Friday, 18 March 2016

অমিতাভ রাষ্ট্রপতি হলে সেটা হবে গর্বের'

প্রণব মুখার্জী উত্তরসূরী হিসেবে অমিতাভ বচ্চনকে কি দেখবে ভারত? শুনতে অবাক লাগলেও এমনই প্রস্তাব দিয়েছেন অমিতাভের এক সময়ের সহকর্মী আর এখন বিজেপির সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের শত্রুঘ্ন বলেন, 'যদি অমিতাভ দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হন, তা হলে সেটা আমাদের গর্বের বিষয় হবে। সমাজ এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনেক মাইলস্টোন উনি ইতিমধ্যেই পেরিয়ে এসেছেন। তাই অমিতাভের নাম পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনায় আসতেই পারে।' তার আগে অবশ্য বিজেপির এই লোকসভা সদস্যকেই পরবর্তী প্রেসিডেন্টের আসনে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন স্বয়ং বিগ বি। তারই উত্তরে সৌজন্য রক্ষার্থে শত্রুঘ্ন সিনহা কি এ কথা বলেছেন? 'শান', 'কালোপাথর', 'দোস্তানা'-র মতো অনেক সুপারহিট ছবিতে দুই জনে এক সঙ্গে চুটিয়ে অভিনয় করেছেন। এর পর দুইজনের রাস্তা আলাদা হয়ে গেলেও অমিতাভ বচ্চন এবং শত্রুঘ্ন সিনহার একে অপরের প্রতি বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা থেকেই গিয়েছে। কয়েক দিন আগেই মুম্বাইতে শত্রুঘ্ন সিংহের জীবনী প্রকাশ করেছিলেন বিগ বি। সব মিলিয়ে সৌজন্যের আবহে কি সত্যিই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে অমিতাভের নাম ভাবা হবে? সূত্র: এনডিটিভি - See more at: http://bangla.samakal.net/2016/03/18/200327#sthash.tmtSDPqW.dpuf

Thursday, 17 March 2016

বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করবে বাংলাদেশ : অমিতাভ বচ্চন

বাংলাদেশের তরুণ ব্রিগেডকে তিনি যতই দেখছেন, ততই নাকি মুগ্ধ হচ্ছেন। বিশ্বের যে প্রান্তেই মাশরফিরা খেলুন না কেন, সেই ম্যাচ তিনি দেখবেনই। ভবিষ্যদ্বাণী করলেন, কয়েক বছরের মধ্যেই বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করবে বাংলাদেশ। সাকিব-মাশরফিদের এই নতুন ফ্যান আর কেউ নন, স্বয়ং বিগ বি। বাংলাদেশের সংবাদপত্র প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে অমিতাভ বলেন, “যে প্যাশান নিয়ে মুস্তাফিজুর, সাকিবরা বাইশ গজে নামছেন, তাতে মোহিত হয়ে যেতে হয়। এই ভাবে খেললে সে দিন আর বেশি দেরি নেই, যে দিন বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করবে বাংলাদেশ।” আইপিএলের দৌলতে সাকিবের খেলা দেখেছেন আগেই। “অসাধারণ খেলে এই ছেলেটা। এত বছর ধরে দেশের সেরা পারফর্মার। দলের প্রয়োজনে বল, ব্যাট সব কিছু দিয়েই পারফর্ম করতে তৈরি।”— বললেন বিগ বি। সিনিয়র বচ্চন উচ্ছ্বসিত মুস্তাফিজুরকে নিয়েও। “কী অসাধারণ বল করে ছেলেটা। আর কী প্যাশান ওর চোখেমুখে। ভবিষ্যতের তারকা হওয়ার যাবতীয় রসদ রয়েছে ওর মধ্যে।”— মত অমিতাভের। এ দিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে বাংলাদেশকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন অমিতাভ। কাজের ফাঁকে খেলা দেখবেন বলেও জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই নতুন ফ্যান। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/sport/2016/03/17/336853#sthash.FRQkcs6d.dpuf

dangerous rode

বিশ্বের সবচেয়ে বিপদসঙ্কুল রাস্তাগুলির একঝলক প্রকাশের সময়: Thu, Mar 17th, 2016 | ভিন্ন খবর / স্পট লাইট 2112 1 Karakoram-Highway-Pakistan ভিন্ন খবর ডেস্ক: পথে সঠিকভাবে চলতে গেলে, বিশেষ করে যদি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে যেতে হয়, তাহলে সিট বেল্ট বেঁধে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে, কম গতিতে গাড়ি চালালেই আর কোনও সমস্যা হওয়ার নয়। এপর্যন্ত সব ঠিকই রয়েছে। তবে পাহাড়ি রাস্তায় চলতে গেলে এসবের সঙ্গে অত্যন্ত বেশি করে মনোসংযোগ করা প্রয়োজন। তাহলেই অনায়াসে পাহাড়ের রাস্তায় আপনিই গাড়ি চালিয়ে দিব্যি মজা পাবেন। লে-লাদাখের দিকটাতে অনেকেই বাইক বা গাড়ি নিয়ে চালিয়ে এসেছেন। এমনকী উত্তরবঙ্গের রাস্তায়ও গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। তবে বিশ্বের কয়েকটি জায়গায় এমন কয়েকটি রাস্তা রয়েছে, সেখানে পাকা ড্রাইভাররাও গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে নেওয়ার আগে হাজারবার ভাবতে বাধ্য হবেন। আসুন দেখে নিন বিশ্বের এমন কিছু ভয়াবহ রাস্তার ছবি ও সঙ্গে কিছু তথ্য যা দেখলে হাড় হিম হওয়ার জোগাড় হবে।
ট্রান্স সাইবেরিয়ান হাইওয়ে, রাশিয়া সাত হাজার মাইল লম্বা এই রাস্তাটি মস্কো থেকে শুরু হয়ে ইয়াকুটস্কে গিয়ে শেষ হয়েছে। বর্ষার সময়ে কাদার পিচ্ছল এই রাস্তা রাশিয়ার মানুষের কাছে মুর্তিমান বিভীষিকা। ট্রান্সফাগারসন, রোমানিয়া ৫৬ মাইল দীর্ঘ এই রাস্তাটিতেও পদে পদে রয়েছে বিপদসঙ্কুল হেয়ারপিন বাঁক। জোজি লা পাস, ভারত পাহাড় কেটে তৈরি এই রাস্তাটির পদে পদে রয়েছে ভয়ঙ্কর বিপদ। ভারতের অন্যতম বিপদসহ্কুল রাস্তা এটি। তীব্র হাওয়া ও তুষারপাত এই এলাকায় গাড়ি চালানো অসম্ভব করে তোলে। তোরোকো জর্জ, তাইওয়ান পাহাড়ের গা ঘেঁষে যাওয়া এই রাস্তাটি বড় পাথরে কেটে তৈরি হয়েছে। কিছুটা পর পরই অন্ধ বাঁক রয়েছে এই রাস্তায়। বছরে অন্তত চারবার সাইক্লোন হয় এই এলাকায়। একইসঙ্গে ধস নেমে বিপদ নেমে আসে রাস্তায়। স্তেলভিও পাস, ইতালি এই হাইওয়েটি আল্পস পর্বতের মধ্য দিয়ে গিয়ে ইতালির লোম্বার্দি এলাকাকে অস্ট্রিয়ার সঙ্গে জুড়েছে। নৈগর্সিক সৌন্দর্য অসাধারণ হলেও এই রাস্তায় ৪৮ টি হেয়ারপিন বাঁক রয়েছে যা একে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। স্কিপার্স ক্যানিয়ন, নিউ জিল্যান্ড কিউয়ি গাড়ি বিক্রেতারা স্কিপার্স ক্যানিয়নে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ির ইনস্যুরেন্স কভার করে না। এতটাই ভয়ঙ্কর এই ১৩ মাইল রাস্তা। সিচুয়ান-তিব্বত হাইওয়ে, চিন ও তিব্বত অসাধারণ সুন্দর এই রাস্তাটি চিনের সাংহাইয়ে শুরু হয়ে ৩৪০০ মাইল গিয়ে শেষ হয়েছে তিব্বতে। এই রাস্তার পদে পদে রয়েছে হেয়ারপিন বাঁক যা এটিকে ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। নর্থ ইয়ুঙ্গাস রোড, বলিভিয়া বলিভিয়ার ৪০ মাইল দীর্ঘ এই রাস্তাটি ‘ডেথ রোড’ নামে খ্যাত। ঘন কুয়াশায় ঢাকা এই রাস্তায় গাড়ি চালানো মানে বিপদ ডেকে আনা। কাবুল, আফগানিস্তান তালিবান অধ্যুষিত এই এলাকার আরও বড় বিপদ হল এই রাস্তা। কাবুল থেকে জালালাবাদ পর্যন্ত বিস্তৃত এই রাস্তা পদে পদে বিপদ ডেকে আনে। ফেয়ারি মিডোস রোড, পাকিস্তান এমন নাম অথচ অত্যন্ত বিপদসঙ্কুল এই রাস্তাটি পৃথিবীর অন্যতম বিপদময় রাস্তা। এসপিনাসো দেল দিয়াবলো, মেক্সিকো ‘ডেভিলস ব্যাকবোন’ নামে খ্যাত ৬ মাইল লম্বা এই রাস্তার পদে পদে রয়েছে হেয়ারপিন বাঁক। তবে চারিপাশের শোভা এখানে অসাধারণ। ক্যানিং স্টক, অস্ট্রেলিয়া শুকনো মরুপ্রায় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত ১১৫০ মাইল এই রাস্তাটির পদে পদে রয়েছে বিপদ ও সৌন্দর্য। বিআর ১১৬, ব্রাজিল ব্রাজিলের দ্বিতীয় দীর্ঘতম হাইওয়ে এটি। ২৭২৫ মাইল দীর্ঘ এই রাস্তাটি ব্রাজিলে ‘দ্য হাইওয়ে অব ডেথ’ নামে খ্যাত। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে এই রাস্তাতেই। অ্যানি রোড, এরিট্রিয়া এরিট্রিয়াতে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ পথ দুর্ঘটনায় মারা যান এই রাস্তায়। তবে ধীরে ধীরে পথদুর্ঘটনার সংখ্যা এখানে কমার পথে। - See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/367544#sthash.uhV7HFVc.dpuf

