Sunday, 31 January 2016
ডালপুরি
খুবই সুস্বাদু ও মুখরোচক একটি খাবার ‘ডালপুরি’। যারা একটু ভাজা খাবার পছন্দ করেন বলতে গেলে তাদের জন্য এর চেয়ে প্রিয় খাবার আর কিইবা হতে পারে! তো চলুন যেনে নিই ছোলার ডালের পুরির রেসিপি।
উপকরণ
ময়দা ২ কাপ
ঘি ৩ টেবিল চামচ
লবন ১ চা চামচ
চিনি ১ চা চামচ
সাদা তেল প্রয়োজনমতো
পুরের জন্য
ছোলার ডাল (রাতে ভিজিয়ে বেটে নেওয়া) ২০০ গ্রাম
আদা বাটা ১/২ চা চামচ
লংকা বাটা ১/২ চা চামচ
নুন স্বাদমতো
চিনি ১/২ চা চামচ
সাদা তেল
প্রণালী
একটি পাত্রে ময়দা, লবন, ঘি, চিনি ভালো করে মিশিয়ে ঠেসে মাখুন। এবার প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে মেখে ৩০ মিনিট রাখুন। ডাল-আদা-লংকা বাটা, লবন ও চিনি মিশিয়ে নিন। কড়াইতে সাদা তেল গরম করে পেস্টটি দিয়ে ভাজতে থাকুন। ডাল বেশ ঝরঝরে হয়ে গেলে নামিয়ে রাখুন।
৩০ মিনিট পরে ময়দা থেকে মাঝারি মাপের লেচি বানান। ছোট ছোট লুচির আকারে বেলে নিন। এবার লুচির মধ্যে ডালের পুর ভরে মুখ ভালো করে এঁটে দিন। হালকা গরম তেলে ভেজে পরিবেশন করুন।
Sunday, 3 January 2016
earthquakes in Bangladesh 2016
ইলাস্টিক রিবাউণ্ড তত্ত্ব
একটি শিলাস্তর যখন দু’টি ভিন্নমুখী চাপের সম্মুখীন হয় তখন এর কেন্দ্রবিন্দুতে পরস্পর বিপরীতমূখী চাপের এক দ্বৈত শক্তি জমা হতে থাকে। চাপ যখন শিলাস্তরের স্থিতিস্থাপকতা অতিক্রম করে তখন সেখানে ফাটল (Fault) সৃষ্টি হয়ে প্রচণ্ড বেগে শক্তি নির্গত হয়। এই শক্তিই বিভিন্ন তরঙ্গের মাধ্যমে ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে।
earth
আমরা কতটুকু প্রস্তুত?
যে কোন সময় একটি বড় ভূমিকম্প আঘাত হানলে আমাদের কী হবে? আমরা কতটুকু প্রস্তুত? অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় এই যে, আমাদের দেশে ভূমিকম্পের বিষয়টি দেখাশোনা করে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ওই প্রতিষ্ঠানটির কাজ করার কথা বায়ুমণ্ডল নিয়ে অথচ তাঁরা শিলামণ্ডল নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হচ্ছে। এখনো আমাদের দেশে ভূমিকম্প পূর্বভাষ কেন্দ্র স্থাপন করা হয় নি। আধুনিক সিসমোগ্রাফ নেটওয়ার্ক নেই। ফলে ভূমিকম্প হবার পর আমেরিকার USGS এর ওয়েব সাইটে গিয়ে নিজ দেশের ভূমিকম্পের খবর নিতে হয়। ভূগোল-ভূতত্ত্ব বিষয়ের লোকের বদলে পদার্থবিজ্ঞানী বা পরিসংখ্যানবিদ দিয়ে ভূমিকম্প মাপমাপি করলে এমনটাই হবার কথা। কাজেই ভূমিকম্পের মত প্রলয়ংকরী প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ে জাতীয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে বিষয় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের এর দায়িত্বে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া এই মূহূর্তে সবচেয়ে জরুরী কাজ।
ভূমিকম্প হবার আগে বেশ কিছু ছোটছোট ফোরশক হয়। যেসব প্রাণী মাটির নীচে থাকে তারা তাদের অত্যন্ত সংবেদনশীল ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে সেগুলো টের পেয়ে মাটির উপরে চলে আসে। ২০০৯ সালে চীনে ভূমিকম্পের আগে অনেক ব্যাঙ রাস্তায় উঠে এসেছিলো। এসব দেখে আমরা সতর্ক হতে পারি। আগামীকালের পত্রিকা খুলে বাংলাদেশের কতগুলো ভবনের ফাটলের কথা শুনবো জানি না, তবে এখনো সময় আছে, আমাদের ভবন নির্মাণ নীতিমালায় ভূমিকম্পরোধ ব্যবস্থা বাধ্যতামূক করার এটাই বোধ হয় শেষ সময়।
ভূমিকম্পের সময় উপদ্রুত এলাকাবাসীর করনীয়
সরকারী পদক্ষেপের বাইরে সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদেরও কিছু বিষয় জানা থাকা প্রয়োজন। ভূমিকম্পের সময় মোটেই আতঙ্কিত হবেন না। এই দূর্যোগে রক্ষা পেতে সাধারণভাবে কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিন।
১: নিজেকে এবং পরিবারকে রক্ষা করুন
ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব কয়েক সেকেণ্ড হতে সর্বোচ্চ মিনিটখানেক। এই সময়ে ঘরে অবস্থান করলে টেবিল বা ডেস্কের নিচে সপরিবারে অবস্থান নিন। আপনার মাথায় কোনকিছুর আঘাত পাওয়া থেকে রক্ষা পাবেন।
২: গ্যাস, তেল বা ইলেক্ট্রিক চুলা দ্রুত বন্ধ করুন
ভূমিকম্পের সময় আগুন লেগে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান অনেক বেড়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে যত দ্রুত সম্ভব রান্না ঘরের গ্যাস, তেল বা ইলেক্ট্রিক চুলা বন্ধ করুন। মনে রাখবেন যত ছোট ভূমিকম্পই হোক না কেন চুলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
৩: তাড়াহুড়ো করে বাইরে বেড় হবেন না
ভূমিকম্পের সময় তাড়াহুড়ো করে বাইরে বেড় হতে গেলে ভীড়ে চাপা পড়ে বা উপর হতে মাথায় কিছু পড়ে আহত হতে পারেন। এই জন্য তাড়াহুড়ো না করে ধীর স্থিরভাবে আশপাশ পর্যবেক্ষণ করে তারপর বাইরে বেড় হবার চেষ্টা করুন।
earthquake-6
৪: দরজা খোলার ব্যবস্থা করুন
দালানে বসবাসকারীদের প্রধান সমস্যা হয় ভূমিকম্পের সময় দরজা আটকে বন্দী হয়ে যাওয়া। এইজন্য বাইরে যাবার দরজাটি খোলার ব্যবস্থা করুন।
৫: মাথা রক্ষা করুন
ভূমিকম্পের সময় বহুতল ভবন হতে বাইরে বেড় হবার সময় অনেকেই উপর হতে কোন কিছু পড়ে মাথায় আঘাত পেয়ে থাকেন। এটা এড়াতে বাইরে বেড় হবার সময় মাথার উপর শক্ত বোর্ড বা ট্রে জাতীয় কিছু ধরে রাখুন। এতে করে উপর থেকে কিছু পড়লেও আপনার মাথায় আঘাত লাগবে না। বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় ভূমিকম্প হলে বালিশটি মাথার নীচ হতে মাথার ওপরে আনুন।
earthquake-7
৬: সিনেমা হল বা ডিপার্টমেণ্টাল স্টোরের মত পাবলিক প্লেসে করনীয়
সিনেমা হল, অডিটোরিয়াম, ডিপার্টমেণ্টাল স্টোর, রেল স্টেশন বা এয়ারপোর্টের মত পাবলিক প্লেসে থাকলে সেখানে কর্তব্যরত নিরাপত্তা কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের পরামর্শ অনুসরন করুন।
৭: গাড়ি বামদিকে পার্ক করুন
ভূমিকম্পের সময় আপনি যদি গাড়ি চালানো অবস্থায় থাকেন তাহলে ধীরে ধীরে আপনার গাড়িটি রাস্তার বামপাশে পার্ক করুন। কোন অবস্থাতেই ভূমিকম্পের সময় গাড়ি চালাবেন না।
earthquake-8
৮: পাহাড়ী রাস্তায় ভূমিধ্বস এবং গড়িয়ে পড়া পাথর খেয়াল করুন
ভূমিকম্পের সময় আপনার গাড়িটি পাহাড়ী এলাকায় থাকলে ভূমিধ্বস এবং গড়িয়ে পড়া পাথরের আঘাত এড়াতে নিরাপদ স্থানে গাড়িটি পার্ক করুন।
৯: উপদ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে হাটুন
ভূমিকম্প উপদ্রুত এলাকা হতে নিরাপদ এলাকায় সরে যাবার জন্য গাড়ি ব্যবহার করার চেয়ে পায়ে হাটা অনেক নিরাপদ।
earthquake-9
১০: গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না
ভূমিকম্পের সময় গুজব বা ভুল তথ্যের কারনে অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকে বিপদ ডেকে আনেন। এজন্য সঠিক তথ্য পেতে রেডিও/টিভির বুলেটিন শুনুন।
ভূমিকম্পের সময় করনীয় বিষয়ক একটি আত্মরক্ষমূলক গাইডের লিংক নীচে দেয়া হলো এটি ডাউনলোড করে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন।
http://www.seikatubunka.metro.tokyo.jp/index3files/survivalmanual.pdf
(১৮, মার্চ, ২০১২)
earth
আমরা কতটুকু প্রস্তুত?
