Wednesday, 17 February 2016
Go to Haven
১) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর উম্মতের মধ্য মধ্য থেকে ৭০ হাজার ব্যক্তি বিনা হিসেবে জান্নাতে যাবে।- [আহমদ, তিরমিজী, ইবনে মাজাহ- আবু ওমামা (রা.)] ২) যারা রাতে আরামের বিছানা থেকে নিজেদের পার্শ্বদেশকে দূরে রেখেছিল, এমন অল্প সংখ্যক লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অবশিষ্ট সকল মানুষ হতে হিসেব নেয়ার নির্দেশ করা হবে। [বায়হাকি- আসমা (রা.)] ৩) জান্নাতে জান্নাতবাসীরা প্রতি জুমাবারে বাজারে মিলিত হবে এবং জান্নাতে জান্নাতবাসীদের রূপ-সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। [মুসলিম- আনাস রা.)] ৪) জান্নাতের স্তর হবে ১০০টি এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তর জান্নাতুল ফেরদাউস। যখন তোমরা আল্লাহর কাছে জান্নাত চাইবে তখন জান্নাতুল ফেরদাউস চাইবে। [তিরমিজী ওবাই ইবনে সামেত (রা.)] ৫) জান্নাত সমস্ত পৃথিবী থেকে উত্তম। (মুয়াত্তা- আবু হুরাইরা (রা.)
৬) জান্নাতবাসীনী কোন নারী (হুর) যদি পৃথিবীর দিকে উঁকি দেয়, তবে গোটা জগত আলোকিত হয়ে যাবে এবং আসমান জমীনের মধ্যবর্তী স্থান সুগন্ধিতে মোহিত হয়ে যাবে। তাদের মাথার উরনাও গোটা দুনিয়া ও তার সম্পদরাশি থেকে উত্তম। [বুখারী- আনাস (রা.)] ৭) জান্নাতে একটি চাবুক রাখার পরিমাণ জায়গা গোটা দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তা থেকে উত্তম। [মুয়াত্তা- আবু হুরাইরা (রা.)] ৮) জান্নাতের একটি গাছের নিচের ছায়ায় কোন সাওয়ারী যদি ১০০ বছরও সাওয়ার করে তবুও তার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে না। [বুখারী, মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)] ৯) জান্নাতে মুক্তা দিয়ে তৈরী ৬০ মাইল লম্বা একটি তাঁবু থাকবে। জান্নাতের পাত্র ও সামগ্রী হবে সোনা ও রুপার। [বুখারী, মুসলিম আবু মুসা (রা.)]১০) পূর্ণিমা চাঁদের মতো রূপ ধারণ করে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ক) তাদের অন্তরে কোন্দল ও হিংসা বিদ্বেষ থাকবে না। (খ) তারা কখনো রোগাক্রান্ত হবে না। (গ) তাদের পেশাব পায়খানা হবে না। (ঘ) তারা থুথু ফেলবে না। (ঙ) তাদের নাক দিয়ে ময়লা ঝরবে না। (চ) তাদের চিরুনী হবে সোনার চিরুনী। (ছ) তাদের ধুনীর জ্বালানী হবে আগরের। (জ) তাদের গায়ের গন্ধ হবে কস্তুরির মতো সুগন্ধি। (ঝ) তাদের স্বভাব হবে এক ব্যক্তির ন্যায়। (ঞ) তাদের শাররীক গঠন হবে (আদী পিতা) আদম (আ:) এর ন্যয়। [বুখারী, মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)]
১১) জান্নাতীদের খাবারগুলো ঢেকুর এবং মিশকঘ্রাণযুক্ত ঘর্ম দ্বারা নি:শেষ হয়ে যাবে। [বুখারী, মুসলিমযাবির (রা.)] ১২) জান্নাতীরা সুখে শান্তিতে স্বাচ্ছন্দ্যে ডুবে থাকবে। হতাসা দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনা থাকবে না। পোশাক পরিচ্ছেদ ময়লা হবে না, পুরাতন হবে না। তাদের যৌবনও নিঃশেষ হবে না। [মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)] ১৩) জান্নাতবাসীরা সব সময় জীবিত থাকবে। কখনো মৃত্যুবরণ করবে না। সব সময় যুবক থাকবে বৃদ্ধ হবে না। [মুসলিম আবু সাঈদ (রা.)] ১৪) জান্নাতে (এমন) এক দল প্রবেশ করবে, যাদের অন্তর হবে পাখিদের অন্তরের মতো। [মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)] ১৫) জান্নাতবাসীদের প্রতি আল্লাহ বলবেন, আমি তোমাদের উপর সন্তুষ্টি দান করেছি, তোমাদের উপর আর কখনো অসন্তুষ্ট হবো না। [বুখারী, মুসলিমআবু সাঈদ (রা.)]
