায়গায় এমন কয়েকটি রাস্তা রয়েছে, সেখানে পাকা ড্রাইভাররাও গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে নেওয়ার আগে হাজারবার ভাবতে বাধ্য হবেন। আসুন দেখে নিন বিশ্বের এমন কিছু ভয়াবহ রাস্তার ছবি ও সঙ্গে কিছু তথ্য যা দেখলে হাড় হিম হওয়ার জোগাড় হবে।
ট্রান্স সাইবেরিয়ান হাইওয়ে, রাশিয়া সাত হাজার মাইল লম্বা এই রাস্তাটি মস্কো থেকে শুরু হয়ে ইয়াকুটস্কে গিয়ে শেষ হয়েছে। বর্ষার সময়ে কাদার পিচ্ছল এই রাস্তা রাশিয়ার মানুষের কাছে মুর্তিমান বিভীষিকা। ট্রান্সফাগারসন, রোমানিয়া ৫৬ মাইল দীর্ঘ এই রাস্তাটিতেও পদে পদে রয়েছে বিপদসঙ্কুল হেয়ারপিন বাঁক। জোজি লা পাস, ভারত পাহাড় কেটে তৈরি এই রাস্তাটির পদে পদে রয়েছে ভয়ঙ্কর বিপদ। ভারতের অন্যতম বিপদসহ্কুল রাস্তা এটি। তীব্র হাওয়া ও তুষারপাত এই এলাকায় গাড়ি চালানো অসম্ভব করে তোলে। তোরোকো জর্জ, তাইওয়ান পাহাড়ের গা ঘেঁষে যাওয়া এই রাস্তাটি বড় পাথরে কেটে তৈরি হয়েছে। কিছুটা পর পরই অন্ধ বাঁক রয়েছে এই রাস্তায়। বছরে অন্তত চারবার সাইক্লোন হয় এই এলাকায়। একইসঙ্গে ধস নেমে বিপদ নেমে আসে রাস্তায়। স্তেলভিও পাস, ইতালি এই হাইওয়েটি আল্পস পর্বতের মধ্য দিয়ে গিয়ে ইতালির লোম্বার্দি এলাকাকে অস্ট্রিয়ার সঙ্গে জুড়েছে। নৈগর্সিক সৌন্দর্য অসাধারণ হলেও এই রাস্তায় ৪৮ টি হেয়ারপিন বাঁক রয়েছে যা একে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। স্কিপার্স ক্যানিয়ন, নিউ জিল্যান্ড কিউয়ি গাড়ি বিক্রেতারা স্কিপার্স ক্যানিয়নে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ির ইনস্যুরেন্স কভার করে না। এতটাই ভয়ঙ্কর এই ১৩ মাইল রাস্তা। সিচুয়ান-তিব্বত হাইওয়ে, চিন ও তিব্বত অসাধারণ সুন্দর এই রাস্তাটি চিনের সাংহাইয়ে শুরু হয়ে ৩৪০০ মাইল গিয়ে শেষ হয়েছে তিব্বতে। এই রাস্তার পদে পদে রয়েছে হেয়ারপিন বাঁক যা এটিকে ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। নর্থ ইয়ুঙ্গাস রোড, বলিভিয়া বলিভিয়ার ৪০ মাইল দীর্ঘ এই রাস্তাটি ‘ডেথ রোড’ নামে খ্যাত। ঘন কুয়াশায় ঢাকা এই রাস্তায় গাড়ি চালানো মানে বিপদ ডেকে আনা। কাবুল, আফগানিস্তান তালিবান অধ্যুষিত এই এলাকার আরও বড় বিপদ হল এই রাস্তা। কাবুল থেকে জালালাবাদ পর্যন্ত বিস্তৃত এই রাস্তা পদে পদে বিপদ ডেকে আনে। ফেয়ারি মিডোস রোড, পাকিস্তান এমন নাম অথচ অত্যন্ত বিপদসঙ্কুল এই রাস্তাটি পৃথিবীর অন্যতম বিপদময় রাস্তা। এসপিনাসো দেল দিয়াবলো, মেক্সিকো ‘ডেভিলস ব্যাকবোন’ নামে খ্যাত ৬ মাইল লম্বা এই রাস্তার পদে পদে রয়েছে হেয়ারপিন বাঁক। তবে চারিপাশের শোভা এখানে অসাধারণ। ক্যানিং স্টক, অস্ট্রেলিয়া শুকনো মরুপ্রায় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত ১১৫০ মাইল এই রাস্তাটির পদে পদে রয়েছে বিপদ ও সৌন্দর্য। বিআর ১১৬, ব্রাজিল ব্রাজিলের দ্বিতীয় দীর্ঘতম হাইওয়ে এটি। ২৭২৫ মাইল দীর্ঘ এই রাস্তাটি ব্রাজিলে ‘দ্য হাইওয়ে অব ডেথ’ নামে খ্যাত। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে এই রাস্তাতেই। অ্যানি রোড, এরিট্রিয়া এরিট্রিয়াতে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ পথ দুর্ঘটনায় মারা যান এই রাস্তায়। তবে ধীরে ধীরে পথদুর্ঘটনার সংখ্যা এখানে কমার পথে। - See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/367544#sthash.uhV7HFVc.dpuf