Wednesday, 16 March 2016

অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া বন্ধের দারুন কার্যকরী ৩ টি উপায় জেনে নিন -

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ শীতকাল ঝেড়ে ফেলে প্রকৃতি সেজে উঠেছে বসন্তের সাজে। এখনই শুরু হয়ে গিয়েছে গরমকাল। গরম হাওয়া নিয়ে এসেছে শুষ্কতা এবং সেই সাথে গরমকালের কিছু বিরক্তিকর সমস্যা। গরমকালের বিরক্তিকর সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ঘেমে যাওয়া। অনেকেই অতিরিক্ত ঘেমে যান গরমকালে। ঘাম হওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া বন্ধ করতে সতর্ক থাকা উচিত। আজ জেনে নিন অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া বন্ধ করতে দারুণ কার্যকরী ঘরোয়া কিছু উপায়। ১) ভিনেগার ও তেল ১২০ মিলি লিটার লাল ভিনেগার ও ৩০ ফোঁটা তিলের তেল/অলিভ অয়েল/পিপারমিন্ট অয়েল একসাথে ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে মুখ শক্ত করে লাগিয়ে রাখুন। ১ সপ্তাহ বোতলটি না খুলে ঠাণ্ডা, শুষ্ক ও অন্ধকার স্থানে রেখে দিন যাতে মিশ্রণটি একসাথে মিশে যায়। এরপর ১ সপ্তাহ পর প্রতিবার গোসল করার সময় গোসলের পানিতে ৩ টেবিল চামচ এই মিশ্রণটি মিশিয়ে নিন। এতে করে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন। ২) আপেল সিডার ভিনেগার ও বেকিং সোডা ২ টেবিল চামচ আপেল সিডার ভিনেগার নিয়ে এতে ১/৮ চা চামচ বেকিং সোডা ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি দিনে ১ বার করে পান করুন, যদি ঘেমে যাওয়ার সমস্যা অতিরিক্ত হয় তাহলে সর্বচ্চো দিনে ৩ বার পান করতে পারবেন। কিন্তু চাইতে বেশি পান করবেন না। এতে করেও ফল পাবেন ভালো। ৩) বাথসল্ট আধা কাপ বোরাক্স, ১ কাপ সি সল্ট, ১ কাপ বেকিং সোডা এবং ১ কাপ তিলের তেল/অলিভ অয়েল/পিপারমিন্ট অয়েল একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। প্রতিবার গোসলের সময় ২ বালতি পানিতে মিশ্রণটির ১/৪ কাপ পরিমাণে মিশিয়ে নিন এবং তা দিয়ে গোসল করে নিন। এছাড়াও যদি পারেন তাহলে বাথটাবে গরম পানি দিয়ে এই মিশ্রণটি মিশিয়ে ২০ মিনিট গা ডুবিয়ে থাকুন। এতেও ভালো ফল পাবেন। - See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/367159#sthash.pQqrfSc6.dpuf

Tuesday, 15 March 2016

আমেরিকা কোনো সন্ত্রাসী হামলাই ঠেকাতে পারেনি: স্নোডেন

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা বা এনএসএ’র সাবেক কর্মকর্তা এডওয়ার্ড স্নোডেন বলেছেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তৎপরতার কোনো কার্যকারিতা নেই এবং তারা কোনো সন্ত্রাসী হামলাই ঠেকাতে পারেনি। স্প্যানিশ টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন রাশিয়ায় আশ্রয়গ্রহণকারী স্নোডেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানোর অজুহাতে আমেরিকায় আঁড়িপাতা এবং নজরদারির ব্যাপক কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ, অর্থনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তি এবং সামাজিক নিয়ন্ত্রণের কাজে এসব কর্মসূচি চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি। স্নোডেন বলেন, সন্ত্রাসবাদের ওপর নজর রাখতেই হবে -এ নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। কিন্তু ২০১৩ সালে ফাঁস হওয়া কাগজপত্র থেকে দেখা গেছে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্কই নেই এমন সব মানুষের ওপর মার্কিন সরকার নজর রাখছে। তিনি বলেন, আইনজীবী এবং অধ্যাপকদের মতো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও গোয়েন্দাগিরি করেছে এনএসএ এবং এসব ব্যক্তি সন্ত্রাসবাদের দায়ে সন্দেভাজন নন। এছাড়া, ইউনিসেফের বিরুদ্ধেও আমেরিকা গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়েছে বলে জানান তিনি। ২০১৩ সালে মার্কিন সরকারের ব্যাপক আঁড়িপাতার চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করে বিশ্বব্যাপী হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন স্নোডেন। ওই বছরের জুন মাসে গোপনে হংকং যান তিনি। হংকংয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তথ্য ফাঁস করার বিষয়টি টের পায়নি মার্কিন সরকার। পরে হংকং থেকে মস্কো চলে যান স্নোডেন। - See more at: http://amarbangladesh-online.com/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%B9/#sthash.YQHl2nrC.dpuf