১৬) জান্নাতের নহরে পরিণত হবে- সায়হান, জায়হান, ফোরাত ও নীল নদী। [মুসলিম – আবু হুরায়রা (রা.)] ১৭) জান্নাতে বান্দার আশা আকাঙ্খার দ্বিগুণ দেয়া হবে। [মুসলিম – আবু হুরায়রা (রা.)] ১৮) জান্নাতের দরওয়াজা ৪০ বছরের দুরত্বে সমান, এমন এক দিন আসবে যে তাও ভরপুর হয়ে যাবে। [মুসলিম-উতবা ইবনে খাজওয়ান (রা.)] ১৯) জান্নাতের ইট স্বর্ণ ও রোপ্য দ্বারা তৈরী। কঙ্কর হলো মনি মুক্তা, আর মসল্লা হলো সুগন্ধীময় কস্তুরী। [তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)] ২০) জান্নাতের সকল গাছের কা- হবে সোনার। [তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)]
২১) জান্নাতের ১০০ টি স্তর আছে, দু’স্তরের মধ্যে ব্যবধান শত বছরের। [(তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)] ২২) জান্নাতের ১০০ স্তরের যে কো এক স্তরে সারা বিশ্বের সকল লোক একত্রিত হলেও তা যথেষ্ট হবে। [তিরমিজী আবু সাঈদ (রা.)] ২৩) জান্নাতের উচ্চ বিছানা (সুরুরুম মারফুআ) আসমান জমীনর মধ্যবর্তী ব্যবধানের পরিমাণ- ৫০০ শত বছরের পথ। [তিরমিজী আবু সাঈদ (রা.)] ২৪) জান্নাত প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১০০ পুরুষের শক্তি দান করা হবে। [(তিরমিজ – আবু হুরায়রা (রা.)] ২৫) জান্নাতবাসীগণ কেশবিহীন দাড়িবিহীন হবে। তাদের চোক সুরমায়িত হবে। [তিরমিজ – আবু হুরায়রা (রা.)]
২৬) জান্নাতবাসীগণ ৩০ বা ৩৩ বছর বয়সীর মতো জান্নাতে প্রবেশ করবে। [তিরমিজী, ময়াজ ইবনে জাবাল (রা.)] ২৭) জান্নাতে অবস্থিত কাওসার এর পানি দুধ অপেক্ষা অধিক সাদা এবং মধুর চেয়েও মিষ্টি হবে। [তিরমিজীআসান (রা.)] ২৮) জান্নাতবাসী উট ও ঘোড়া চাইলে দুটোই পাবে এবং তা ইচ্ছেমতো দ্রুত উড়িয়ে নিয়ে যাবে। তাতে তুমি সে সব জিনিস পাবে যা কিছু তোমার মন চাইবে এবং তোমার নয়ন জুড়াবে। [তিরমিজী-আবু বুরাইদা (রা.)] ২৯) জান্নাতবাসীদের ১২০ কাতার হবে। তার মধ্যে ৮০ কাতার হবে এ উম্মতের। অবশিষ্ট ৪০ কাতার হবে অন্যান্য উম্মতের। [তিরমিজী- বুরাইদা (রা.)] ৩০) জান্নাতে একটি বাজার আছে সেখানে ক্রয়-বিক্রয় নেই। সেখানে নারী-পুরুষের আকৃতিসমূহ থাকবে। সুতরাং যখনই কেউ কোন আকৃতিকে পছন্দ করবে তখন সে সেই আকৃেিত রূপান্তরিত হবে। [(তিরমিজী- আলী (রা.)]
৩১) জান্নাতবাসীদের উপর এক খণ্ড মেঘ আচ্ছন্ন করে ফেলবে। তাদের উপর এমন সুগন্ধি বর্ষণ করবে যে, অনুরূপ সুগন্ধি তারা আর কখনো পায়নি। জান্নাতের বাজারে একজন আরেকজনের সাথে সাক্ষাত করবে এবং তার পোশাক পরিচ্ছদ দেখে আশ্চার্যান্নিত হবে। কিন্তু তার কথা শেষ হতে না হতেই সে অনুভব করবে যে, তার পোশাক তার চেয়ে আরো উত্তম হয়ে গেছে। এটা এ জন্য যে, জান্নাতে দুশ্চিন্তার কোন স্থান নেই। তাদের স্ত্রীদের কাছে ফিরে আসলে তারা বলবে তুমি আগের চেয়ে সুন্দর হয়ে ফিরে এসেছ। [তিরমিজী, ইবনে মাজাহ- সাইধ ইবনে মুসায়েব (রা.)] ৩২) নিম্নমানের জান্নাতবাসীর জন্যে ৮০ হাজার খাদেম ও ৭২ জন স্ত্রী হবে। ছোট্ট বয়সী বা বৃদ্ধ বয়সী লোক মারা গেলে জান্নাতে প্রবেশের সময় ৩০ বছর বয়সী হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ বয়স কখনো বৃদ্ধি হবে না। জান্নাতবাসীগণ যখন সন্তান কামনা করবে, তখন গর্ভ, প্রসব ও তার বয়স চাহিদা অনুযায়ী মুহূর্তের মধ্যে সংঘটিত হয়ে যাবে। [তিরমিজী, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ- আবু সাঈদ (রা.)] ৩৩) জান্নাতে হুরদের সমবেত সংগীত শুনা যাবে। এমন সুরে যা আগে কখনো শুনা যায় নি। তারা বলবে-
আমরা চিরদিন থাকবো, কখনো ধ্বংস হবো না।
আমরা সুখে আনন্দে থাকবো, কখনো দুঃখ দুশ্চিন্তা হবে না।
আমরা সব সময় সন্তুষ্ট থাকবো, কখনো নাখোশ হবো না।
সুতরাং তাকে ধন্যবাদ যার জন্যে আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি। [তিরমিজী- আলী (রা.] ৩৪) জান্নাতে রয়েছে, ১. পানির সমূদ্র ২. মধুর সমুদ্র ৩. দুধের সমুদ্র ৪. শরাবের সমুদ্র। তার পর তা থেকে আরো বহু নদী প্রবাহিত হবে।- [তিরমিজী- হাকিম ইবনে মুয়াবিয়া (রা.)] ৩৫) জান্নাতে একজন কৃষি কাজ করতে চাইবে। তার পর সে বীজ বপণ করবে এবং চোখের পলকে অংকুরিত হবে, পোক্ত হবে এবং ফসল কাটা হবে। এমন কি পাহাড় পরিমাণ স্তুপ হয়ে যাবে। আল্লাহ বলবেন, হে আদম সন্তান! নিয়ে যাও, কোন কিছুতেই তোমার তৃপ্তি হয়না। [বুখারী – আবু হুরায়রা (রা.)]