যে কোন সময় একটি বড় ভূমিকম্প আঘাত হানলে আমাদের কী হবে? আমরা কতটুকু প্রস্তুত? অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় এই যে, আমাদের দেশে ভূমিকম্পের বিষয়টি দেখাশোনা করে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ওই প্রতিষ্ঠানটির কাজ করার কথা বায়ুমণ্ডল নিয়ে অথচ তাঁরা শিলামণ্ডল নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হচ্ছে। এখনো আমাদের দেশে ভূমিকম্প পূর্বভাষ কেন্দ্র স্থাপন করা হয় নি। আধুনিক সিসমোগ্রাফ নেটওয়ার্ক নেই। ফলে ভূমিকম্প হবার পর আমেরিকার USGS এর ওয়েব সাইটে গিয়ে নিজ দেশের ভূমিকম্পের খবর নিতে হয়। ভূগোল-ভূতত্ত্ব বিষয়ের লোকের বদলে পদার্থবিজ্ঞানী বা পরিসংখ্যানবিদ দিয়ে ভূমিকম্প মাপমাপি করলে এমনটাই হবার কথা। কাজেই ভূমিকম্পের মত প্রলয়ংকরী প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ে জাতীয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে বিষয় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের এর দায়িত্বে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া এই মূহূর্তে সবচেয়ে জরুরী কাজ।
ভূমিকম্প হবার আগে বেশ কিছু ছোটছোট ফোরশক হয়। যেসব প্রাণী মাটির নীচে থাকে তারা তাদের অত্যন্ত সংবেদনশীল ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে সেগুলো টের পেয়ে মাটির উপরে চলে আসে। ২০০৯ সালে চীনে ভূমিকম্পের আগে অনেক ব্যাঙ রাস্তায় উঠে এসেছিলো। এসব দেখে আমরা সতর্ক হতে পারি। আগামীকালের পত্রিকা খুলে বাংলাদেশের কতগুলো ভবনের ফাটলের কথা শুনবো জানি না, তবে এখনো সময় আছে, আমাদের ভবন নির্মাণ নীতিমালায় ভূমিকম্পরোধ ব্যবস্থা বাধ্যতামূক করার এটাই বোধ হয় শেষ সময়।
ভূমিকম্পের সময় উপদ্রুত এলাকাবাসীর করনীয়
সরকারী পদক্ষেপের বাইরে সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদেরও কিছু বিষয় জানা থাকা প্রয়োজন। ভূমিকম্পের সময় মোটেই আতঙ্কিত হবেন না। এই দূর্যোগে রক্ষা পেতে সাধারণভাবে কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিন।
১: নিজেকে এবং পরিবারকে রক্ষা করুন
ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব কয়েক সেকেণ্ড হতে সর্বোচ্চ মিনিটখানেক। এই সময়ে ঘরে অবস্থান করলে টেবিল বা ডেস্কের নিচে সপরিবারে অবস্থান নিন। আপনার মাথায় কোনকিছুর আঘাত পাওয়া থেকে রক্ষা পাবেন।
২: গ্যাস, তেল বা ইলেক্ট্রিক চুলা দ্রুত বন্ধ করুন
ভূমিকম্পের সময় আগুন লেগে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান অনেক বেড়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে যত দ্রুত সম্ভব রান্না ঘরের গ্যাস, তেল বা ইলেক্ট্রিক চুলা বন্ধ করুন। মনে রাখবেন যত ছোট ভূমিকম্পই হোক না কেন চুলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
৩: তাড়াহুড়ো করে বাইরে বেড় হবেন না
ভূমিকম্পের সময় তাড়াহুড়ো করে বাইরে বেড় হতে গেলে ভীড়ে চাপা পড়ে বা উপর হতে মাথায় কিছু পড়ে আহত হতে পারেন। এই জন্য তাড়াহুড়ো না করে ধীর স্থিরভাবে আশপাশ পর্যবেক্ষণ করে তারপর বাইরে বেড় হবার চেষ্টা করুন।
earthquake-6
৪: দরজা খোলার ব্যবস্থা করুন
দালানে বসবাসকারীদের প্রধান সমস্যা হয় ভূমিকম্পের সময় দরজা আটকে বন্দী হয়ে যাওয়া। এইজন্য বাইরে যাবার দরজাটি খোলার ব্যবস্থা করুন।
৫: মাথা রক্ষা করুন
ভূমিকম্পের সময় বহুতল ভবন হতে বাইরে বেড় হবার সময় অনেকেই উপর হতে কোন কিছু পড়ে মাথায় আঘাত পেয়ে থাকেন। এটা এড়াতে বাইরে বেড় হবার সময় মাথার উপর শক্ত বোর্ড বা ট্রে জাতীয় কিছু ধরে রাখুন। এতে করে উপর থেকে কিছু পড়লেও আপনার মাথায় আঘাত লাগবে না। বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় ভূমিকম্প হলে বালিশটি মাথার নীচ হতে মাথার ওপরে আনুন।
earthquake-7
৬: সিনেমা হল বা ডিপার্টমেণ্টাল স্টোরের মত পাবলিক প্লেসে করনীয়
সিনেমা হল, অডিটোরিয়াম, ডিপার্টমেণ্টাল স্টোর, রেল স্টেশন বা এয়ারপোর্টের মত পাবলিক প্লেসে থাকলে সেখানে কর্তব্যরত নিরাপত্তা কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের পরামর্শ অনুসরন করুন।
৭: গাড়ি বামদিকে পার্ক করুন
ভূমিকম্পের সময় আপনি যদি গাড়ি চালানো অবস্থায় থাকেন তাহলে ধীরে ধীরে আপনার গাড়িটি রাস্তার বামপাশে পার্ক করুন। কোন অবস্থাতেই ভূমিকম্পের সময় গাড়ি চালাবেন না।
earthquake-8
৮: পাহাড়ী রাস্তায় ভূমিধ্বস এবং গড়িয়ে পড়া পাথর খেয়াল করুন
ভূমিকম্পের সময় আপনার গাড়িটি পাহাড়ী এলাকায় থাকলে ভূমিধ্বস এবং গড়িয়ে পড়া পাথরের আঘাত এড়াতে নিরাপদ স্থানে গাড়িটি পার্ক করুন।
৯: উপদ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে হাটুন
ভূমিকম্প উপদ্রুত এলাকা হতে নিরাপদ এলাকায় সরে যাবার জন্য গাড়ি ব্যবহার করার চেয়ে পায়ে হাটা অনেক নিরাপদ।
earthquake-9
১০: গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না
ভূমিকম্পের সময় গুজব বা ভুল তথ্যের কারনে অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকে বিপদ ডেকে আনেন। এজন্য সঠিক তথ্য পেতে রেডিও/টিভির বুলেটিন শুনুন।
ভূমিকম্পের সময় করনীয় বিষয়ক একটি আত্মরক্ষমূলক গাইডের লিংক নীচে দেয়া হলো এটি ডাউনলোড করে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন।
http://www.seikatubunka.metro.tokyo.jp/index3files/survivalmanual.pdf
(১৮, মার্চ, ২০১২)
Friday, 1 January 2016
ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট
টেস্ট আঙিনায় ১৫ বছর পার করেছে বাংলাদেশ। এ সময়ে টেস্ট খেলুড়ে আটটি দেশই আতিথেয়তা দিয়েছে বাংলাদেশকে। এ তালিকায় কেবল খালি পড়ে আছে ভারতের ঘরটাই। অথচ বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। এরপর দুই দল খেলেছে আরও ৭ টেস্ট। প্রতিটিই হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে।
তবে এ বছর আগস্টে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের একটি টেস্ট খেলার কথা শোনা যাচ্ছে অনেক দিন ধরেই। যদিও ভেন্যু-সূচি নির্ধারণ হয়নি কিছুই। তবে কলকাতার একটি জনপ্রিয় পত্রিকা খবর প্রকাশ করেছে, আগস্টে হতে যাওয়া ওই টেস্টের ভেন্যু কলকাতার ইডেন গার্ডেন। যদিও এর আগে শোনা গিয়েছিল, বর্ষা মৌসুমের কারণে ম্যাচটি ভারতের দক্ষিণে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে আনন্দবাজার পত্রিকার খবর, টেস্টটি হবে ইডেনে।
ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম এই ভেন্যুতে বাংলাদেশ সর্বশেষ খেলেছিল সেই ১৯৯০ সালে। সে বছর এশিয়া কাপের ম্যাচটিতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অবশ্য ছিল শ্রীলঙ্কা। ম্যাচটি হেরে গেলেও ৭৮ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন আতহার আলী খান। সেটিই ছিল প্রথম কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের ম্যাচ সেরা হওয়ার ঘটনা। এরপর ভারতে আরও সাতটি ওয়ানডে খেললেও কখনো ইডেনে খেলা হয়নি বাংলাদেশের।
অবশ্য এ ব্যাপারে কিছু নির্ধারিত হয়নি বলেই জানালেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী, ‘এ ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। খেলাটা কোথায় হবে, এটা আসলে আয়োজক দেশই বলবে। ইডেনে ম্যাচ হওয়া নিয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব আসেনি আমাদের কাছে। কাজেই এ মুহূর্তে বলতে পারছি না—টেস্টে কবে আর কোথায় হবে।’
ইডেনে টেস্ট হবে কি না, সেটা নিশ্চিত না হলেও ক্রিকেটের বিখ্যাত এ ভেন্যুতে বাংলাদেশ খেলার সুযোগ পেতে পারে মার্চে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই। ধর্মশালায় বাছাই পর্বে উতরে যেতে পারলেই মূল পর্বে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচই খেলবে ইডেনে। সেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে অপেক্ষা করছে পাকিস্তান।
তবে এ বছর আগস্টে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের একটি টেস্ট খেলার কথা শোনা যাচ্ছে অনেক দিন ধরেই। যদিও ভেন্যু-সূচি নির্ধারণ হয়নি কিছুই। তবে কলকাতার একটি জনপ্রিয় পত্রিকা খবর প্রকাশ করেছে, আগস্টে হতে যাওয়া ওই টেস্টের ভেন্যু কলকাতার ইডেন গার্ডেন। যদিও এর আগে শোনা গিয়েছিল, বর্ষা মৌসুমের কারণে ম্যাচটি ভারতের দক্ষিণে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে আনন্দবাজার পত্রিকার খবর, টেস্টটি হবে ইডেনে।
ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম এই ভেন্যুতে বাংলাদেশ সর্বশেষ খেলেছিল সেই ১৯৯০ সালে। সে বছর এশিয়া কাপের ম্যাচটিতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অবশ্য ছিল শ্রীলঙ্কা। ম্যাচটি হেরে গেলেও ৭৮ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন আতহার আলী খান। সেটিই ছিল প্রথম কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের ম্যাচ সেরা হওয়ার ঘটনা। এরপর ভারতে আরও সাতটি ওয়ানডে খেললেও কখনো ইডেনে খেলা হয়নি বাংলাদেশের।
অবশ্য এ ব্যাপারে কিছু নির্ধারিত হয়নি বলেই জানালেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী, ‘এ ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। খেলাটা কোথায় হবে, এটা আসলে আয়োজক দেশই বলবে। ইডেনে ম্যাচ হওয়া নিয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব আসেনি আমাদের কাছে। কাজেই এ মুহূর্তে বলতে পারছি না—টেস্টে কবে আর কোথায় হবে।’
ইডেনে টেস্ট হবে কি না, সেটা নিশ্চিত না হলেও ক্রিকেটের বিখ্যাত এ ভেন্যুতে বাংলাদেশ খেলার সুযোগ পেতে পারে মার্চে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই। ধর্মশালায় বাছাই পর্বে উতরে যেতে পারলেই মূল পর্বে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচই খেলবে ইডেনে। সেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে অপেক্ষা করছে পাকিস্তান।
horoscopes
চলে এলো নতুন আরেকটি বছর। আশা-নিরাশা, সফলতা-ব্যর্থতা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিতে কেটেছে ২০১৫ সাল। আর পিছনে ফিরে কী লাভ? এখন তাকাতে হবে ভবিষ্যতের দিকে। কী হবে এই বছর। কেমন কাটবে ২০১৬ সাল। আসুন জ্যোতিষ সন্দীপ কোচারের মতানুসারে জেনে নেই কেমন যাবে ২০১৬।
মেষরাশি (২১ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল)
মঙ্গল গ্রহ শুধু আস্থা, স্বতঃস্ফূর্ত আচরণের জন্য প্রতীক হিসেবে কাজ করে না, বরং তা যোদ্ধা হিসেবেও কাজ করে। এটি এমন একটি যোদ্ধা, যারা সততা এবং ধারাবাহিকভাবে কাজ করে। সে কোনো কিছু প্রকৃতির উপর ছেড়ে দেয় কিন্তু কোনো বিষয় অমীমাংসিত রাখা তার পছন্দ নয়। তবে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে পেশাদার জীবনকে কখনওই গুলিয়ে ফেলবেন না। আপনাকে হয়ত অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে। বিবাহের যোগও আছে এই বছরে। নতুন ব্যবসা করতেই পারেন। সেক্ষেত্রে লাভ হবে আপনার। তবে এই বছরে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের মনের কথা অবশ্যই শুনুন। কারণ এই বছর আপনার জন্য খুবই লাভবান হতে চলেছে। স্যাফরন হল আপনার লাকি রঙ এবং ৮ হল লাকি সংখ্যা।
বৃষরাশি (২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে)
শুক্রগ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হলেন বৃষরাশি অন্তর্ভুক্ত জাতক-জাতিকারা। বৃষরাশির অধিকাংশ জাতক জাতিকারা জড়বাদী হয় এবং সবকিছুতেই পরিবেশনা করার জন্য প্রস্তুত। যাইহোক, তারা খুব সংবেদনশীল এবং প্রায়ই তাদের আবেগের নিকট পরাজিত হয়। অধ্যবসায় তাদের আদর্শ যার দ্বারা তারা তাদের লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে থাকে। বছরের প্রথমার্ধ খুবই ভালো কাটবে আপনার। ভালোবাসার দ্বারা প্রভাবিত থাকবেন আপনি। প্রথমার্ধে বিদেশ যাত্রার যোগ আছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই লাভবান এই বছর। ছেলে-মেয়ের দ্বারা মুখ উজ্জ্বল হবে আপনাদের। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। অবসাদে ভুগতে হতে পারে আপনাকে। তাই একটু প্রথমার্ধে খরচের প্রতি সজাগ থাকুন। তাহলেই দ্বিতীয়ার্ধে খুব বেশি সমস্যা হবে না। তবে এই বছরে একটু ব্যালেন্স করে চলতে হবে আপনাকে। আপনার লাকি রঙ সিলভার এবং লাকি সংখ্যা ৮।
মিথুনরাশি (২১ মে থেকে ২০ জুন)
মিথুন রাশির জাতক-জাতিকারা সবসময় নতুন জিনিস শিখতে চায়, তাই তাদের সাধারণ জ্ঞান খুবই ভালো যদিও তা ভাসা-ভাসা। তারা নতুন কিছু আবিষ্কার করতে ভালোবাসে এবং তারা যদি গুরুত্বপূর্ণ কিছু পায় তবে তাতে গভীর মনোনিবেশ করে। সব সময় একটি হ্যাঁবাচক মনোভাব থাকে মিথুনরাশি অন্তর্ভুক্ত মানুষের। বছরের প্রথমার্ধ পরিপূর্ণ থাকবে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে। যার ফলে শেখার জায়গা থাকবে প্রবল। প্রচুর প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে পারেন আপনি। তাই যদি কোনো আইনি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, তাহলে সমস্ত দিক বিচার-বিবেচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন। মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে আপনার। তাই আগে থেকেই এই ব্যাপারে যথেষ্ট সজাগ থাকুন। মাথা ঠান্ডা রেখে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিন। এছাড়া নিজের শরীরের প্রতি খেয়াল রাখুন। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে নতুন প্রেম আসতে পারে আপনার জীবনে। এছাড়া যদি ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে দ্বিতীয়ার্ধ হল ব্যবসার জন্য একদম সঠিক সময়। তবে ব্যবসার ক্ষেত্রে কিছু বাধার সম্মুখীন হতে হলেও বছরের শেষে গিয়ে সবই ঠিক হয়ে যাবে। নীল আপনার জন্য খুবই উপকারী এবং ৯ হল আপনার লাকি সংখ্যা।