Wednesday, 17 February 2016

Go to Haven

১) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর উম্মতের মধ্য মধ্য থেকে ৭০ হাজার ব্যক্তি বিনা হিসেবে জান্নাতে যাবে।- [আহমদ, তিরমিজী, ইবনে মাজাহ- আবু ওমামা (রা.)] ২) যারা রাতে আরামের বিছানা থেকে নিজেদের পার্শ্বদেশকে দূরে রেখেছিল, এমন অল্প সংখ্যক লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অবশিষ্ট সকল মানুষ হতে হিসেব নেয়ার নির্দেশ করা হবে। [বায়হাকি- আসমা (রা.)] ৩) জান্নাতে জান্নাতবাসীরা প্রতি জুমাবারে বাজারে মিলিত হবে এবং জান্নাতে জান্নাতবাসীদের রূপ-সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। [মুসলিম- আনাস রা.)] ৪) জান্নাতের স্তর হবে ১০০টি এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তর জান্নাতুল ফেরদাউস। যখন তোমরা আল্লাহর কাছে জান্নাত চাইবে তখন জান্নাতুল ফেরদাউস চাইবে। [তিরমিজী ওবাই ইবনে সামেত (রা.)]
৫) জান্নাত সমস্ত পৃথিবী থেকে উত্তম। (মুয়াত্তা- আবু হুরাইরা (রা.) ৬) জান্নাতবাসীনী কোন নারী (হুর) যদি পৃথিবীর দিকে উঁকি দেয়, তবে গোটা জগত আলোকিত হয়ে যাবে এবং আসমান জমীনের মধ্যবর্তী স্থান সুগন্ধিতে মোহিত হয়ে যাবে। তাদের মাথার উরনাও গোটা দুনিয়া ও তার সম্পদরাশি থেকে উত্তম। [বুখারী- আনাস (রা.)] ৭) জান্নাতে একটি চাবুক রাখার পরিমাণ জায়গা গোটা দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তা থেকে উত্তম। [মুয়াত্তা- আবু হুরাইরা (রা.)] ৮) জান্নাতের একটি গাছের নিচের ছায়ায় কোন সাওয়ারী যদি ১০০ বছরও সাওয়ার করে তবুও তার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে না। [বুখারী, মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)] ৯) জান্নাতে মুক্তা দিয়ে তৈরী ৬০ মাইল লম্বা একটি তাঁবু থাকবে। জান্নাতের পাত্র ও সামগ্রী হবে সোনা ও রুপার। [বুখারী, মুসলিম আবু মুসা (রা.)]১০) পূর্ণিমা চাঁদের মতো রূপ ধারণ করে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ক) তাদের অন্তরে কোন্দল ও হিংসা বিদ্বেষ থাকবে না। (খ) তারা কখনো রোগাক্রান্ত হবে না। (গ) তাদের পেশাব পায়খানা হবে না। (ঘ) তারা থুথু ফেলবে না। (ঙ) তাদের নাক দিয়ে ময়লা ঝরবে না। (চ) তাদের চিরুনী হবে সোনার চিরুনী। (ছ) তাদের ধুনীর জ্বালানী হবে আগরের। (জ) তাদের গায়ের গন্ধ হবে কস্তুরির মতো সুগন্ধি। (ঝ) তাদের স্বভাব হবে এক ব্যক্তির ন্যায়। (ঞ) তাদের শাররীক গঠন হবে (আদী পিতা) আদম (আ:) এর ন্যয়। [বুখারী, মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)] ১১) জান্নাতীদের খাবারগুলো ঢেকুর এবং মিশকঘ্রাণযুক্ত ঘর্ম দ্বারা নি:শেষ হয়ে যাবে। [বুখারী, মুসলিমযাবির (রা.)] ১২) জান্নাতীরা সুখে শান্তিতে স্বাচ্ছন্দ্যে ডুবে থাকবে। হতাসা দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনা থাকবে না। পোশাক পরিচ্ছেদ ময়লা হবে না, পুরাতন হবে না। তাদের যৌবনও নিঃশেষ হবে না। [মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)] ১৩) জান্নাতবাসীরা সব সময় জীবিত থাকবে। কখনো মৃত্যুবরণ করবে না। সব সময় যুবক থাকবে বৃদ্ধ হবে না। [মুসলিম আবু সাঈদ (রা.)] ১৪) জান্নাতে (এমন) এক দল প্রবেশ করবে, যাদের অন্তর হবে পাখিদের অন্তরের মতো। [মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)] ১৫) জান্নাতবাসীদের প্রতি আল্লাহ বলবেন, আমি তোমাদের উপর সন্তুষ্টি দান করেছি, তোমাদের উপর আর কখনো অসন্তুষ্ট হবো না। [বুখারী, মুসলিমআবু সাঈদ (রা.)] ১৬) জান্নাতের নহরে পরিণত হবে- সায়হান, জায়হান, ফোরাত ও নীল নদী। [মুসলিম – আবু হুরায়রা (রা.)] ১৭) জান্নাতে বান্দার আশা আকাঙ্খার দ্বিগুণ দেয়া হবে। [মুসলিম – আবু হুরায়রা (রা.)] ১৮) জান্নাতের দরওয়াজা ৪০ বছরের দুরত্বে সমান, এমন এক দিন আসবে যে তাও ভরপুর হয়ে যাবে। [মুসলিম-উতবা ইবনে খাজওয়ান (রা.)] ১৯) জান্নাতের ইট স্বর্ণ ও রোপ্য দ্বারা তৈরী। কঙ্কর হলো মনি মুক্তা, আর মসল্লা হলো সুগন্ধীময় কস্তুরী। [তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)] ২০) জান্নাতের সকল গাছের কা- হবে সোনার। [তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)] ২১) জান্নাতের ১০০ টি স্তর আছে, দু’স্তরের মধ্যে ব্যবধান শত বছরের। [(তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)] ২২) জান্নাতের ১০০ স্তরের যে কো এক স্তরে সারা বিশ্বের সকল লোক একত্রিত হলেও তা যথেষ্ট হবে। [তিরমিজী আবু সাঈদ (রা.)] ২৩) জান্নাতের উচ্চ বিছানা (সুরুরুম মারফুআ) আসমান জমীনর মধ্যবর্তী ব্যবধানের পরিমাণ- ৫০০ শত বছরের পথ। [তিরমিজী আবু সাঈদ (রা.)] ২৪) জান্নাত প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১০০ পুরুষের শক্তি দান করা হবে। [(তিরমিজ – আবু হুরায়রা (রা.)] ২৫) জান্নাতবাসীগণ কেশবিহীন দাড়িবিহীন হবে। তাদের চোক সুরমায়িত হবে। [তিরমিজ – আবু হুরায়রা (রা.)] ২৬) জান্নাতবাসীগণ ৩০ বা ৩৩ বছর বয়সীর মতো জান্নাতে প্রবেশ করবে। [তিরমিজী, ময়াজ ইবনে জাবাল (রা.)] ২৭) জান্নাতে অবস্থিত কাওসার এর পানি দুধ অপেক্ষা অধিক সাদা এবং মধুর চেয়েও মিষ্টি হবে। [তিরমিজীআসান (রা.)] ২৮) জান্নাতবাসী উট ও ঘোড়া চাইলে দুটোই পাবে এবং তা ইচ্ছেমতো দ্রুত উড়িয়ে নিয়ে যাবে। তাতে তুমি সে সব জিনিস পাবে যা কিছু তোমার মন চাইবে এবং তোমার নয়ন জুড়াবে। [তিরমিজী-আবু বুরাইদা (রা.)] ২৯) জান্নাতবাসীদের ১২০ কাতার হবে। তার মধ্যে ৮০ কাতার হবে এ উম্মতের। অবশিষ্ট ৪০ কাতার হবে অন্যান্য উম্মতের। [তিরমিজী- বুরাইদা (রা.)] ৩০) জান্নাতে একটি বাজার আছে সেখানে ক্রয়-বিক্রয় নেই। সেখানে নারী-পুরুষের আকৃতিসমূহ থাকবে। সুতরাং যখনই কেউ কোন আকৃতিকে পছন্দ করবে তখন সে সেই আকৃেিত রূপান্তরিত হবে। [(তিরমিজী- আলী (রা.)] ৩১) জান্নাতবাসীদের উপর এক খণ্ড মেঘ আচ্ছন্ন করে ফেলবে। তাদের উপর এমন সুগন্ধি বর্ষণ করবে যে, অনুরূপ সুগন্ধি তারা আর কখনো পায়নি। জান্নাতের বাজারে একজন আরেকজনের সাথে সাক্ষাত করবে এবং তার পোশাক পরিচ্ছদ দেখে আশ্চার্যান্নিত হবে। কিন্তু তার কথা শেষ হতে না হতেই সে অনুভব করবে যে, তার পোশাক তার চেয়ে আরো উত্তম হয়ে গেছে। এটা এ জন্য যে, জান্নাতে দুশ্চিন্তার কোন স্থান নেই। তাদের স্ত্রীদের কাছে ফিরে আসলে তারা বলবে তুমি আগের চেয়ে সুন্দর হয়ে ফিরে এসেছ। [তিরমিজী, ইবনে মাজাহ- সাইধ ইবনে মুসায়েব (রা.)] ৩২) নিম্নমানের জান্নাতবাসীর জন্যে ৮০ হাজার খাদেম ও ৭২ জন স্ত্রী হবে। ছোট্ট বয়সী বা বৃদ্ধ বয়সী লোক মারা গেলে জান্নাতে প্রবেশের সময় ৩০ বছর বয়সী হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ বয়স কখনো বৃদ্ধি হবে না। জান্নাতবাসীগণ যখন সন্তান কামনা করবে, তখন গর্ভ, প্রসব ও তার বয়স চাহিদা অনুযায়ী মুহূর্তের মধ্যে সংঘটিত হয়ে যাবে। [তিরমিজী, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ- আবু সাঈদ (রা.)] ৩৩) জান্নাতে হুরদের সমবেত সংগীত শুনা যাবে। এমন সুরে যা আগে কখনো শুনা যায় নি। তারা বলবে- আমরা চিরদিন থাকবো, কখনো ধ্বংস হবো না। আমরা সুখে আনন্দে থাকবো, কখনো দুঃখ দুশ্চিন্তা হবে না। আমরা সব সময় সন্তুষ্ট থাকবো, কখনো নাখোশ হবো না। সুতরাং তাকে ধন্যবাদ যার জন্যে আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি। [তিরমিজী- আলী (রা.] ৩৪) জান্নাতে রয়েছে, ১. পানির সমূদ্র ২. মধুর সমুদ্র ৩. দুধের সমুদ্র ৪. শরাবের সমুদ্র। তার পর তা থেকে আরো বহু নদী প্রবাহিত হবে।- [তিরমিজী- হাকিম ইবনে মুয়াবিয়া (রা.)] ৩৫) জান্নাতে একজন কৃষি কাজ করতে চাইবে। তার পর সে বীজ বপণ করবে এবং চোখের পলকে অংকুরিত হবে, পোক্ত হবে এবং ফসল কাটা হবে। এমন কি পাহাড় পরিমাণ স্তুপ হয়ে যাবে। আল্লাহ বলবেন, হে আদম সন্তান! নিয়ে যাও, কোন কিছুতেই তোমার তৃপ্তি হয়না। [বুখারী – আবু হুরায়রা (রা.)] ৩৬) জান্নাতে এক ব্যক্তি ৭০টি তাকিয়ায় হেলান দিয়ে বসবে। এ শুধু তারই স্থান নির্ধারিত থাকবে। একজন মহিলা এসে সালাম দিয়ে বলবে, “আমি অতিরিক্তের অন্তর্ভুক্ত” তার পরনে রং বেরং এর ৭০ খানা শাড়ী পরিহিত থাকবে এবং তার ভিতর দিয়েই তার পায়ের নলার মজা দেখা যাবে। তার মাথার মুকুটের আলো পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্তের মধ্যবর্তী স্থান রৌশনী করে দিবে। [আহমদ- আবু সাঈদ (রা.)] ৩৭) জান্নাতবাসীগণ নিদ্রা যাবে না। নিদ্রাতো মৃত্যুর সহোদর আর জান্নাতবাসী মরবে না। [বায়হাকী- যাবের (রা.)] ৩৮) আল্লাহ তায়ালা হিজাব বা পর্দা তোলে ফেলবেন, তখন জান্নাতবাসীরা আল্লাহর দিদার বা দর্শন লাভ করবে। আল্লাহর দর্শন লাভ ও তার দিকে তাকিয়ে থাকার চেয়ে অধিকতর প্রিয় কোন বস্তুই এযাবত তাদেরকে প্রদান করা হয়নি। [মুসলিম- সুহায়ব (রা.)] ৩৯) বারা বিন আযেব (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন: কবরে মুমিন বান্দার কাছে দু‘জন ফেরেশতা আসে তাকে উঠিয়ে বসাবেন। তার পর তাকে জিজ্ঞেস করবেন: তোমার রব কে? সে উত্তর দেয় আমার রব ‘আল্লাহ’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তোমার দ্বীন কি? সে উত্তর দেয়, আমার দ্বীন ‘ইসলাম’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তোমাদের মাঝে যিনি প্রেরিত হয়েছিলেন তিনি কে? সে উত্তর দেয়, তারা উত্তর দেয়, তিনি হলেন ‘আল্লাহর রাসূল’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তুমি এসব কিভাবে জানলে? সে উত্তর দেয়, আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি, তাঁর উপর ঈমান এনেছি ও তাঁকে সমর্থন করেছি। তখন আকাশ থেকে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করবেন- আমার বান্দা সত্য বলেছে, আমার বান্দার জন্য জান্নাতের একটি বিছানা বিছিয়ে দাও, তাকে জান্নাাতের পোশাক পরিয়ে দাও এবং তার জন্য জান্নাতের একটি দরজা খুলে দাও। তখন তা খুলে দেওয়া হয়। রাসূল (সা.) বলেন: ফলে তার দিকে জান্নাতের স্নিগ্ধ বাতাস এবং সুগন্ধি আসতে থাকে। তার জন্য কবরের স্থানকে দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়। (আহমদ আবু দাউদ) ৪০) যে ব্যক্তি কুরআন পড়েছে, তাকে (সমাজে কুরআনের বিধান) প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে, কুরআনে বর্ণিত হালালসমূহকে হালাল জেনে মেনেছে, হারামগুলোকে হারাম মনে করেছে। আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের জাহান্নামযোগ্য ১০ জনে বিষয়ে সুপারিশ করতে পারবেন। (তিরমিযী হযরত আলী হতে