৩৬) জান্নাতে এক ব্যক্তি ৭০টি তাকিয়ায় হেলান দিয়ে বসবে। এ শুধু তারই স্থান নির্ধারিত থাকবে। একজন মহিলা এসে সালাম দিয়ে বলবে, “আমি অতিরিক্তের অন্তর্ভুক্ত” তার পরনে রং বেরং এর ৭০ খানা শাড়ী পরিহিত থাকবে এবং তার ভিতর দিয়েই তার পায়ের নলার মজা দেখা যাবে। তার মাথার মুকুটের আলো পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্তের মধ্যবর্তী স্থান রৌশনী করে দিবে। [আহমদ- আবু সাঈদ (রা.)] ৩৭) জান্নাতবাসীগণ নিদ্রা যাবে না। নিদ্রাতো মৃত্যুর সহোদর আর জান্নাতবাসী মরবে না। [বায়হাকী- যাবের (রা.)] ৩৮) আল্লাহ তায়ালা হিজাব বা পর্দা তোলে ফেলবেন, তখন জান্নাতবাসীরা আল্লাহর দিদার বা দর্শন লাভ করবে। আল্লাহর দর্শন লাভ ও তার দিকে তাকিয়ে থাকার চেয়ে অধিকতর প্রিয় কোন বস্তুই এযাবত তাদেরকে প্রদান করা হয়নি। [মুসলিম- সুহায়ব (রা.)] ৩৯) বারা বিন আযেব (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন: কবরে মুমিন বান্দার কাছে দু‘জন ফেরেশতা আসে তাকে উঠিয়ে বসাবেন। তার পর তাকে জিজ্ঞেস করবেন: তোমার রব কে? সে উত্তর দেয় আমার রব ‘আল্লাহ’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তোমার দ্বীন কি? সে উত্তর দেয়, আমার দ্বীন ‘ইসলাম’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তোমাদের মাঝে যিনি প্রেরিত হয়েছিলেন তিনি কে? সে উত্তর দেয়, তারা উত্তর দেয়, তিনি হলেন ‘আল্লাহর রাসূল’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তুমি এসব কিভাবে জানলে? সে উত্তর দেয়, আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি, তাঁর উপর ঈমান এনেছি ও তাঁকে সমর্থন করেছি। তখন আকাশ থেকে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করবেন- আমার বান্দা সত্য বলেছে, আমার বান্দার জন্য জান্নাতের একটি বিছানা বিছিয়ে দাও, তাকে জান্নাাতের পোশাক পরিয়ে দাও এবং তার জন্য জান্নাতের একটি দরজা খুলে দাও। তখন তা খুলে দেওয়া হয়। রাসূল (সা.) বলেন: ফলে তার দিকে জান্নাতের স্নিগ্ধ বাতাস এবং সুগন্ধি আসতে থাকে। তার জন্য কবরের স্থানকে দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়। (আহমদ আবু দাউদ)
৪০) যে ব্যক্তি কুরআন পড়েছে, তাকে (সমাজে কুরআনের বিধান) প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে, কুরআনে বর্ণিত হালালসমূহকে হালাল জেনে মেনেছে, হারামগুলোকে হারাম মনে করেছে। আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের জাহান্নামযোগ্য ১০ জনে বিষয়ে সুপারিশ করতে পারবেন। (তিরমিযী হযরত আলী হতে
Tuesday, 16 February 2016
kashe removed
কাশি সমস্যায় আমরা কম-বেশি সব সময়ই ভুগে থাকি। শীত শেষে আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নানান রোগও বেড়ে চলেছে। এই সময়ে অধিকাংশ মানুষই খুসখুসে কাশির যন্ত্রণায় ভোগেন।
আবহাওয়ার পরিবর্তন, অ্যালার্জি, ঠান্ডাজনিত ইনফেকশন, অ্যাজমা ইত্যাদি কারণে এই কাশি হয়ে থাকে। কিছু ঘরোয়া উপায়ে এই কাশি থেকে আপনি রক্ষা পেতে পারেন।
১। লবণ পানি
এক কাপ পানি এক চিমটি লবণ দিয়ে গরম করে নিন। এবার এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। লবণ গলা ভিতর থেকে তরল কফ, পদার্থ বের করে দিয়ে থাকে। Mayo clinic book এর মতে কুলকুচি গলার ভিতরের অস্বস্তিকর অনুভূতি দূর করে দিয়ে থাকে। এটি আপনার শুষ্ক কাশি কমিয়ে দিয়ে কিছুটা আরাম দেবে।
২। মধু
শুষ্ক কাশি প্রতিকারে মধু বেশ কার্যকর। এক টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু প্রতিদিন ১ থেকে ৩ বার গ্রহণ করুন। বিশেষ করে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক টেবিল চামচ মধু খেয়ে নিন। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১ চা চামচ থেকে ১ টেবিল চামচ হতে পারে। মধুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান কাশি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৩। আদা চা