Wednesday, 16 March 2016

অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া বন্ধের দারুন কার্যকরী ৩ টি উপায় জেনে নিন -

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ শীতকাল ঝেড়ে ফেলে প্রকৃতি সেজে উঠেছে বসন্তের সাজে। এখনই শুরু হয়ে গিয়েছে গরমকাল। গরম হাওয়া নিয়ে এসেছে শুষ্কতা এবং সেই সাথে গরমকালের কিছু বিরক্তিকর সমস্যা। গরমকালের বিরক্তিকর সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ঘেমে যাওয়া। অনেকেই অতিরিক্ত ঘেমে যান গরমকালে। ঘাম হওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া বন্ধ করতে সতর্ক থাকা উচিত। আজ জেনে নিন অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া বন্ধ করতে দারুণ কার্যকরী ঘরোয়া কিছু উপায়। ১) ভিনেগার ও তেল ১২০ মিলি লিটার লাল ভিনেগার ও ৩০ ফোঁটা তিলের তেল/অলিভ অয়েল/পিপারমিন্ট অয়েল একসাথে ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে মুখ শক্ত করে লাগিয়ে রাখুন। ১ সপ্তাহ বোতলটি না খুলে ঠাণ্ডা, শুষ্ক ও অন্ধকার স্থানে রেখে দিন যাতে মিশ্রণটি একসাথে মিশে যায়। এরপর ১ সপ্তাহ পর প্রতিবার গোসল করার সময় গোসলের পানিতে ৩ টেবিল চামচ এই মিশ্রণটি মিশিয়ে নিন। এতে করে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন। ২) আপেল সিডার ভিনেগার ও বেকিং সোডা ২ টেবিল চামচ আপেল সিডার ভিনেগার নিয়ে এতে ১/৮ চা চামচ বেকিং সোডা ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি দিনে ১ বার করে পান করুন, যদি ঘেমে যাওয়ার সমস্যা অতিরিক্ত হয় তাহলে সর্বচ্চো দিনে ৩ বার পান করতে পারবেন। কিন্তু চাইতে বেশি পান করবেন না। এতে করেও ফল পাবেন ভালো। ৩) বাথসল্ট আধা কাপ বোরাক্স, ১ কাপ সি সল্ট, ১ কাপ বেকিং সোডা এবং ১ কাপ তিলের তেল/অলিভ অয়েল/পিপারমিন্ট অয়েল একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। প্রতিবার গোসলের সময় ২ বালতি পানিতে মিশ্রণটির ১/৪ কাপ পরিমাণে মিশিয়ে নিন এবং তা দিয়ে গোসল করে নিন। এছাড়াও যদি পারেন তাহলে বাথটাবে গরম পানি দিয়ে এই মিশ্রণটি মিশিয়ে ২০ মিনিট গা ডুবিয়ে থাকুন। এতেও ভালো ফল পাবেন। - See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/367159#sthash.pQqrfSc6.dpuf

Tuesday, 15 March 2016

আমেরিকা কোনো সন্ত্রাসী হামলাই ঠেকাতে পারেনি: স্নোডেন

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা বা এনএসএ’র সাবেক কর্মকর্তা এডওয়ার্ড স্নোডেন বলেছেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তৎপরতার কোনো কার্যকারিতা নেই এবং তারা কোনো সন্ত্রাসী হামলাই ঠেকাতে পারেনি। স্প্যানিশ টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন রাশিয়ায় আশ্রয়গ্রহণকারী স্নোডেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানোর অজুহাতে আমেরিকায় আঁড়িপাতা এবং নজরদারির ব্যাপক কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ, অর্থনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তি এবং সামাজিক নিয়ন্ত্রণের কাজে এসব কর্মসূচি চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি। স্নোডেন বলেন, সন্ত্রাসবাদের ওপর নজর রাখতেই হবে -এ নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। কিন্তু ২০১৩ সালে ফাঁস হওয়া কাগজপত্র থেকে দেখা গেছে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্কই নেই এমন সব মানুষের ওপর মার্কিন সরকার নজর রাখছে। তিনি বলেন, আইনজীবী এবং অধ্যাপকদের মতো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও গোয়েন্দাগিরি করেছে এনএসএ এবং এসব ব্যক্তি সন্ত্রাসবাদের দায়ে সন্দেভাজন নন। এছাড়া, ইউনিসেফের বিরুদ্ধেও আমেরিকা গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়েছে বলে জানান তিনি। ২০১৩ সালে মার্কিন সরকারের ব্যাপক আঁড়িপাতার চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করে বিশ্বব্যাপী হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন স্নোডেন। ওই বছরের জুন মাসে গোপনে হংকং যান তিনি। হংকংয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তথ্য ফাঁস করার বিষয়টি টের পায়নি মার্কিন সরকার। পরে হংকং থেকে মস্কো চলে যান স্নোডেন। - See more at: http://amarbangladesh-online.com/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%B9/#sthash.YQHl2nrC.dpuf