Tuesday, 16 February 2016

kashe removed

কাশি সমস্যায় আমরা কম-বেশি সব সময়ই ভুগে থাকি। শীত শেষে আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নানান রোগও বেড়ে চলেছে। এই সময়ে অধিকাংশ মানুষই খুসখুসে কাশির যন্ত্রণায় ভোগেন।
আবহাওয়ার পরিবর্তন, অ্যালার্জি, ঠান্ডাজনিত ইনফেকশন, অ্যাজমা ইত্যাদি কারণে এই কাশি হয়ে থাকে। কিছু ঘরোয়া উপায়ে এই কাশি থেকে আপনি রক্ষা পেতে পারেন। ১। লবণ পানি এক কাপ পানি এক চিমটি লবণ দিয়ে গরম করে নিন। এবার এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। লবণ গলা ভিতর থেকে তরল কফ, পদার্থ বের করে দিয়ে থাকে। Mayo clinic book এর মতে কুলকুচি গলার ভিতরের অস্বস্তিকর অনুভূতি দূর করে দিয়ে থাকে। এটি আপনার শুষ্ক কাশি কমিয়ে দিয়ে কিছুটা আরাম দেবে। ২। মধু শুষ্ক কাশি প্রতিকারে মধু বেশ কার্যকর। এক টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু প্রতিদিন ১ থেকে ৩ বার গ্রহণ করুন। বিশেষ করে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক টেবিল চামচ মধু খেয়ে নিন। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১ চা চামচ থেকে ১ টেবিল চামচ হতে পারে। মধুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান কাশি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৩। আদা চা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক কাপ আদা চা খেয়ে নিতে পারেন। আদার অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান গলার ভিতরে অস্বস্তিকর অনুভূতি দূর করে থাকে। এক কাপ পানিতে আদা কুচি দিয়ে জ্বাল দিন। এটি দিনে তিন থেকে চার বার পান করুন। দেখবেন শুষ্ক কাশি অনেক কমে গেছে। আদা চায়ের পরিবর্তে এটি পান করতে পারেন। ৪। হলুদ এক চামচ মধুর সাথে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিন থেকে চারবার গ্রহন করুন। এক টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো চার কাপ পানিতে জ্বাল দিন। কয়েক মিনিট পর এতে লেবুর রস এবং মধু দিয়ে পান করুন। এছাড়া এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এটিঅ আপনার কাশি কমাতে সাহায্য করবে। ৫। রসুন পাঁচটি রসুনের কোয়া কুচি করে এক চা চামচ ঘিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। কুসুম গরম থাকা অবস্থায় এটি খেয়ে ফেলুন। রসুনের অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং এক্সপেকটোরেন্ট উপাদান কাশি উপশম করে থাকে। University of Maryland Medical Center cites এর মতে রসুন অব্যশই কাশি উপশম করে থাকে। এছাড়া যষ্টি মধু, গোলমরিচ এবং মধুর মিশ্রণ শুষ্ক কাশি প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে। আপনি যদি অ্যালার্জি সমস্যা থেকে থাকে তবে এই সময় কিছুটা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