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক কাপ আদা চা খেয়ে নিতে পারেন। আদার অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান গলার ভিতরে অস্বস্তিকর অনুভূতি দূর করে থাকে। এক কাপ পানিতে আদা কুচি দিয়ে জ্বাল দিন। এটি দিনে তিন থেকে চার বার পান করুন। দেখবেন শুষ্ক কাশি অনেক কমে গেছে। আদা চায়ের পরিবর্তে এটি পান করতে পারেন।
৪। হলুদ
এক চামচ মধুর সাথে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিন থেকে চারবার গ্রহন করুন। এক টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো চার কাপ পানিতে জ্বাল দিন। কয়েক মিনিট পর এতে লেবুর রস এবং মধু দিয়ে পান করুন। এছাড়া এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এটিঅ আপনার কাশি কমাতে সাহায্য করবে।
৫। রসুন
পাঁচটি রসুনের কোয়া কুচি করে এক চা চামচ ঘিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। কুসুম গরম থাকা অবস্থায় এটি খেয়ে ফেলুন। রসুনের অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং এক্সপেকটোরেন্ট উপাদান কাশি উপশম করে থাকে। University of Maryland Medical Center cites এর মতে রসুন অব্যশই কাশি উপশম করে থাকে।
এছাড়া যষ্টি মধু, গোলমরিচ এবং মধুর মিশ্রণ শুষ্ক কাশি প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে। আপনি যদি অ্যালার্জি সমস্যা থেকে থাকে তবে এই সময় কিছুটা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
নামাজের অবিশ্বাস্য ১১ টি বিজ্ঞান সম্মত উপকার
পবিত্র কুরআন-মাজিদে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার ব্যাপারে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা অনেকেই মনে করি নামাজের উপকারিতা বলতে পরকালের শান্তির কথা। আসলে শুধু তাই নয় নামাযে রয়েছে বিশাল উপকার আর এই বিজ্ঞান সম্মত এই উপকারের কথা বলা হয়েছে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে। ইসলামই একমাত্র ধর্ম যার সাথে বিজ্ঞানের মিল রয়েছে। কেবল মাত্র পবিত্র কুরআন-শরীফের কথা ১০০% এর মধ্যে ৮০% বিজ্ঞান প্রমান করতে পেরেছে। আর বাকি ২০% বিজ্ঞান বের করতে পারেনি কারন সেটি প্রমান করার মত প্রযুক্তি এখনো পৃথিবীতে আসেনি।
নামাজের মধ্যে যে কি পরিমান বিজ্ঞান লুকায়িত আছে তা নিম্ন বননা করা হলঃ
। নামজে যখন সিজদা করা হয় তখন আমাদের মস্তিস্কে রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হয়।ফলে আমাদের সৃতি শক্তি অনেক বৃদ্ধি পায়।২।নামাজের যখন আমরা দাড়াই তখন আমাদের চোখ জায়-নামাজের সামনের ঠিক একটি কেন্দ্রে স্থির অবস্থানে থাকে ফলে আমাদের মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
৩।নামাজের মাধ্যমের আমাদের শরীরের একটি ব্যায়াম সাধিত হয়।এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ছোট বড় সবাই করতে পারে।
৪।নামাজের মাধ্যমের আমাদের মনের অসাধারন পরিবতন আসে।
৫।নামাজ সকল মানুষের দেহের কাঠামো বজায় রাখে। ফলে শারীরিক বিকলঙ্গতা লোপ পায়।
৬।নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে যেমন ওজুর সময় আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা হয় এর ফলে বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে আমরা সুরক্ষিত থাকি।
৭।নামাজে ওজুর সময় মুখমন্ডল ৩বার ধৌত করার ফল আমাদের মুখের ত্বক উজ্জল হয় এবং মুখের দাগ কম দেখা যায়।
৮।ওজুর সময় মুখমন্ডল যেভাবে পরিস্কার করা হয় তাতে আমাদের মুখে একপ্রকার মেসেস তৈরি হয় ফলে আমাদের মুখের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং বলিরেখা কমে য়ায।
৯।কিশোর বয়সে নামাজ আদায় করলে মন পত্র থাকে এর ফলে নানা প্রকার অসামাজিক কাজ সে বিরত থাকে।
১০।নামাজ আদায় করলে মানুষের জীবনি শক্তি বৃদ্ধি পায়।
১১।কেবল মাত্র নামাজের মাধ্যমেই চোখের নিয়ম মত যত্ন নেওয়া হয় ফলে অধিকাংশ নামাজ আদায় কারী মানুষের দৃষ্টি শক্তি বজায় থাকে।
t20 cricket 2016