কর্কটরাশি (২১ জুন থেকে ২২ জুলাই)
এই রাশি চাঁদের সাথে সংযুক্ত। এই রাশির জাতক-জাতিকারা অনেক সংবেদনশীল, তাদের কাছে তাদের পরিবারই প্রধান। কর্কটরাশির মানুষদের যুদ্ধ করতে ও জয়ী হতে হয় না, অধিকাংশ সময় তারা দিবাস্বপ্ন দেখে, সংবেদনশীল, কল্পনাপ্রবণ, তাই তারা কোন কর্মপ্রচেষ্টার নেতা হতে পারে না। তবে খুব একটা মিশুক হন না এই রাশির মানুষরা। পরিচিত মানুষদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকলেও অপরিচিতদের সঙ্গে একেবারেই মিশতে পারেন না তারা। বছরের প্রথমার্ধ খুবই ভালো কাটবে। তবে যারা ব্যবসা করছেন তাদের ক্ষেত্রে এই বছর খুবই লাভবান। যদি কেউ নিজের ব্যবসায় উন্নতি করতে চান তাহলে সাফল্য আসবেই। লেখক, মার্কেটিং, মিডিয়া এবং ট্রাভেলের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জন্য এই বছর খুবই কার্যকরী হবে। বিয়ের যোগও আসতে পারে এই বছরেই। ক্যারিয়ারের দিক থেকেও যথেষ্ট সাফল্য পাবেন আপনি। তবে শান্তভাবে সমস্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে বছরের প্রথমার্ধে যদি কোনো টাকার সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে তা ঠিক হয়ে যাবে। এছাড়া বিদেশ যাত্রার যোগও আছে বছরের মাঝে। বিষয় সম্পত্তি নিয়ে কোনো জটিল সমস্যা থাকলে তা মিটে যাবে এ বছরেই। নিজের রাগকে দূরে রেখে শান্তভাবে প্রতিটি পদক্ষেপ নিলে সাফল্য আপনার সাথী হয়ে উঠবে। মেরুন আপনার লাকি রঙ এবং ৯ হল লাকি সংখ্যা।
সিংহরাশি (২৩ জুলাই থেকে ২২ অগাস্ট)
সূর্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে থাকেন এই রাশির অন্তর্ভুক্ত মানুষরা। সিংহ রাশির জাতক-জাতিকারা উদার এবং তারা আকাশ ছুঁতে চান। তারা সবসময় পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন যা খুবই ভালো, কিন্তু কখনো কখনো অসাধ্য। তারা অর্থ ভালোবাসে কেননা তা তাদেরকে স্বাধীনতা দেয়। বছরের প্রথমার্ধে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে সিংহরাশির জাতক-জাতিকার। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে কিছু আইনসংক্রান্ত কাজের মধ্যে ফেঁসে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি তার থেকে রক্ষাও পেয়ে যাবেন। সিংহরাশির জাতকেরা খুব তাড়াতাড়ি প্রেমে পড়তে পারেন। এছাড়া নতুন বাড়ি, গাড়ি কেনার সম্ভাবনাও আছে এ বছরেই। ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি হবে আপনার। কিন্তু কোনো শর্টকাট নিলেই হয়ে গেল। টাকা নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না। আপনার ভালোবাসার মানুষের প্রতি বিশ্বস্ত থাকবেন। কোনো খাবার খাওয়ার সময় সজাগ থাকবেন। কারণ পেটের সমস্যায় ভুগতে পারেন আপনি। লেমন হল আপনার লাকি রঙ এবং ১ হল লাকি সংখ্যা।
কন্যারাশি (২৩ অগাস্ট থেকে ২২ সেপ্টেম্বর)
এই রাশির জাতক-জাতিকারা বুধগ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন। কুটিল, বুদ্ধিমান এবং বাস্তববাদী জাতক-জাতিকাদের মধ্যে জানার আগ্রহ থাকে লক্ষ্য করার মতই। এছাড়া অবহেলা এবং বিশৃঙ্খলাকে যথেষ্ট ঘৃণা করে এরা। তারা স্বার্থপর হলেও প্রথমে তাদের বিনয়ী বলে মনে হয়। তারা সাধারণত স্বল্পভাষী হয়ে থাকেন। বছরের প্রথমভাগ বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে খুবই লাভবান হবে। কোনো নতুন ব্যবসা যদি শুরু করতে চান তাহলে এই বছর তাদের জন্য খুবই উল্লেখযোগ্য। তবে যারা এখনও একা আছেন তাদের জন্য প্রেম বারে বারে আসতে পারে। কন্যারাশির জাতক-জাতিকাদের ক্ষেত্রে পার্পেল রঙ এবং ৭ সংখ্যাটি খুবই লাকি।
তুলারাশি (২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ অক্টোবর)
এই রাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত শুক্রগ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হন। সততা ও দায়িত্বশীলতা তাদের বৈশিষ্ট্য। তারা সাধারণত, সহানুভূতিশীল, বিশ্বপ্রেমিক ও বন্ধুভাবাপন্ন। প্রেম কিন্তু বারে বারে হাতছানি দিয়ে ডাকতে পারে আপনাকে। তাই যারা কোনও সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত আছেন তারা খুব সাবধানে থাকবেন। এই বছরে একটু শান্ত হয়ে কাজ করবেন। কোনো খারাপ সঙ্গে না পড়ে খুব সাবধানে থাকুন। যেকোনো শর্টকাট সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত বিচার বিবেচনা করে তারপরেই নিন। সব থেকে বড় ব্যাপার শর্টকাট না নেওয়াই খুব ভালো। এই বছরে আপনার সবথেকে লাকি রঙ নীল এবং লাকি সংখ্যা হল ২।
বৃশ্চিকরাশি (২৩ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর)
মঙ্গল গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন বৃশ্চিকরাশির জাতক-জাতিকারা। এরা সাধারণত বিপরীত চরিত্রের হয়ে থাকেন। তবে ২০১৬ সাল এই জাতক-জাতিকাদের ক্ষেত্রে একটি মিশ্র সাল হবে। ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবন খুব একটা ভালো কাটবে না। মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে আপনার। কাজের সূত্রে নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে অনেক দূরে যাত্রা করতে হতে পারে আপনাকে। কথার জন্য আপনার শত্রু বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে আপনার কাছের মানুষকে কখনোই ছেড়ে যাবেন না। কারণ সেই খারাপ সময় একমাত্র আপনাকে সাহায্য করতে পারে আপনার এই কাছের মানুষই। বছরের দ্বিতীয়ার্ধ খুবই ভালো কাটবে পাওনার। ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রে প্রচুর ভালো খবর পাবেন আপনি। প্রথমার্ধে যদি টাকার কোনো সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে দ্বিতীয়ার্ধে এই টাকার সমস্যা সম্পূর্ণভাবে কেটে যাবে। বিদেশ যাত্রার সুযোগ থাকবে আপনার। ছেলে-মেয়ের জন্য মুখ উজ্জ্বল হতে পারে আপনার। তাই প্রথমার্ধে ভেঙে না পড়ে শান্ত হয়ে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিন। বেগুনি হল আপনার লাকি রঙ এবং ৬ সংখ্যাটি আপনার জন্য খুবই লাকি।
ধনুরাশি (২২ নভেম্বর থেকে ২১ ডিসেম্বর)
ধনুরাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত বৃহস্পতির প্রভাবে প্রভাবিত থাকেন। একটি মিশ্রিত বছর হল এই ২০১৬। বৃহস্পতির প্রভাবের জন্য অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্খী হয়ে থাকেন ধনুরাশির অন্তর্ভুক্ত জাতক জাতিকারা। এই বছরে ক্যারিয়ারের দিক থেকে যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করবেন আপনি। বিশেষত বছরের শেষ দিকে আপনার সঙ্গী হয়ে উঠবে সাফল্য। এই সালে আপনার কোনো কাছের বন্ধুর থেকে সাহায্য নিতে পারেন আপনি। যার পরামর্শ মেনেই বিনিয়োগ করবেন। বিনিয়োগের জন্য খুবই আদর্শ এই সাল। আপনার কাছের ক্ষেত্রেও কোনো সিনিয়রের সাহায্যের ফলে নতুন করে কাজে উৎসাহ পাবেন আপনি। আপনার সুখের কারণে বেশ কয়েকটি শত্রুও তৈরি হতে পারে। যারা এখনো পর্যন্ত একা আছেন তাদের ক্ষেত্রে একটি সুখবর। প্রেম আপনার জীবনে পা রাখতে পারে ২০১৬ সালের গরমের দিনগুলোতে। আর যারা এখন প্রেম করছেন তারা চুটিয়ে প্রেম করে যান। মাঝে মধ্যে ঝগড়া হলেও খুব একটা অসুবিধা হবে না। এই বছরটি প্রেম এবং ক্যারিয়ারের মেলবন্ধনে খুবই ভালো যাবে আপনার। তবে এই বছরের সেপ্টেম্বর মাস আপনার জীবনে অনেকগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসবে। যদি আপনি মনে করেন নিজের চাকরি নিয়ে খুব একটা সুখী নন, তাহলে চাকরি পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বর মাসই হল একদম আদর্শ। তবে এই বছরের অক্টোবর মাসে নিজের চাকরিজীবনে কিছু ভুল পদক্ষেপ নিয়ে ফেলবেন আপনি। আপনার সেই ভুল শুধরে দেবেন আপনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে কর্মক্ষেত্রে যতই সমস্যার সম্মুখীন হোন না কেন কখনোই মেজাজ খারাপ করবেন না। বিরক্তি যেন ছুঁতেই না পারে আপনাকে। তারপর বছরের শেষে গিয়ে আবার সমস্ত কিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে। এই বছরের নানান উত্থান-পতন আপনার ব্যক্তিত্বকে শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করবে। পান্না আপনার জন্য খুবই কার্যকরি এবং আপনার লাকি সংখ্যাটি হল ৩।
মকররাশি (২২ ডিসেম্বর থেকে ১৯ জানুয়ারি)
এই রাশির অন্তর্ভুক্ত জাতক-জাতিকারা সাধারণত নিঃসঙ্গ হয়ে থাকেন। জীবনের প্রতি বাস্তববাদী হয়ে থাকেন। এছাড়া নিজেদের সুবিধার জন্যই সবকিছুকে কাজে লাগাতে ভালবাসেন। খুবই সহজ, শান্ত এবং উদাসীন স্বভাবের হয়ে থাকেন। মকররাশিভুক্ত মানুষেরা খুবই কৃপণ হন। তাই টাকার অভাব খুব একটা না থাকলেও বেশিরভাগ সময় না খেয়ে টাকা জমিয়ে রাখতেই বেশি পছন্দ করেন। যার জন্য এদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। অনেক সময় তারা গভীর প্রেমে পড়লেও দুর্ভাগ্যের কারণে সেই প্রেম সফলতা পায় না। হতাশা এবং মতানৈক্য তার প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। যদি আপনি আপনার সেভিং অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা জমিয়ে রাখেন তাহলে সেগুলি খরচ করার আদর্শ সময় হল ২০১৬ সাল। আপনার লাকি রঙ হল ক্রিমসন এবং লাকি সংখ্যা হল ৬।
কুম্ভরাশি (২০ জানুয়ারি থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি)
কুম্ভরাশির জাতক-জাতিকারা শনি এববং ইউরেনাস গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন। তারা অত্যন্ত গুরুগম্ভীর এবং মিশুক হয়ে থাকেন। কোনো মত নেওয়ার পরেই মত পরিবর্তন করতে এরা সিদ্ধহস্ত। তারা মনে মনে অনেক কিছু চিন্তা-ভাবনা করলেও তা বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে অপারগ হন। কারণ মত পরিবর্তন করার জন্য কখনো এই কাজ ভালো লাগলেও কিছুদিন বাদে তাদের অন্য কাজ সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। তারা খুব একটা কঠিন কাজ করতে পছন্দ করেন না। অন্যের সাহায্য নিয়ে কোনো কাজ করতে তারা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। কুম্ভরাশির জাতক-জাতিকাদের একটি নেতিবাচক মানসিকতা থাকে। তাই বিভিন্ন ধরনের মানুষের সঙ্গে কথা বলা খুবই দরকার। সাফল্য আপনার সব সময়ের সাথী হলেও সেক্ষত্রে কিছু বাধার সম্মুখীন হতে হবে আপনাকে। সোনালি হল ২০১৬ সালে আপনার লাকি রঙ এবং আপনার লাকি সংখ্যাটি হল ৪।
মীনরাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চ)
মীনরাশির অন্তর্ভুক্ত জাতক-জাতিকারা জুপিটার এবং নেপচুন গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত। উদার, বন্ধুভাবাপন্ন এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন এরা। এদের সবজান্তাভাব অন্য মানুষকে বিরক্ত করে তোলে। এছাড়া কর্মচঞ্চল স্বভাবের জন্য অনেকেই এদের নার্ভাস বা অমনোযোগী বলে ভুল বুঝে থাকেন। বছরের প্রথমভাগ খুবই আধ্যাত্মিক চিন্তা-ভাবনার দ্বারা প্রভাবিত হবেন। যার ফলে একটি পজিটিভ এনার্জি পাবেন আপনি। যদি প্রেম করে থাকেন তাহলে চুটিয়ে প্রেম করতে থাকুন। কারণ বছরের প্রথমার্ধের খারাপ সময় কাটানোর সময় কেবল আপনার কাছের মানুষটিই আপনার পাশে থাকবেন। বছরের দ্বিতীয়ার্ধ প্রচুর কাজের দ্বারা পরিপূর্ণ হয়ে থাকবে। তাই আপনাকে সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়া দ্বিতীয়ার্ধেই সাফল্য আপনার সাথী হয়ে থাকবে। আপনার ছেলে-মেয়ের দ্বারা মুখ উজ্জ্বল হবে। সন্তানও লাভ করতে পারবেন। এছাড়া অভিনেতা, খেলোয়াড় এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি আপনার ব্যবসায় লগ্নি করতে চান তাহলে এ বছর আপনার জন্য খুবই উপকারী হবে। তাই খুব শান্তভাবে বিচার-বিবেচনা করার পরেই সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। আপনার লাকি রঙ লাল এবং লাকি সংখ্যা হল ৫।
মঙ্গল গ্রহ শুধু আস্থা, স্বতঃস্ফূর্ত আচরণের জন্য প্রতীক হিসেবে কাজ করে না, বরং তা যোদ্ধা হিসেবেও কাজ করে। এটি এমন একটি যোদ্ধা, যারা সততা এবং ধারাবাহিকভাবে কাজ করে। সে কোনো কিছু প্রকৃতির উপর ছেড়ে দেয় কিন্তু কোনো বিষয় অমীমাংসিত রাখা তার পছন্দ নয়। তবে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে পেশাদার জীবনকে কখনওই গুলিয়ে ফেলবেন না। আপনাকে হয়ত অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে। বিবাহের যোগও আছে এই বছরে। নতুন ব্যবসা করতেই পারেন। সেক্ষেত্রে লাভ হবে আপনার। তবে এই বছরে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের মনের কথা অবশ্যই শুনুন। কারণ এই বছর আপনার জন্য খুবই লাভবান হতে চলেছে। স্যাফরন হল আপনার লাকি রঙ এবং ৮ হল লাকি সংখ্যা।
বৃষরাশি (২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে)