নামাজের অবিশ্বাস্য ১১ টি বিজ্ঞান সম্মত উপকার

পবিত্র কুরআন-মাজিদে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার ব্যাপারে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা অনেকেই মনে করি নামাজের উপকারিতা বলতে পরকালের শান্তির কথা। আসলে শুধু তাই নয় নামাযে রয়েছে বিশাল উপকার আর এই বিজ্ঞান সম্মত এই উপকারের কথা বলা হয়েছে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে। ইসলামই একমাত্র ধর্ম যার সাথে বিজ্ঞানের মিল রয়েছে। কেবল মাত্র পবিত্র কুরআন-শরীফের কথা ১০০% এর মধ্যে ৮০% বিজ্ঞান প্রমান করতে পেরেছে। আর বাকি ২০% বিজ্ঞান বের করতে পারেনি কারন সেটি প্রমান করার মত প্রযুক্তি এখনো পৃথিবীতে আসেনি। নামাজের মধ্যে যে কি পরিমান বিজ্ঞান লুকায়িত আছে তা নিম্ন বননা করা হলঃ
। নামজে যখন সিজদা করা হয় তখন আমাদের মস্তিস্কে রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হয়।ফলে আমাদের সৃতি শক্তি অনেক বৃদ্ধি পায়।২।নামাজের যখন আমরা দাড়াই তখন আমাদের চোখ জায়-নামাজের সামনের ঠিক একটি কেন্দ্রে স্থির অবস্থানে থাকে ফলে আমাদের মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। ৩।নামাজের মাধ্যমের আমাদের শরীরের একটি ব্যায়াম সাধিত হয়।এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ছোট বড় সবাই করতে পারে। ৪।নামাজের মাধ্যমের আমাদের মনের অসাধারন পরিবতন আসে। ৫।নামাজ সকল মানুষের দেহের কাঠামো বজায় রাখে। ফলে শারীরিক বিকলঙ্গতা লোপ পায়। ৬।নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে যেমন ওজুর সময় আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা হয় এর ফলে বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে আমরা সুরক্ষিত থাকি। ৭।নামাজে ওজুর সময় মুখমন্ডল ৩বার ধৌত করার ফল আমাদের মুখের ত্বক উজ্জল হয় এবং মুখের দাগ কম দেখা যায়। ৮।ওজুর সময় মুখমন্ডল যেভাবে পরিস্কার করা হয় তাতে আমাদের মুখে একপ্রকার মেসেস তৈরি হয় ফলে আমাদের মুখের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং বলিরেখা কমে য়ায। ৯।কিশোর বয়সে নামাজ আদায় করলে মন পত্র থাকে এর ফলে নানা প্রকার অসামাজিক কাজ সে বিরত থাকে। ১০।নামাজ আদায় করলে মানুষের জীবনি শক্তি বৃদ্ধি পায়। ১১।কেবল মাত্র নামাজের মাধ্যমেই চোখের নিয়ম মত যত্ন নেওয়া হয় ফলে অধিকাংশ নামাজ আদায় কারী মানুষের দৃষ্টি শক্তি বজায় থাকে।

t20 cricket 2016

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক – আগামী ৮ মার্চ থেকে অনুষ্ঠেয় টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে দলকে নিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও নিশ্ছিদ্র করছে ভারত। তবে পাকিস্তান দলের জন্য একটু বেশিই সতর্ক আয়োজকরা। তাদের ট্যাঙ্ক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ক্রিকেট অ্যসোসিয়েশন। শুধু পাকিস্তান নয় ভারতীয় পুলিশ নাকি আফগানিস্তান, বাংলাদেশ টিমের নিরাপত্তা নিয়েও বেশ চিন্তিত। - See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/353304#sthash.OsC3GCP3.dpuf
৫ মার্চ ধর্মশালায় হংকংয়ের বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি খেলবে। হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই ম্যাচ শুরু হবে। অবশ্য গত বছর ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে এই হংকংয়ের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশ এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠতে পারলে প্রস্তুতি ম্যাচের তারিখে পরিবর্তন আসতে পারে। কারণ এশিয়া কাপের ফাইনাল হবে ৬ মার্চ। আর বাছাইপর্বের ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের তিন সঙ্গী নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড ও ওমান। অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপের চারটি দল জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান, হংকং ও স্কটল্যান্ড। দুই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। বাছাইপর্বের ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে মূল পর্বের ‘বি’ গ্রুপে। আর ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মূল পর্বের ‘এ’ গ্রুপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। বাছাইপর্বে ৯ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস। ১১ মার্চ দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে। বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে মাশরাফিদের প্রতিপক্ষ ওমান। ১৩ মার্চ হবে ম্যাচটি। বাংলাদেশের সব ম্যাচই হবে ধর্মশালায়। হিমাচল প্রদেশের এই শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দেড় হাজার মিটার উঁচুতে। বাছাইপর্ব পেরোতে পারলে বাংলাদেশকে খেলতে হবে স্বাগতিক ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে। মূল পর্বের অন্য গ্রুপে আছে শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মূল পর্ব শুরু হবে ১৫ মার্চ থেকে। পুরুষ ও নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলবে একই সঙ্গে। দুটো ফাইনালও হবে একই দিনে, ৩ এপ্রিল। দুটো ম্যাচেরই ভেন্যু কলকাতার বিখ্যাত ইডেন গার্ডেনস। মূল পর্বে উঠতে পারলে বাংলাদেশে চলে যাবে কলকাতায়। ইডেন গার্ডেনসে ১৬ মার্চ পাকিস্তানের বিপক্ষে সম্ভাব্য ম্যাচ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে তিনটায়। ২১ মার্চে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ম্যাচ হবে বেঙ্গালুরুতে। এটি শুরু হবে রাত ৮টায়। ২৩ মার্চ ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটিও হবে বেঙ্গালুরুতে। এই ম্যাচটিও রাত ৮টায় শুরু হবে। ২৬ মার্চ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি হবে আবার ইডেন গার্ডেনসে। এই ম্যাচটি শুরু বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ৩টায়। - See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/353356#sthash.1PAqplOY.dpuf

Sunday, 14 February 2016

first power in world war

ঢাকা: গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি সামরিক শক্তির ভিত্তিতে একটি র‌্যাংকিং তৈরি করেছে। র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে রয়েছে যথারীতি যুক্তরাষ্ট্র।
এরপরে যথাক্রমে চীন, রাশিয়া, ভারত, ব্রিটেন, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, জাপান ও তুরস্ক। মোট ১২৬ টি দেশকে র‌্যাংকিংয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৫৩ তম। সামরিক ব্যয়ের ভিত্তিতে প্রণীত র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষ সামরিক শক্তি হিসেবে প্রথম নামটি অনুমিতই। ২০০৫ সাল থেকে তালিকার প্রথম স্থানটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নির্ধারিত। মোট সামরিক ব্যয়ের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায়ও কয়েকগুণ বেশি ব্যয় করে থাকে। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক খাতে ব্যয় করেছে ৬০৯.৯ বিলিয়ন ডলার, যা মোট মার্কিন জিডিপির ৩.৫%। যদিও ২০০৫ সালের তুলনায় ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার পরিবর্তে ০.৪% ব্যয় হ্রাস পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মাথাপিছু বার্ষিক সামরিক ব্যয় ১,৮৯১ ডলার। যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু অস্ত্রধারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ধারণা করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ভাণ্ডারে কমপক্ষে ৭,১০০ টি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র আছে যা রাশিয়ার তুলনায় সামান্য কম। তালিকার ২য় স্থানে আছে এশিয়ান পরাশক্তি চীন। চীনের বার্ষিক সামরিক ব্যয় ২১৬.৪ বিলিয়ন ডলার। ২০০৫ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে চীন তার সামরিক ব্যয় ১৬৭.৪% এরও বেশি বাড়িয়েছে। চীনের মোট জিডিপির ২.১% সামরিক খাতে ব্যয় করা হয়েছে। মাথাপিছু ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৫৫ ডলার। তালিকায় তৃতীয় নামটি আলোচিত-সমালোচিত দেশ রাশিয়ার। ২০১৪ সালে রাশিয়ার সামরিক ব্যয় ৮৪.৫ বিলিয়ন ডলার। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্রায় ১০০% ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। মোট জিডিপির ৪.৫% সামরিক খাতে ব্যয়কারী রাশিয়ার মাথাপিছু সামরিক ব্যয় ৫৯৩ ডলার। তালিকায় বাংলাদেশের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৩ তম। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২.৩ বিলিয়ন ডলার (১৮,১৩৪ কোটি টাকা)। যা মোট জিডিপির ১.৩%। বার্ষিক বাজেটের প্রায় ৬% সামরিক বাহিনীর জন্য ব্যয় করে থাকে বাংলাদেশ। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র তুরস্ক শীর্ষ ১০ এর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। এছাড়া পাকিস্তান ১৭ তম, ইরান ২৩ তম এবং সৌদি আরবের অবস্থান ২৮ তম।

Friday, 12 February 2016

salman khan

हिन्दी LIVE TV Toggle অপশন নেই, বিয়ে করতেই হবে:সলমন By Sourav Paul অপশন নেই, বিয়ে করতেই হবে:সলমন ওয়েব ডেস্ক: বলিউডের দাবাং খান এবার কি সত্যিই বিয়ে করতে চলেছেন? সলমনের ইঙ্গিত তো তেমনটাই। "প্রথমে আমি ভাবতাম, আমার বিয়ের বয়স হয়নি। কিন্তু এখন আমার মনে হচ্ছে আমি বিয়ের বয়স পেরিয়ে এসেছি। আমি খুশি...এবার বিয়েটা হবে। বোন অর্পিতার বিয়েও হয়ে গেছে, এবার আমার পালা। আমার কাছে আর কোনও অপশন নেই"। 'রবিন হুড' পান্ডের প্রেমের ইতিহাস বেশ বর্ণময়। কখনও ঐশ্বর্য রায় কখনও ক্যাটরিনা, বলিউডের হার্ট থ্রবদের সঙ্গে সলমনের প্রেমের ভাঙা গড়া যেন সর্ব সময়ের সঙ্গী। কিন্তু এবার আর সম্পর্ক ভাঙা নয়, গড়ার পালা। সলমনের মন বিয়ে বিয়ে করছে! পাত্রী কে? লুলিয়া ভান্তুর।