স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক – আগামী ৮ মার্চ থেকে অনুষ্ঠেয় টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে দলকে নিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও নিশ্ছিদ্র করছে ভারত। তবে পাকিস্তান দলের জন্য একটু বেশিই সতর্ক আয়োজকরা। তাদের ট্যাঙ্ক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ক্রিকেট অ্যসোসিয়েশন। শুধু পাকিস্তান নয় ভারতীয় পুলিশ নাকি আফগানিস্তান, বাংলাদেশ টিমের নিরাপত্তা নিয়েও বেশ চিন্তিত। - See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/353304#sthash.OsC3GCP3.dpuf
৫ মার্চ ধর্মশালায় হংকংয়ের বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি খেলবে। হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই ম্যাচ শুরু হবে। অবশ্য গত বছর ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে এই হংকংয়ের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ।
তবে বাংলাদেশ এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠতে পারলে প্রস্তুতি ম্যাচের তারিখে পরিবর্তন আসতে পারে। কারণ এশিয়া কাপের ফাইনাল হবে ৬ মার্চ।
আর বাছাইপর্বের ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের তিন সঙ্গী নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড ও ওমান। অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপের চারটি দল জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান, হংকং ও স্কটল্যান্ড। দুই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। বাছাইপর্বের ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে মূল পর্বের ‘বি’ গ্রুপে। আর ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মূল পর্বের ‘এ’ গ্রুপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
বাছাইপর্বে ৯ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস। ১১ মার্চ দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে। বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে মাশরাফিদের প্রতিপক্ষ ওমান। ১৩ মার্চ হবে ম্যাচটি। বাংলাদেশের সব ম্যাচই হবে ধর্মশালায়। হিমাচল প্রদেশের এই শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দেড় হাজার মিটার উঁচুতে।
বাছাইপর্ব পেরোতে পারলে বাংলাদেশকে খেলতে হবে স্বাগতিক ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে। মূল পর্বের অন্য গ্রুপে আছে শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
মূল পর্ব শুরু হবে ১৫ মার্চ থেকে। পুরুষ ও নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলবে একই সঙ্গে। দুটো ফাইনালও হবে একই দিনে, ৩ এপ্রিল। দুটো ম্যাচেরই ভেন্যু কলকাতার বিখ্যাত ইডেন গার্ডেনস।
মূল পর্বে উঠতে পারলে বাংলাদেশে চলে যাবে কলকাতায়। ইডেন গার্ডেনসে ১৬ মার্চ পাকিস্তানের বিপক্ষে সম্ভাব্য ম্যাচ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে তিনটায়। ২১ মার্চে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ম্যাচ হবে বেঙ্গালুরুতে। এটি শুরু হবে রাত ৮টায়। ২৩ মার্চ ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটিও হবে বেঙ্গালুরুতে। এই ম্যাচটিও রাত ৮টায় শুরু হবে। ২৬ মার্চ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি হবে আবার ইডেন গার্ডেনসে। এই ম্যাচটি শুরু বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ৩টায়।
- See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/353356#sthash.1PAqplOY.dpuf
Sunday, 14 February 2016
first power in world war
ঢাকা: গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি সামরিক শক্তির ভিত্তিতে একটি র্যাংকিং তৈরি করেছে। র্যাংকিংয়ের শীর্ষে রয়েছে যথারীতি যুক্তরাষ্ট্র।