শুক্রগ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হলেন বৃষরাশি অন্তর্ভুক্ত জাতক-জাতিকারা। বৃষরাশির অধিকাংশ জাতক জাতিকারা জড়বাদী হয় এবং সবকিছুতেই পরিবেশনা করার জন্য প্রস্তুত। যাইহোক, তারা খুব সংবেদনশীল এবং প্রায়ই তাদের আবেগের নিকট পরাজিত হয়। অধ্যবসায় তাদের আদর্শ যার দ্বারা তারা তাদের লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে থাকে। বছরের প্রথমার্ধ খুবই ভালো কাটবে আপনার। ভালোবাসার দ্বারা প্রভাবিত থাকবেন আপনি। প্রথমার্ধে বিদেশ যাত্রার যোগ আছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই লাভবান এই বছর। ছেলে-মেয়ের দ্বারা মুখ উজ্জ্বল হবে আপনাদের। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। অবসাদে ভুগতে হতে পারে আপনাকে। তাই একটু প্রথমার্ধে খরচের প্রতি সজাগ থাকুন। তাহলেই দ্বিতীয়ার্ধে খুব বেশি সমস্যা হবে না। তবে এই বছরে একটু ব্যালেন্স করে চলতে হবে আপনাকে। আপনার লাকি রঙ সিলভার এবং লাকি সংখ্যা ৮।
মিথুনরাশি (২১ মে থেকে ২০ জুন)
মিথুন রাশির জাতক-জাতিকারা সবসময় নতুন জিনিস শিখতে চায়, তাই তাদের সাধারণ জ্ঞান খুবই ভালো যদিও তা ভাসা-ভাসা। তারা নতুন কিছু আবিষ্কার করতে ভালোবাসে এবং তারা যদি গুরুত্বপূর্ণ কিছু পায় তবে তাতে গভীর মনোনিবেশ করে। সব সময় একটি হ্যাঁবাচক মনোভাব থাকে মিথুনরাশি অন্তর্ভুক্ত মানুষের। বছরের প্রথমার্ধ পরিপূর্ণ থাকবে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে। যার ফলে শেখার জায়গা থাকবে প্রবল। প্রচুর প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে পারেন আপনি। তাই যদি কোনো আইনি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, তাহলে সমস্ত দিক বিচার-বিবেচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন। মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে আপনার। তাই আগে থেকেই এই ব্যাপারে যথেষ্ট সজাগ থাকুন। মাথা ঠান্ডা রেখে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিন। এছাড়া নিজের শরীরের প্রতি খেয়াল রাখুন। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে নতুন প্রেম আসতে পারে আপনার জীবনে। এছাড়া যদি ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে দ্বিতীয়ার্ধ হল ব্যবসার জন্য একদম সঠিক সময়। তবে ব্যবসার ক্ষেত্রে কিছু বাধার সম্মুখীন হতে হলেও বছরের শেষে গিয়ে সবই ঠিক হয়ে যাবে। নীল আপনার জন্য খুবই উপকারী এবং ৯ হল আপনার লাকি সংখ্যা।
কর্কটরাশি (২১ জুন থেকে ২২ জুলাই)
এই রাশি চাঁদের সাথে সংযুক্ত। এই রাশির জাতক-জাতিকারা অনেক সংবেদনশীল, তাদের কাছে তাদের পরিবারই প্রধান। কর্কটরাশির মানুষদের যুদ্ধ করতে ও জয়ী হতে হয় না, অধিকাংশ সময় তারা দিবাস্বপ্ন দেখে, সংবেদনশীল, কল্পনাপ্রবণ, তাই তারা কোন কর্মপ্রচেষ্টার নেতা হতে পারে না। তবে খুব একটা মিশুক হন না এই রাশির মানুষরা। পরিচিত মানুষদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকলেও অপরিচিতদের সঙ্গে একেবারেই মিশতে পারেন না তারা। বছরের প্রথমার্ধ খুবই ভালো কাটবে। তবে যারা ব্যবসা করছেন তাদের ক্ষেত্রে এই বছর খুবই লাভবান। যদি কেউ নিজের ব্যবসায় উন্নতি করতে চান তাহলে সাফল্য আসবেই। লেখক, মার্কেটিং, মিডিয়া এবং ট্রাভেলের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জন্য এই বছর খুবই কার্যকরী হবে। বিয়ের যোগও আসতে পারে এই বছরেই। ক্যারিয়ারের দিক থেকেও যথেষ্ট সাফল্য পাবেন আপনি। তবে শান্তভাবে সমস্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে বছরের প্রথমার্ধে যদি কোনো টাকার সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে তা ঠিক হয়ে যাবে। এছাড়া বিদেশ যাত্রার যোগও আছে বছরের মাঝে। বিষয় সম্পত্তি নিয়ে কোনো জটিল সমস্যা থাকলে তা মিটে যাবে এ বছরেই। নিজের রাগকে দূরে রেখে শান্তভাবে প্রতিটি পদক্ষেপ নিলে সাফল্য আপনার সাথী হয়ে উঠবে। মেরুন আপনার লাকি রঙ এবং ৯ হল লাকি সংখ্যা।
সিংহরাশি (২৩ জুলাই থেকে ২২ অগাস্ট)
সূর্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে থাকেন এই রাশির অন্তর্ভুক্ত মানুষরা। সিংহ রাশির জাতক-জাতিকারা উদার এবং তারা আকাশ ছুঁতে চান। তারা সবসময় পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন যা খুবই ভালো, কিন্তু কখনো কখনো অসাধ্য। তারা অর্থ ভালোবাসে কেননা তা তাদেরকে স্বাধীনতা দেয়। বছরের প্রথমার্ধে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে সিংহরাশির জাতক-জাতিকার। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে কিছু আইনসংক্রান্ত কাজের মধ্যে ফেঁসে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি তার থেকে রক্ষাও পেয়ে যাবেন। সিংহরাশির জাতকেরা খুব তাড়াতাড়ি প্রেমে পড়তে পারেন। এছাড়া নতুন বাড়ি, গাড়ি কেনার সম্ভাবনাও আছে এ বছরেই। ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি হবে আপনার। কিন্তু কোনো শর্টকাট নিলেই হয়ে গেল। টাকা নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না। আপনার ভালোবাসার মানুষের প্রতি বিশ্বস্ত থাকবেন। কোনো খাবার খাওয়ার সময় সজাগ থাকবেন। কারণ পেটের সমস্যায় ভুগতে পারেন আপনি। লেমন হল আপনার লাকি রঙ এবং ১ হল লাকি সংখ্যা।
কন্যারাশি (২৩ অগাস্ট থেকে ২২ সেপ্টেম্বর)
এই রাশির জাতক-জাতিকারা বুধগ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন। কুটিল, বুদ্ধিমান এবং বাস্তববাদী জাতক-জাতিকাদের মধ্যে জানার আগ্রহ থাকে লক্ষ্য করার মতই। এছাড়া অবহেলা এবং বিশৃঙ্খলাকে যথেষ্ট ঘৃণা করে এরা। তারা স্বার্থপর হলেও প্রথমে তাদের বিনয়ী বলে মনে হয়। তারা সাধারণত স্বল্পভাষী হয়ে থাকেন। বছরের প্রথমভাগ বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে খুবই লাভবান হবে। কোনো নতুন ব্যবসা যদি শুরু করতে চান তাহলে এই বছর তাদের জন্য খুবই উল্লেখযোগ্য। তবে যারা এখনও একা আছেন তাদের জন্য প্রেম বারে বারে আসতে পারে। কন্যারাশির জাতক-জাতিকাদের ক্ষেত্রে পার্পেল রঙ এবং ৭ সংখ্যাটি খুবই লাকি।
তুলারাশি (২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ অক্টোবর)
এই রাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত শুক্রগ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হন। সততা ও দায়িত্বশীলতা তাদের বৈশিষ্ট্য। তারা সাধারণত, সহানুভূতিশীল, বিশ্বপ্রেমিক ও বন্ধুভাবাপন্ন। প্রেম কিন্তু বারে বারে হাতছানি দিয়ে ডাকতে পারে আপনাকে। তাই যারা কোনও সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত আছেন তারা খুব সাবধানে থাকবেন। এই বছরে একটু শান্ত হয়ে কাজ করবেন। কোনো খারাপ সঙ্গে না পড়ে খুব সাবধানে থাকুন। যেকোনো শর্টকাট সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত বিচার বিবেচনা করে তারপরেই নিন। সব থেকে বড় ব্যাপার শর্টকাট না নেওয়াই খুব ভালো। এই বছরে আপনার সবথেকে লাকি রঙ নীল এবং লাকি সংখ্যা হল ২।