Thursday, 11 February 2016

ওভারিয়ান সিস্ট এখন ঘরে ঘরে

Home » Bengali » HEALTH
ওয়েব ডেস্ক: ওভারিয়ান সিস্ট এখন ঘরে ঘরে সমস্যা। এর থেকে বাঁচবেন কীভাবে? আসুন জেনে নেওয়া যাক। হরমোনের সমস্যা, অনিয়মিত পিরিয়ড, অল্পবয়সে ঋতুস্রাব শুরু, ইত্যাদি নানা কারণে বেশিরভাগ মহিলারই এখন সিস্টের সমস্যা। সমস্যা শুরু হচ্ছে বয়ঃসন্ধিতে। কিন্তু দেরিতে বিয়ে, অনিয়মিত যৌন জীবন, দেরিতে সন্তানের কারণে ক্রমশই বাড়ছে সমস্যা। কিন্তু এর থেকে বাঁচার উপায় কী? ইস্ট্রজেন নিয়ন্ত্রণ- ইস্ট্রজেন হরমোনের সাম্য নষ্ট হওয়া ওভারিয়ান সিস্টের অন্যতম কারণ। সিস্ট রুখতে শরীরে ইস্ট্রজেন ভারসাম্যের দিকে নজর রাখুন। প্রোটিন, প্রসেসড মিট শরীরে ইস্ট্রজেনের পরিমাণ বাড়ায়। খান অরগানিক মিট এবং দুগ্ধজাত খাবার। সাবধান, প্লাস্টিকের বোতল থেকে জল খেলেও রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ইস্ট্রজেনের পরিমাণ বাড়ে। ভেষজ উপায়- ওভিউলেশন নিয়মিত করতে ও জনন তন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে গাছগাছালির মূল। ইস্ট্রজেনের সঠিক মাত্রা বজায় রাখে ড্যান্ডেলিয়ন, মিল্ক থিসল। খাওয়া দাওয়া- ওভারিয়ান সিস্টের অন্যতম কারণ অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অনিয়মিত লাইফস্টাইল। ডায়েটে রাখুন ফল, সবুজ শাক-সব্জি। ডায়েটে থাকুক বেশিমাত্রায় গোটা শস্যের পরিমাণ। ওজন নিয়ন্ত্রণ- অতিরিক্ত ওজনের জন্যও ওভারিয়ান সিস্টে আক্রান্ত হচ্ছেন মহিলারা। মেদ ঝরিয়ে ফেলুন। সম্ভাবনা কমবে ওভারিয়ান সিস্টের। ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট- হরমোনের ব্যালান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে কিছু ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট। ভিটামিন ই, ফ্লাক্সসিড অয়েল, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি তার মধ্যে অন্যতম। বেশিরভাগ ভারতীয় মহিলারাই ডাক্তার এড়িয়ে চলেন। কিন্তু কোনও রকম সমস্যা মনে হলেই আগে চিকিত্‌সকের পরামর্শ নিন।

Tuesday, 9 February 2016

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) এর ১১টি বিশেষ উপদেশ

নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশাল হাদিসে ভাণ্ডার থেকে চয়ন করে উম্মতের জন্য বিশেষ ১১টি উপদেশ এখানে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ওই সব উপদেশ মালায় হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- ১. যদি পরিপূর্ণ ঈমানওয়ালা হতে চাও, তবে উত্তম চরিত্র অর্জন করো। ২. যদি সবচেয়ে বড় আলেম বা জ্ঞানী হতে চাও, তবে তাকওয়া (আল্লাহ ভীতি) অর্জন করো।
৩. যদি সবচেয়ে বেশি সম্মান পেতে চাও, তবে মানুষের নিকট হাত পাতা (অন্যের ওপর ভরসা করা, ভিক্ষা করা) বন্ধ করে দাও। ৪. যদি আল্লাহর নিকট বিশেষ সম্মান পেতে চাও, তবে অধিক পরিমাণে আল্লাহর জিকির করো। ৫. যদি রিজিকের প্রশস্ততা চাও, তবে সর্বদা অজুর সঙ্গে থাকার চেষ্টা করবে। ৬. যদি সমস্ত দোয়া কবুল হওয়ার আশা রাখো, তবে অবশ্যই হারাম থেকে বেঁচে থাকবে। ৭. যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে গুনাহমুক্ত উঠতে চাও, তবে সহবাসের পর দ্রুত পবিত্র হয়ে যাবে। ৮. যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর নূর নিয়ে উঠতে চাও, তবে মানুষের ওপর জুলুম করা ছেড়ে দাও। ৯. যদি আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে চাও, তবে আল্লাহর ফরজ বিষয়াদির প্রতি যত্নবান হও। ১০. যদি জাহান্নামের আগুন নেভাতে চাও, তবে দুনিয়ার বিপদাপদে সবর করো। ১১. যদি আল্লাহতায়ালার রাগ বা গোস্বা থেকে বাঁচতে চাও, তবে গোপনে সদকা করো, আত্নীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে চলো এবং মানুষের ওপর রাগ করা ছেড়ে দাও আল্লাহতায়ালা সবাইকে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এসব উপদেশ মেনে চলার তওফিক দান করুন। আমিন। তথ্যসূত্রঃ বিডি মর্নিং

namaj for purely tips

নামাজে মনোযোগ ধরে রাখার জন্য কিছু টিপসঃ ১) তাকবীরে তাহরিমা তথা আল্লাহু আকবার বলে হাত বাঁধার আগে চিন্তা করা আমি কার সামনে দাঁড়াচ্ছি। যার সামনে দাঁড়াচ্ছি তিনি কতো বড়, কতো মহান। দুনিয়ার একজন সামান্য প্রেসিডেন্টের সামনে যদি আমি দাঁড়ায় তবে যেরূপ মনোযোগ সহকারে স্থির হয়ে দাঁড়াতাম, তাহলে সমগ্র সৃষ্টিজগতের মালিকের সামনে দাঁড়ালে আমার আচরণ কীরূপ হওয়া দরকার?
২) তাজওয়ীদ সহকারে ধীরে ধীরে কুরআন তিলাওয়াত করা ও রুকু সিজদাহর তাসবীহ ভক্তিসহকারে আদায় করা। ৩) অর্থের প্রতি খেয়াল রেখে সবকিছু করা। অর্থের প্রতি খেয়াল না থাকলে আমি কার সামনে দাঁড়িয়ে কী বলছি এবং কেন বলছি তা কখনই বুঝে আসবে না। অন্তত সালাতে যে সূরাগুলো পড়া হয় এবং রুকু,সিজদাহ ও বসা অবস্থায় তাসবীহ ও দুয়াগুলোর অর্থ শব্দের প্রতি খেয়াল রেখে পড়া। ৪) হাদিসে এসেছে, বান্দা যখন সিজদাহ অবস্থায় থাকে তখন সে মহান আল্লাহর খুব নিকটবর্তী হয়ে যায়। তাই সিজদাহ অবস্থায় আমাদের মনে এই ধ্যান আসা উচিত যে আমার দেহের সবচেয়ে সম্মানের অঙ্গ মাথাকে আমার মালিকের সামনে লুটিয়ে দিলাম শুধুমাত্র তারই অনুগ্রহ পাওয়ার আশায়। ৫) নড়াচড়া করা, দাড়িতে হাত বুলানো, গা চুলকানো, মশা তাড়ানো, টুপি ঠিক করা, জামা টেনে টুনে ঠিক করা ইত্যাদি অযথা কাজ পরিহার করার চেষ্টা করা। ৬) এই ধ্যান করা যে আমার মনের অবস্থা একমাত্র আল্লাহই জানেন। রিয়া তথা লোকদেখানোর চিন্তা মাথায় আসার সাথে সাথেই ঝেড়ে ফেলা, শুধুমাত্র আল্লাহর জন্যই সালাতকে সুন্দর করার চেষ্টা করা। আর কাল হাশরের ময়দানে এই সালাতের প্রতিদানের আশা করা, সাথে সাথে নিজের গুনাহ ও দুর্বলতার কারণে সালাত অগ্রাহ্য হওয়ার আশঙ্কাও রাখা। ৭) মনে মনে চিন্তা করা যে আমি পুলসিরাতের উপর দাঁড়িয়ে আছি, আমার ডানে জান্নাত, বামে জাহান্নাম, মাথার উপর গুনাহের বোঝা, পেছনে মালাকুল মাউত জান কবজের জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। মনে করা যে এটিই আমার জীবনের শেষ সালাত, এরপর হইত আমার আর সালাত আদায়ের সুযোগ হবে না। মহান আল্লাহ আমাদেরকে খুশু খুযুর সহিত নামাজে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

smart phon DSLR

স্মার্টফোনের বিশেষ ধরনের ক্যামেরা এনেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অলিম্পাস।
এয়ার এ০১ মডেলের এ ক্যামেরা স্মার্টফোনের ক্যামেরার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে কাজ করবে। স্মার্টফোন নিয়ন্ত্রিত এ ক্যামেরাটিতে সনির কিউএক্সওয়ান ক্যামেরার মতোই সব সুবিধা বিদ্যমান। প্রাথমিকভাবে জাপানে ছাড়া হলেও অচিরেই যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশে পাওয়া যাবে ডিভাইসটি। - See more at: http://bangla.samakal.net/2016/02/09/191812#sthash.pe5lCMXK.dpuf