এরপরে যথাক্রমে চীন, রাশিয়া, ভারত, ব্রিটেন, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, জাপান ও তুরস্ক। মোট ১২৬ টি দেশকে র্যাংকিংয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৫৩ তম। সামরিক ব্যয়ের ভিত্তিতে প্রণীত র্যাংকিংয়ে শীর্ষ সামরিক শক্তি হিসেবে প্রথম নামটি অনুমিতই। ২০০৫ সাল থেকে তালিকার প্রথম স্থানটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নির্ধারিত। মোট সামরিক ব্যয়ের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায়ও কয়েকগুণ বেশি ব্যয় করে থাকে।
২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক খাতে ব্যয় করেছে ৬০৯.৯ বিলিয়ন ডলার, যা মোট মার্কিন জিডিপির ৩.৫%। যদিও ২০০৫ সালের তুলনায় ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার পরিবর্তে ০.৪% ব্যয় হ্রাস পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মাথাপিছু বার্ষিক সামরিক ব্যয় ১,৮৯১ ডলার। যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু অস্ত্রধারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ধারণা করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ভাণ্ডারে কমপক্ষে ৭,১০০ টি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র আছে যা রাশিয়ার তুলনায় সামান্য কম। তালিকার ২য় স্থানে আছে এশিয়ান পরাশক্তি চীন। চীনের বার্ষিক সামরিক ব্যয় ২১৬.৪ বিলিয়ন ডলার। ২০০৫ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে চীন তার সামরিক ব্যয় ১৬৭.৪% এরও বেশি বাড়িয়েছে। চীনের মোট জিডিপির ২.১% সামরিক খাতে ব্যয় করা হয়েছে। মাথাপিছু ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৫৫ ডলার। তালিকায় তৃতীয় নামটি আলোচিত-সমালোচিত দেশ রাশিয়ার। ২০১৪ সালে রাশিয়ার সামরিক ব্যয় ৮৪.৫ বিলিয়ন ডলার। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্রায় ১০০% ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। মোট জিডিপির ৪.৫% সামরিক খাতে ব্যয়কারী রাশিয়ার মাথাপিছু সামরিক ব্যয় ৫৯৩ ডলার। তালিকায় বাংলাদেশের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৩ তম। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২.৩ বিলিয়ন ডলার (১৮,১৩৪ কোটি টাকা)। যা মোট জিডিপির ১.৩%। বার্ষিক বাজেটের প্রায় ৬% সামরিক বাহিনীর জন্য ব্যয় করে থাকে বাংলাদেশ। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র তুরস্ক শীর্ষ ১০ এর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। এছাড়া পাকিস্তান ১৭ তম, ইরান ২৩ তম এবং সৌদি আরবের অবস্থান ২৮ তম।
Friday, 12 February 2016
salman khan
हिन्दी
LIVE TV
Toggle
অপশন নেই, বিয়ে করতেই হবে:সলমন
By Sourav Paul
অপশন নেই, বিয়ে করতেই হবে:সলমন
ওয়েব ডেস্ক: বলিউডের দাবাং খান এবার কি সত্যিই বিয়ে করতে চলেছেন? সলমনের ইঙ্গিত তো তেমনটাই। "প্রথমে আমি ভাবতাম, আমার বিয়ের বয়স হয়নি। কিন্তু এখন আমার মনে হচ্ছে আমি বিয়ের বয়স পেরিয়ে এসেছি। আমি খুশি...এবার বিয়েটা হবে। বোন অর্পিতার বিয়েও হয়ে গেছে, এবার আমার পালা। আমার কাছে আর কোনও অপশন নেই"।
'রবিন হুড' পান্ডের প্রেমের ইতিহাস বেশ বর্ণময়। কখনও ঐশ্বর্য রায় কখনও ক্যাটরিনা, বলিউডের হার্ট থ্রবদের সঙ্গে সলমনের প্রেমের ভাঙা গড়া যেন সর্ব সময়ের সঙ্গী। কিন্তু এবার আর সম্পর্ক ভাঙা নয়, গড়ার পালা। সলমনের মন বিয়ে বিয়ে করছে! পাত্রী কে? লুলিয়া ভান্তুর।
Thursday, 11 February 2016
ওভারিয়ান সিস্ট এখন ঘরে ঘরে
Home » Bengali » HEALTH
ওয়েব ডেস্ক: ওভারিয়ান সিস্ট এখন ঘরে ঘরে সমস্যা। এর থেকে বাঁচবেন কীভাবে? আসুন জেনে নেওয়া যাক।
হরমোনের সমস্যা, অনিয়মিত পিরিয়ড, অল্পবয়সে ঋতুস্রাব শুরু, ইত্যাদি নানা কারণে বেশিরভাগ মহিলারই এখন সিস্টের সমস্যা। সমস্যা শুরু হচ্ছে বয়ঃসন্ধিতে। কিন্তু দেরিতে বিয়ে, অনিয়মিত যৌন জীবন, দেরিতে সন্তানের কারণে ক্রমশই বাড়ছে সমস্যা। কিন্তু এর থেকে বাঁচার উপায় কী?