বৃশ্চিকরাশি (২৩ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর)
মঙ্গল গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন বৃশ্চিকরাশির জাতক-জাতিকারা। এরা সাধারণত বিপরীত চরিত্রের হয়ে থাকেন। তবে ২০১৬ সাল এই জাতক-জাতিকাদের ক্ষেত্রে একটি মিশ্র সাল হবে। ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবন খুব একটা ভালো কাটবে না। মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে আপনার। কাজের সূত্রে নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে অনেক দূরে যাত্রা করতে হতে পারে আপনাকে। কথার জন্য আপনার শত্রু বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে আপনার কাছের মানুষকে কখনোই ছেড়ে যাবেন না। কারণ সেই খারাপ সময় একমাত্র আপনাকে সাহায্য করতে পারে আপনার এই কাছের মানুষই। বছরের দ্বিতীয়ার্ধ খুবই ভালো কাটবে পাওনার। ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রে প্রচুর ভালো খবর পাবেন আপনি। প্রথমার্ধে যদি টাকার কোনো সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে দ্বিতীয়ার্ধে এই টাকার সমস্যা সম্পূর্ণভাবে কেটে যাবে। বিদেশ যাত্রার সুযোগ থাকবে আপনার। ছেলে-মেয়ের জন্য মুখ উজ্জ্বল হতে পারে আপনার। তাই প্রথমার্ধে ভেঙে না পড়ে শান্ত হয়ে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিন। বেগুনি হল আপনার লাকি রঙ এবং ৬ সংখ্যাটি আপনার জন্য খুবই লাকি।
ধনুরাশি (২২ নভেম্বর থেকে ২১ ডিসেম্বর)
ধনুরাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত বৃহস্পতির প্রভাবে প্রভাবিত থাকেন। একটি মিশ্রিত বছর হল এই ২০১৬। বৃহস্পতির প্রভাবের জন্য অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্খী হয়ে থাকেন ধনুরাশির অন্তর্ভুক্ত জাতক জাতিকারা। এই বছরে ক্যারিয়ারের দিক থেকে যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করবেন আপনি। বিশেষত বছরের শেষ দিকে আপনার সঙ্গী হয়ে উঠবে সাফল্য। এই সালে আপনার কোনো কাছের বন্ধুর থেকে সাহায্য নিতে পারেন আপনি। যার পরামর্শ মেনেই বিনিয়োগ করবেন। বিনিয়োগের জন্য খুবই আদর্শ এই সাল। আপনার কাছের ক্ষেত্রেও কোনো সিনিয়রের সাহায্যের ফলে নতুন করে কাজে উৎসাহ পাবেন আপনি। আপনার সুখের কারণে বেশ কয়েকটি শত্রুও তৈরি হতে পারে। যারা এখনো পর্যন্ত একা আছেন তাদের ক্ষেত্রে একটি সুখবর। প্রেম আপনার জীবনে পা রাখতে পারে ২০১৬ সালের গরমের দিনগুলোতে। আর যারা এখন প্রেম করছেন তারা চুটিয়ে প্রেম করে যান। মাঝে মধ্যে ঝগড়া হলেও খুব একটা অসুবিধা হবে না। এই বছরটি প্রেম এবং ক্যারিয়ারের মেলবন্ধনে খুবই ভালো যাবে আপনার। তবে এই বছরের সেপ্টেম্বর মাস আপনার জীবনে অনেকগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসবে। যদি আপনি মনে করেন নিজের চাকরি নিয়ে খুব একটা সুখী নন, তাহলে চাকরি পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বর মাসই হল একদম আদর্শ। তবে এই বছরের অক্টোবর মাসে নিজের চাকরিজীবনে কিছু ভুল পদক্ষেপ নিয়ে ফেলবেন আপনি। আপনার সেই ভুল শুধরে দেবেন আপনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে কর্মক্ষেত্রে যতই সমস্যার সম্মুখীন হোন না কেন কখনোই মেজাজ খারাপ করবেন না। বিরক্তি যেন ছুঁতেই না পারে আপনাকে। তারপর বছরের শেষে গিয়ে আবার সমস্ত কিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে। এই বছরের নানান উত্থান-পতন আপনার ব্যক্তিত্বকে শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করবে। পান্না আপনার জন্য খুবই কার্যকরি এবং আপনার লাকি সংখ্যাটি হল ৩।
মকররাশি (২২ ডিসেম্বর থেকে ১৯ জানুয়ারি)
এই রাশির অন্তর্ভুক্ত জাতক-জাতিকারা সাধারণত নিঃসঙ্গ হয়ে থাকেন। জীবনের প্রতি বাস্তববাদী হয়ে থাকেন। এছাড়া নিজেদের সুবিধার জন্যই সবকিছুকে কাজে লাগাতে ভালবাসেন। খুবই সহজ, শান্ত এবং উদাসীন স্বভাবের হয়ে থাকেন। মকররাশিভুক্ত মানুষেরা খুবই কৃপণ হন। তাই টাকার অভাব খুব একটা না থাকলেও বেশিরভাগ সময় না খেয়ে টাকা জমিয়ে রাখতেই বেশি পছন্দ করেন। যার জন্য এদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। অনেক সময় তারা গভীর প্রেমে পড়লেও দুর্ভাগ্যের কারণে সেই প্রেম সফলতা পায় না। হতাশা এবং মতানৈক্য তার প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। যদি আপনি আপনার সেভিং অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা জমিয়ে রাখেন তাহলে সেগুলি খরচ করার আদর্শ সময় হল ২০১৬ সাল। আপনার লাকি রঙ হল ক্রিমসন এবং লাকি সংখ্যা হল ৬।
কুম্ভরাশি (২০ জানুয়ারি থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি)
কুম্ভরাশির জাতক-জাতিকারা শনি এববং ইউরেনাস গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন। তারা অত্যন্ত গুরুগম্ভীর এবং মিশুক হয়ে থাকেন। কোনো মত নেওয়ার পরেই মত পরিবর্তন করতে এরা সিদ্ধহস্ত। তারা মনে মনে অনেক কিছু চিন্তা-ভাবনা করলেও তা বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে অপারগ হন। কারণ মত পরিবর্তন করার জন্য কখনো এই কাজ ভালো লাগলেও কিছুদিন বাদে তাদের অন্য কাজ সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। তারা খুব একটা কঠিন কাজ করতে পছন্দ করেন না। অন্যের সাহায্য নিয়ে কোনো কাজ করতে তারা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। কুম্ভরাশির জাতক-জাতিকাদের একটি নেতিবাচক মানসিকতা থাকে। তাই বিভিন্ন ধরনের মানুষের সঙ্গে কথা বলা খুবই দরকার। সাফল্য আপনার সব সময়ের সাথী হলেও সেক্ষত্রে কিছু বাধার সম্মুখীন হতে হবে আপনাকে। সোনালি হল ২০১৬ সালে আপনার লাকি রঙ এবং আপনার লাকি সংখ্যাটি হল ৪।
মীনরাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চ)
মীনরাশির অন্তর্ভুক্ত জাতক-জাতিকারা জুপিটার এবং নেপচুন গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত। উদার, বন্ধুভাবাপন্ন এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন এরা। এদের সবজান্তাভাব অন্য মানুষকে বিরক্ত করে তোলে। এছাড়া কর্মচঞ্চল স্বভাবের জন্য অনেকেই এদের নার্ভাস বা অমনোযোগী বলে ভুল বুঝে থাকেন। বছরের প্রথমভাগ খুবই আধ্যাত্মিক চিন্তা-ভাবনার দ্বারা প্রভাবিত হবেন। যার ফলে একটি পজিটিভ এনার্জি পাবেন আপনি। যদি প্রেম করে থাকেন তাহলে চুটিয়ে প্রেম করতে থাকুন। কারণ বছরের প্রথমার্ধের খারাপ সময় কাটানোর সময় কেবল আপনার কাছের মানুষটিই আপনার পাশে থাকবেন। বছরের দ্বিতীয়ার্ধ প্রচুর কাজের দ্বারা পরিপূর্ণ হয়ে থাকবে। তাই আপনাকে সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়া দ্বিতীয়ার্ধেই সাফল্য আপনার সাথী হয়ে থাকবে। আপনার ছেলে-মেয়ের দ্বারা মুখ উজ্জ্বল হবে। সন্তানও লাভ করতে পারবেন। এছাড়া অভিনেতা, খেলোয়াড় এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি আপনার ব্যবসায় লগ্নি করতে চান তাহলে এ বছর আপনার জন্য খুবই উপকারী হবে। তাই খুব শান্তভাবে বিচার-বিবেচনা করার পরেই সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। আপনার লাকি রঙ লাল এবং লাকি সংখ্যা হল ৫।