Thursday, 4 February 2016

Modi

বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে নগদ অর্থ রয়েছে মাত্র চার হাজার ৭০০ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা পাঁচ হাজার ৪০৫ টাকা। গত ৩০ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত হিসাবে দেখা যায়, গত বছরের মার্চ পর্যন্ত মোদির মোট সম্পদের পরিমাণ এক কোটি ৪১ লাখ রুপি। এর মধ্যে গান্ধীনগরে তার একটি বসতবাড়ি রয়েছে। গত বছরের আগস্টে মোদির কাছে নগদ অর্থ ছিল ৩৮ হাজার ৭০০ রুপি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে মোদির সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়।
মোদির স্থাবর সম্পত্তি বলতে গান্ধীনগরের বাড়িটির এক-চতুর্থাংশের মালিকানা। এর আয়তন সাড়ে তিন হাজার বর্গফুট। এটি মোদি উত্তরাধিকার সূত্রে পাননি। ২০০২ সালের ২৫ অক্টোবর তিনি বাড়িটি কিনেছিলেন। সে সময় মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। বাড়িটি কেনা হয়েছিল এক লাখ ৩০ হাজার ৪৮৮ রুপিতে। নির্মাণ ব্যয় হয়েছিল দুই লাখ ৪৭ হাজার ২০৮ রুপি। বর্তমানে এর দাম ২৫ গুণ বেড়েছে। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় মোদির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল এক কোটি ২৬ লাখ ১২ হাজার ২৮৮ রুপি। ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ তা বেড়ে এক কোটি ৪১ লাখ ১৪ হাজার ৮৯৩ রুপি হয়েছে। দিলি্লর ৭ নম্বর রেসকোর্স রোডের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে থাকলেও মোদির দিলি্লতে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টও নেই। গুজরাটের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে স্থায়ী আমানত রয়েছে ৩১ লাখ রুপির কিছু কম। আরও প্রায় ৯৪ হাজার রুপি ওই ব্যাংকেই রয়েছে। বেসরকারি পরিকাঠামো বন্ডেও ২০ হাজার রুপি রয়েছে মোদির। পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার রুপির জাতীয় সঞ্চয়পত্র, প্রায় দুই লাখ রুপির জীবনবীমাও রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। আরও রয়েছে চারটি সোনার আংটি। এর বাজারমূল্য এক লাখ ১৯ হাজার রুপি। তবে মোদির কোনো গাড়ি বা জমি নেই। এটা তো গেল শুধু নরেন্দ্র মোদির নিজের সম্পদের হিসাব। তার স্ত্রী যশোদাবেনের কত সম্পত্তি রয়েছে, তা জানেন না বলেই ঘোষণা করেছেন মোদি। এনডিটিভি, ফার্স্ট পোস্ট।

Sunday, 31 January 2016

ডালপুরি

খুবই সুস্বাদু ও মুখরোচক একটি খাবার ‘ডালপুরি’। যারা একটু ভাজা খাবার পছন্দ করেন বলতে গেলে তাদের জন্য এর চেয়ে প্রিয় খাবার আর কিইবা হতে পারে! তো চলুন যেনে নিই ছোলার ডালের পুরির রেসিপি।
উপকরণ ময়দা ২ কাপ ঘি ৩ টেবিল চামচ লবন ১ চা চামচ চিনি ১ চা চামচ সাদা তেল প্রয়োজনমতো পুরের জন্য ছোলার ডাল (রাতে ভিজিয়ে বেটে নেওয়া) ২০০ গ্রাম আদা বাটা ১/২ চা চামচ লংকা বাটা ১/২ চা চামচ নুন স্বাদমতো চিনি ১/২ চা চামচ সাদা তেল প্রণালী একটি পাত্রে ময়দা, লবন, ঘি, চিনি ভালো করে মিশিয়ে ঠেসে মাখুন। এবার প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে মেখে ৩০ মিনিট রাখুন। ডাল-আদা-লংকা বাটা, লবন ও চিনি মিশিয়ে নিন। কড়াইতে সাদা তেল গরম করে পেস্টটি দিয়ে ভাজতে থাকুন। ডাল বেশ ঝরঝরে হয়ে গেলে নামিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পরে ময়দা থেকে মাঝারি মাপের লেচি বানান। ছোট ছোট লুচির আকারে বেলে নিন। এবার লুচির মধ্যে ডালের পুর ভরে মুখ ভালো করে এঁটে দিন। হালকা গরম তেলে ভেজে পরিবেশন করুন।