ইস্ট্রজেন নিয়ন্ত্রণ- ইস্ট্রজেন হরমোনের সাম্য নষ্ট হওয়া ওভারিয়ান সিস্টের অন্যতম কারণ। সিস্ট রুখতে শরীরে ইস্ট্রজেন ভারসাম্যের দিকে নজর রাখুন। প্রোটিন, প্রসেসড মিট শরীরে ইস্ট্রজেনের পরিমাণ বাড়ায়। খান অরগানিক মিট এবং দুগ্ধজাত খাবার। সাবধান, প্লাস্টিকের বোতল থেকে জল খেলেও রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ইস্ট্রজেনের পরিমাণ বাড়ে।
ভেষজ উপায়- ওভিউলেশন নিয়মিত করতে ও জনন তন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে গাছগাছালির মূল। ইস্ট্রজেনের সঠিক মাত্রা বজায় রাখে ড্যান্ডেলিয়ন, মিল্ক থিসল।
খাওয়া দাওয়া- ওভারিয়ান সিস্টের অন্যতম কারণ অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অনিয়মিত লাইফস্টাইল। ডায়েটে রাখুন ফল, সবুজ শাক-সব্জি। ডায়েটে থাকুক বেশিমাত্রায় গোটা শস্যের পরিমাণ।
ওজন নিয়ন্ত্রণ- অতিরিক্ত ওজনের জন্যও ওভারিয়ান সিস্টে আক্রান্ত হচ্ছেন মহিলারা। মেদ ঝরিয়ে ফেলুন। সম্ভাবনা কমবে ওভারিয়ান সিস্টের।
ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট- হরমোনের ব্যালান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে কিছু ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট। ভিটামিন ই, ফ্লাক্সসিড অয়েল, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি তার মধ্যে অন্যতম।
বেশিরভাগ ভারতীয় মহিলারাই ডাক্তার এড়িয়ে চলেন। কিন্তু কোনও রকম সমস্যা মনে হলেই আগে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।
Tuesday, 9 February 2016
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) এর ১১টি বিশেষ উপদেশ
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশাল হাদিসে ভাণ্ডার থেকে চয়ন করে উম্মতের জন্য বিশেষ ১১টি উপদেশ এখানে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ওই সব উপদেশ মালায় হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
১. যদি পরিপূর্ণ ঈমানওয়ালা হতে চাও, তবে উত্তম চরিত্র অর্জন করো।
২. যদি সবচেয়ে বড় আলেম বা জ্ঞানী হতে চাও, তবে তাকওয়া (আল্লাহ ভীতি) অর্জন করো।
৩. যদি সবচেয়ে বেশি সম্মান পেতে চাও, তবে মানুষের নিকট হাত পাতা (অন্যের ওপর ভরসা করা, ভিক্ষা করা) বন্ধ করে দাও।
৪. যদি আল্লাহর নিকট বিশেষ সম্মান পেতে চাও, তবে অধিক পরিমাণে আল্লাহর জিকির করো।
৫. যদি রিজিকের প্রশস্ততা চাও, তবে সর্বদা অজুর সঙ্গে থাকার চেষ্টা করবে।
৬. যদি সমস্ত দোয়া কবুল হওয়ার আশা রাখো, তবে অবশ্যই হারাম থেকে বেঁচে থাকবে।
৭. যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে গুনাহমুক্ত উঠতে চাও, তবে সহবাসের পর দ্রুত পবিত্র হয়ে যাবে।
৮. যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর নূর নিয়ে উঠতে চাও, তবে মানুষের ওপর জুলুম
করা ছেড়ে দাও।
৯. যদি আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে চাও, তবে আল্লাহর ফরজ বিষয়াদির প্রতি যত্নবান হও।
১০. যদি জাহান্নামের আগুন নেভাতে চাও, তবে দুনিয়ার বিপদাপদে সবর করো।
১১. যদি আল্লাহতায়ালার রাগ বা গোস্বা থেকে বাঁচতে চাও, তবে গোপনে সদকা করো, আত্নীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে চলো এবং মানুষের ওপর রাগ করা ছেড়ে দাও
আল্লাহতায়ালা সবাইকে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এসব উপদেশ মেনে চলার তওফিক দান করুন। আমিন।
তথ্যসূত্রঃ বিডি মর্নিং
namaj for purely tips
নামাজে মনোযোগ ধরে রাখার জন্য কিছু টিপসঃ
১) তাকবীরে তাহরিমা তথা আল্লাহু আকবার বলে হাত বাঁধার আগে চিন্তা করা আমি কার সামনে দাঁড়াচ্ছি। যার সামনে দাঁড়াচ্ছি তিনি কতো বড়, কতো মহান। দুনিয়ার একজন সামান্য প্রেসিডেন্টের সামনে যদি আমি দাঁড়ায় তবে যেরূপ মনোযোগ সহকারে স্থির হয়ে দাঁড়াতাম, তাহলে সমগ্র সৃষ্টিজগতের মালিকের সামনে দাঁড়ালে আমার আচরণ কীরূপ হওয়া দরকার?