kkr 2016 with shakib
পাকিস্তান সিরিজের জন্য গতবার মাত্র ৪টি ম্যাচই খেলতে পেরেছিলেন। তাতে ব্যাট হাতে ৩৬ রান, আর বাঁহাতি স্পিনে ৪ উইকেট। কিন্তু টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডের বর্তমান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে এই চার ম্যাচ দিয়ে মাপতে যাওয়া ভুল। সেটা করেনি কলকাতা নাইট রাইডার্সও, পাকা জহুরির চোখ দিয়ে ঠিকই দলের রত্নকে চিনে নিয়েছে তারা। আগামী মৌসুমের আইপিএলের জন্য আবারও সাকিব আল হাসানকে দলে রেখে দিয়েছে দলটি।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে হবে এবারের আইপিএলের নিলাম। গতকাল ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলোর দল গুছিয়ে নেওয়ার শেষ দিন। কাকে রাখবে, কাকে ছেড়ে দেবে - এসবের তালিকা জমা দিতে হয়েছে গতকাল। তাতে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলে মোট ১০১ জন খেলোয়াড়কে দলে রেখে দিয়েছে, আর ছেড়ে দিয়েছে ৬১ জনকে।
ছেড়ে দেওয়ার তালিকায় আছে ডেল স্টেইন, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, যুবরাজ সিং, কেভিন পিটারসেনসহ অনেক বড় নাম। তবে এঁদের মধ্যে যুবরাজ আর ম্যাথুসের বিষয়টা একটু ভিন্ন। গতবারের নিলামে ভারতীয় ও বিদেশি দুই কোটায় সবচেয়ে দামি দুই খেলোয়াড় ছিলেন দিল্লির এই দুই খেলোয়াড়। অথচ এক মৌসুম পরই কিনা নতুন দলের খোঁজে নামতে হচ্ছে তাঁদের। অবশ্য গতবার যুবরাজ-ম্যাথুসের পারফরম্যান্সটাও ছিল আকাশচুম্বী দামের ঠিক বিপরীত দিকে। ১৩ ইনিংসে ২০-এরও কম গড়ে ২৪৮ রান যুবরাজের। বোলিং তো করেছেনই সাকল্যে ৯ ওভার। আর ম্যাথুস ১১ ম্যাচে ব্যাট হাতে ১৪৪ রানের সঙ্গে বল হাতে নিয়েছেন মাত্র ৭ উইকেট। ইকোনমি রেটও ছিল ৮.২০! এই দুজনকে ছেড়ে দিয়ে এবার অন্য কাউকে নিলাম থেকে টেনে নেবে দিল্লি। তবে পুরোটাই তো ভাগ্যের খেলা।
সাকিবকে নিয়ে এমন খেলায় নামতেই চায়নি কলকাতা। গতবারের পারফরম্যান্স হয়তো অতটা ভালো হয়নি, কিন্তু সাকিব দলে থাকা মানেই তো একটা নির্ভরতা। বল হাতে উইকেট নেওয়া, রান কমানোর ক্ষেত্রে সাকিবের হাতে বল তুলে দিয়ে কিছুটা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন অধিনায়ক। আর কোনো দিন যদি বোলিংটা ভালো না হয়, সে ক্ষেত্রে ক্ষতিটা পুষিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাটিং তো আছেই। এমন একজনকে কেন হাতছাড়া করতে চাইবে কলকাতা।
২০১১ আইপিএলে শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রথম কিনে নিয়েছিল সাকিবকে। সাধারণত চুক্তি ৩ বছরের হয়, এসময়ের মধ্যে দল না ছাড়লে ওই দলেই থাকেন একজন খেলোয়াড়। চুক্তির পুরো সময়টা সাকিবকে রেখে দিয়েছিল কলকাতা। ২০১৪ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষে ছেড়ে দিয়ে দিল্লির সঙ্গে তুমুল প্রতিযোগিতার পর আবারও ২ কোটি ৮০ লাখ রুপিতে বাংলাদেশি অলরাউন্ডারকে কিনে নিয়েছিল দুবারের আইপিএল জয়ী দলটি। তার ফল তো হাতেনাতেই পেল। ওই মৌসুমে ১৩ ম্যাচে সাকিবের ৩২.৪২ গড়ে ২২৭ রান আর ৬.৬৮ গড়ে ১১ উইকেট কলকাতাকে দ্বিতীয় আইপিএল শিরোপা জিততে সাহায্য করেছে।
চাইলে আরেকটা তথ্য থেকেও কলকাতার সাফল্যে সাকিবের প্রভাব বুঝে নিতে পারেন। ২০১১ সালে সাকিব কলকাতায় যোগ দেওয়ার আগের তিন মৌসুমে আইপিএলে কলকাতার পারফরম্যান্স ছিল এমন - ৮ দলের টুর্নামেন্টে দুইবার ষষ্ঠ, অন্যবার সবার শেষে। আর সাকিব যোগ দেওয়ার পর ৫ মৌসুমে দুবার চ্যাম্পিয়ন, আর একবার খেলেছে সেমিফাইনাল। সাফল্য পুরো দলেরই, তাতে গৌতম গম্ভীরের দায়িত্বশীল অধিনায়কত্ব কিংবা সুনীল নারাইনদের পারফরম্যান্সেরও অনেক অবদান। কিন্তু ব্যাটে-বলে সাকিব যেভাবে ভরসা জোগান, সেটি তাঁর মতো করে আর কে দিতে পারবে!
আইপিএলে এই পর্যন্ত ৫ মৌসুমে ৩২ ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। তাতে মূলত পাঁচ-ছয়ে নেমে ২১.২৮ গড়ে ৩৮৩ রান, আর বল হাতে ৩৮ উইকেট - সাকিবকে রেখে দেওয়ার কারণটা এই তথ্য থেকেই বুঝে নিতে পারেন। সূত্র: আইপিএল, ক্রিকইনফো।
সাকিবকে নিয়ে এমন খেলায় নামতেই চায়নি কলকাতা। গতবারের পারফরম্যান্স হয়তো অতটা ভালো হয়নি, কিন্তু সাকিব দলে থাকা মানেই তো একটা নির্ভরতা। বল হাতে উইকেট নেওয়া, রান কমানোর ক্ষেত্রে সাকিবের হাতে বল তুলে দিয়ে কিছুটা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন অধিনায়ক। আর কোনো দিন যদি বোলিংটা ভালো না হয়, সে ক্ষেত্রে ক্ষতিটা পুষিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাটিং তো আছেই। এমন একজনকে কেন হাতছাড়া করতে চাইবে কলকাতা।
২০১১ আইপিএলে শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রথম কিনে নিয়েছিল সাকিবকে। সাধারণত চুক্তি ৩ বছরের হয়, এসময়ের মধ্যে দল না ছাড়লে ওই দলেই থাকেন একজন খেলোয়াড়। চুক্তির পুরো সময়টা সাকিবকে রেখে দিয়েছিল কলকাতা। ২০১৪ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষে ছেড়ে দিয়ে দিল্লির সঙ্গে তুমুল প্রতিযোগিতার পর আবারও ২ কোটি ৮০ লাখ রুপিতে বাংলাদেশি অলরাউন্ডারকে কিনে নিয়েছিল দুবারের আইপিএল জয়ী দলটি। তার ফল তো হাতেনাতেই পেল। ওই মৌসুমে ১৩ ম্যাচে সাকিবের ৩২.৪২ গড়ে ২২৭ রান আর ৬.৬৮ গড়ে ১১ উইকেট কলকাতাকে দ্বিতীয় আইপিএল শিরোপা জিততে সাহায্য করেছে।
চাইলে আরেকটা তথ্য থেকেও কলকাতার সাফল্যে সাকিবের প্রভাব বুঝে নিতে পারেন। ২০১১ সালে সাকিব কলকাতায় যোগ দেওয়ার আগের তিন মৌসুমে আইপিএলে কলকাতার পারফরম্যান্স ছিল এমন - ৮ দলের টুর্নামেন্টে দুইবার ষষ্ঠ, অন্যবার সবার শেষে। আর সাকিব যোগ দেওয়ার পর ৫ মৌসুমে দুবার চ্যাম্পিয়ন, আর একবার খেলেছে সেমিফাইনাল। সাফল্য পুরো দলেরই, তাতে গৌতম গম্ভীরের দায়িত্বশীল অধিনায়কত্ব কিংবা সুনীল নারাইনদের পারফরম্যান্সেরও অনেক অবদান। কিন্তু ব্যাটে-বলে সাকিব যেভাবে ভরসা জোগান, সেটি তাঁর মতো করে আর কে দিতে পারবে!
আইপিএলে এই পর্যন্ত ৫ মৌসুমে ৩২ ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। তাতে মূলত পাঁচ-ছয়ে নেমে ২১.২৮ গড়ে ৩৮৩ রান, আর বল হাতে ৩৮ উইকেট - সাকিবকে রেখে দেওয়ার কারণটা এই তথ্য থেকেই বুঝে নিতে পারেন। সূত্র: আইপিএল, ক্রিকইনফো।
Subscribe to:
Comments (Atom)