২) তাজওয়ীদ সহকারে ধীরে ধীরে কুরআন তিলাওয়াত করা ও রুকু সিজদাহর তাসবীহ ভক্তিসহকারে আদায় করা।
৩) অর্থের প্রতি খেয়াল রেখে সবকিছু করা। অর্থের প্রতি খেয়াল না থাকলে আমি কার সামনে দাঁড়িয়ে কী বলছি এবং কেন বলছি তা কখনই বুঝে আসবে না। অন্তত সালাতে যে সূরাগুলো পড়া হয় এবং রুকু,সিজদাহ ও বসা অবস্থায় তাসবীহ ও দুয়াগুলোর অর্থ শব্দের প্রতি খেয়াল রেখে পড়া।
৪) হাদিসে এসেছে, বান্দা যখন সিজদাহ অবস্থায় থাকে তখন সে মহান আল্লাহর খুব নিকটবর্তী হয়ে যায়। তাই সিজদাহ অবস্থায় আমাদের মনে এই ধ্যান আসা উচিত যে আমার দেহের সবচেয়ে সম্মানের অঙ্গ মাথাকে আমার মালিকের সামনে লুটিয়ে দিলাম শুধুমাত্র তারই অনুগ্রহ পাওয়ার আশায়।
৫) নড়াচড়া করা, দাড়িতে হাত বুলানো, গা চুলকানো, মশা তাড়ানো, টুপি ঠিক করা, জামা টেনে টুনে ঠিক করা ইত্যাদি অযথা কাজ পরিহার করার চেষ্টা করা।
৬) এই ধ্যান করা যে আমার মনের অবস্থা একমাত্র আল্লাহই জানেন। রিয়া তথা লোকদেখানোর চিন্তা মাথায় আসার সাথে সাথেই ঝেড়ে ফেলা, শুধুমাত্র আল্লাহর জন্যই সালাতকে সুন্দর করার চেষ্টা করা। আর কাল হাশরের ময়দানে এই সালাতের প্রতিদানের আশা করা, সাথে সাথে নিজের গুনাহ ও দুর্বলতার কারণে সালাত অগ্রাহ্য হওয়ার আশঙ্কাও রাখা।
৭) মনে মনে চিন্তা করা যে আমি পুলসিরাতের উপর দাঁড়িয়ে আছি, আমার ডানে জান্নাত, বামে জাহান্নাম, মাথার উপর গুনাহের বোঝা, পেছনে মালাকুল মাউত জান কবজের জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। মনে করা যে এটিই আমার জীবনের শেষ সালাত, এরপর হইত আমার আর সালাত আদায়ের সুযোগ হবে না।
মহান আল্লাহ আমাদেরকে খুশু খুযুর সহিত নামাজে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
smart phon DSLR
স্মার্টফোনের বিশেষ ধরনের ক্যামেরা এনেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অলিম্পাস।
এয়ার এ০১ মডেলের এ ক্যামেরা স্মার্টফোনের ক্যামেরার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে কাজ করবে। স্মার্টফোন নিয়ন্ত্রিত এ ক্যামেরাটিতে সনির কিউএক্সওয়ান ক্যামেরার মতোই সব সুবিধা বিদ্যমান। প্রাথমিকভাবে জাপানে ছাড়া হলেও অচিরেই যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশে পাওয়া যাবে ডিভাইসটি। - See more at: http://bangla.samakal.net/2016/02/09/191812#sthash.pe5lCMXK.dpuf
Thursday, 4 February 2016
Modi
বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে নগদ অর্থ রয়েছে মাত্র চার হাজার ৭০০ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা পাঁচ হাজার ৪০৫ টাকা। গত ৩০ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত হিসাবে দেখা যায়, গত বছরের মার্চ পর্যন্ত মোদির মোট সম্পদের পরিমাণ এক কোটি ৪১ লাখ রুপি। এর মধ্যে গান্ধীনগরে তার একটি বসতবাড়ি রয়েছে। গত বছরের আগস্টে মোদির কাছে নগদ অর্থ ছিল ৩৮ হাজার ৭০০ রুপি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে মোদির সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়।
মোদির স্থাবর সম্পত্তি বলতে গান্ধীনগরের বাড়িটির এক-চতুর্থাংশের মালিকানা। এর আয়তন সাড়ে তিন হাজার বর্গফুট। এটি মোদি উত্তরাধিকার সূত্রে পাননি। ২০০২ সালের ২৫ অক্টোবর তিনি বাড়িটি কিনেছিলেন। সে সময় মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। বাড়িটি কেনা হয়েছিল এক লাখ ৩০ হাজার ৪৮৮ রুপিতে। নির্মাণ ব্যয় হয়েছিল দুই লাখ ৪৭ হাজার ২০৮ রুপি। বর্তমানে এর দাম ২৫ গুণ বেড়েছে।
২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় মোদির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল এক কোটি ২৬ লাখ ১২ হাজার ২৮৮ রুপি। ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ তা বেড়ে এক কোটি ৪১ লাখ ১৪ হাজার ৮৯৩ রুপি হয়েছে।
দিলি্লর ৭ নম্বর রেসকোর্স রোডের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে থাকলেও মোদির দিলি্লতে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টও নেই। গুজরাটের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে স্থায়ী আমানত রয়েছে ৩১ লাখ রুপির কিছু কম।
আরও প্রায় ৯৪ হাজার রুপি ওই ব্যাংকেই রয়েছে। বেসরকারি পরিকাঠামো বন্ডেও ২০ হাজার রুপি রয়েছে মোদির। পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার রুপির জাতীয় সঞ্চয়পত্র, প্রায় দুই লাখ রুপির জীবনবীমাও রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। আরও রয়েছে চারটি সোনার আংটি। এর বাজারমূল্য এক লাখ ১৯ হাজার রুপি। তবে মোদির কোনো গাড়ি বা জমি নেই।
এটা তো গেল শুধু নরেন্দ্র মোদির নিজের সম্পদের হিসাব। তার স্ত্রী যশোদাবেনের কত সম্পত্তি রয়েছে, তা জানেন না বলেই ঘোষণা করেছেন মোদি। এনডিটিভি, ফার্স্ট পোস্ট।
Subscribe to:
Comments (Atom)