Sunday, 3 January 2016

earthquakes in Bangladesh 2016

ইলাস্টিক রিবাউণ্ড তত্ত্ব একটি শিলাস্তর যখন দু’টি ভিন্নমুখী চাপের সম্মুখীন হয় তখন এর কেন্দ্রবিন্দুতে পরস্পর বিপরীতমূখী চাপের এক দ্বৈত শক্তি জমা হতে থাকে। চাপ যখন শিলাস্তরের স্থিতিস্থাপকতা অতিক্রম করে তখন সেখানে ফাটল (Fault) সৃষ্টি হয়ে প্রচণ্ড বেগে শক্তি নির্গত হয়। এই শক্তিই বিভিন্ন তরঙ্গের মাধ্যমে ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে। earth আমরা কতটুকু প্রস্তুত? যে কোন সময় একটি বড় ভূমিকম্প আঘাত হানলে আমাদের কী হবে? আমরা কতটুকু প্রস্তুত? অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় এই যে, আমাদের দেশে ভূমিকম্পের বিষয়টি দেখাশোনা করে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ওই প্রতিষ্ঠানটির কাজ করার কথা বায়ুমণ্ডল নিয়ে অথচ তাঁরা শিলামণ্ডল নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হচ্ছে। এখনো আমাদের দেশে ভূমিকম্প পূর্বভাষ কেন্দ্র স্থাপন করা হয় নি। আধুনিক সিসমোগ্রাফ নেটওয়ার্ক নেই। ফলে ভূমিকম্প হবার পর আমেরিকার USGS এর ওয়েব সাইটে গিয়ে নিজ দেশের ভূমিকম্পের খবর নিতে হয়। ভূগোল-ভূতত্ত্ব বিষয়ের লোকের বদলে পদার্থবিজ্ঞানী বা পরিসংখ্যানবিদ দিয়ে ভূমিকম্প মাপমাপি করলে এমনটাই হবার কথা। কাজেই ভূমিকম্পের মত প্রলয়ংকরী প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ে জাতীয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে বিষয় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের এর দায়িত্বে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া এই মূহূর্তে সবচেয়ে জরুরী কাজ। ভূমিকম্প হবার আগে বেশ কিছু ছোটছোট ফোরশক হয়। যেসব প্রাণী মাটির নীচে থাকে তারা তাদের অত্যন্ত সংবেদনশীল ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে সেগুলো টের পেয়ে মাটির উপরে চলে আসে। ২০০৯ সালে চীনে ভূমিকম্পের আগে অনেক ব্যাঙ রাস্তায় উঠে এসেছিলো। এসব দেখে আমরা সতর্ক হতে পারি। আগামীকালের পত্রিকা খুলে বাংলাদেশের কতগুলো ভবনের ফাটলের কথা শুনবো জানি না, তবে এখনো সময় আছে, আমাদের ভবন নির্মাণ নীতিমালায় ভূমিকম্পরোধ ব্যবস্থা বাধ্যতামূক করার এটাই বোধ হয় শেষ সময়। ভূমিকম্পের সময় উপদ্রুত এলাকাবাসীর করনীয় সরকারী পদক্ষেপের বাইরে সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদেরও কিছু বিষয় জানা থাকা প্রয়োজন। ভূমিকম্পের সময় মোটেই আতঙ্কিত হবেন না। এই দূর্যোগে রক্ষা পেতে সাধারণভাবে কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিন। ১: নিজেকে এবং পরিবারকে রক্ষা করুন ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব কয়েক সেকেণ্ড হতে সর্বোচ্চ মিনিটখানেক। এই সময়ে ঘরে অবস্থান করলে টেবিল বা ডেস্কের নিচে সপরিবারে অবস্থান নিন। আপনার মাথায় কোনকিছুর আঘাত পাওয়া থেকে রক্ষা পাবেন। ২: গ্যাস, তেল বা ইলেক্ট্রিক চুলা দ্রুত বন্ধ করুন ভূমিকম্পের সময় আগুন লেগে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান অনেক বেড়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে যত দ্রুত সম্ভব রান্না ঘরের গ্যাস, তেল বা ইলেক্ট্রিক চুলা বন্ধ করুন। মনে রাখবেন যত ছোট ভূমিকম্পই হোক না কেন চুলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। ৩: তাড়াহুড়ো করে বাইরে বেড় হবেন না ভূমিকম্পের সময় তাড়াহুড়ো করে বাইরে বেড় হতে গেলে ভীড়ে চাপা পড়ে বা উপর হতে মাথায় কিছু পড়ে আহত হতে পারেন। এই জন্য তাড়াহুড়ো না করে ধীর স্থিরভাবে আশপাশ পর্যবেক্ষণ করে তারপর বাইরে বেড় হবার চেষ্টা করুন। earthquake-6 ৪: দরজা খোলার ব্যবস্থা করুন দালানে বসবাসকারীদের প্রধান সমস্যা হয় ভূমিকম্পের সময় দরজা আটকে বন্দী হয়ে যাওয়া। এইজন্য বাইরে যাবার দরজাটি খোলার ব্যবস্থা করুন। ৫: মাথা রক্ষা করুন ভূমিকম্পের সময় বহুতল ভবন হতে বাইরে বেড় হবার সময় অনেকেই উপর হতে কোন কিছু পড়ে মাথায় আঘাত পেয়ে থাকেন। এটা এড়াতে বাইরে বেড় হবার সময় মাথার উপর শক্ত বোর্ড বা ট্রে জাতীয় কিছু ধরে রাখুন। এতে করে উপর থেকে কিছু পড়লেও আপনার মাথায় আঘাত লাগবে না। বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় ভূমিকম্প হলে বালিশটি মাথার নীচ হতে মাথার ওপরে আনুন। earthquake-7 ৬: সিনেমা হল বা ডিপার্টমেণ্টাল স্টোরের মত পাবলিক প্লেসে করনীয় সিনেমা হল, অডিটোরিয়াম, ডিপার্টমেণ্টাল স্টোর, রেল স্টেশন বা এয়ারপোর্টের মত পাবলিক প্লেসে থাকলে সেখানে কর্তব্যরত নিরাপত্তা কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের পরামর্শ অনুসরন করুন। ৭: গাড়ি বামদিকে পার্ক করুন ভূমিকম্পের সময় আপনি যদি গাড়ি চালানো অবস্থায় থাকেন তাহলে ধীরে ধীরে আপনার গাড়িটি রাস্তার বামপাশে পার্ক করুন। কোন অবস্থাতেই ভূমিকম্পের সময় গাড়ি চালাবেন না। earthquake-8 ৮: পাহাড়ী রাস্তায় ভূমিধ্বস এবং গড়িয়ে পড়া পাথর খেয়াল করুন ভূমিকম্পের সময় আপনার গাড়িটি পাহাড়ী এলাকায় থাকলে ভূমিধ্বস এবং গড়িয়ে পড়া পাথরের আঘাত এড়াতে নিরাপদ স্থানে গাড়িটি পার্ক করুন।
৯: উপদ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে হাটুন ভূমিকম্প উপদ্রুত এলাকা হতে নিরাপদ এলাকায় সরে যাবার জন্য গাড়ি ব্যবহার করার চেয়ে পায়ে হাটা অনেক নিরাপদ।
earthquake-9 ১০: গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না ভূমিকম্পের সময় গুজব বা ভুল তথ্যের কারনে অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকে বিপদ ডেকে আনেন। এজন্য সঠিক তথ্য পেতে রেডিও/টিভির বুলেটিন শুনুন। ভূমিকম্পের সময় করনীয় বিষয়ক একটি আত্মরক্ষমূলক গাইডের লিংক নীচে দেয়া হলো এটি ডাউনলোড করে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন। http://www.seikatubunka.metro.tokyo.jp/index3files/survivalmanual.pdf (১৮, মার্চ, ২০১২)

Friday, 1 January 2016

ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট

টেস্ট আঙিনায় ১৫ বছর পার করেছে বাংলাদেশ। এ সময়ে টেস্ট খেলুড়ে আটটি দেশই আতিথেয়তা দিয়েছে বাংলাদেশকে। এ তালিকায় কেবল খালি পড়ে আছে ভারতের ঘরটাই। অথচ বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। এরপর দুই দল খেলেছে আরও ৭ টেস্ট। প্রতিটিই হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে। তবে এ বছর আগস্টে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের একটি টেস্ট খেলার কথা শোনা যাচ্ছে অনেক দিন ধরেই। যদিও ভেন্যু-সূচি নির্ধারণ হয়নি কিছুই। তবে কলকাতার একটি জনপ্রিয় পত্রিকা খবর প্রকাশ করেছে, আগস্টে হতে যাওয়া ওই টেস্টের ভেন্যু কলকাতার ইডেন গার্ডেন। যদিও এর আগে শোনা গিয়েছিল, বর্ষা মৌসুমের কারণে ম্যাচটি ভারতের দক্ষিণে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে আনন্দবাজার পত্রিকার খবর, টেস্টটি হবে ইডেনে। ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম এই ভেন্যুতে বাংলাদেশ সর্বশেষ খেলেছিল সেই ১৯৯০ সালে। সে বছর এশিয়া কাপের ম্যাচটিতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অবশ্য ছিল শ্রীলঙ্কা। ম্যাচটি হেরে গেলেও ৭৮ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন আতহার আলী খান। সেটিই ছিল প্রথম কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের ম্যাচ সেরা হওয়ার ঘটনা। এরপর ভারতে আরও সাতটি ওয়ানডে খেললেও কখনো ইডেনে খেলা হয়নি বাংলাদেশের। অবশ্য এ ব্যাপারে কিছু নির্ধারিত হয়নি বলেই জানালেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী, ‘এ ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। খেলাটা কোথায় হবে, এটা আসলে আয়োজক দেশই বলবে। ইডেনে ম্যাচ হওয়া নিয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব আসেনি আমাদের কাছে। কাজেই এ মুহূর্তে বলতে পারছি না—টেস্টে কবে আর কোথায় হবে।’ ইডেনে টেস্ট হবে কি না, সেটা নিশ্চিত না হলেও ক্রিকেটের বিখ্যাত এ ভেন্যুতে বাংলাদেশ খেলার সুযোগ পেতে পারে মার্চে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই। ধর্মশালায় বাছাই পর্বে উতরে যেতে পারলেই মূল পর্বে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচই খেলবে ইডেনে। সেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে অপেক্ষা করছে পাকিস্তান।

horoscopes

চলে এলো নতুন আরেকটি বছর। আশা-নিরাশা, সফলতা-ব্যর্থতা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিতে কেটেছে ২০১৫ সাল। আর পিছনে ফিরে কী লাভ? এখন তাকাতে হবে ভবিষ্যতের দিকে। কী হবে এই বছর। কেমন কাটবে ২০১৬ সাল। আসুন জ্যোতিষ সন্দীপ কোচারের মতানুসারে জেনে নেই কেমন যাবে ২০১৬। মেষরাশি (২১ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল) মঙ্গল গ্রহ শুধু আস্থা, স্বতঃস্ফূর্ত আচরণের জন্য প্রতীক হিসেবে কাজ করে না, বরং তা যোদ্ধা হিসেবেও কাজ করে। এটি এমন একটি যোদ্ধা, যারা সততা এবং ধারাবাহিকভাবে কাজ করে। সে কোনো কিছু প্রকৃতির উপর ছেড়ে দেয় কিন্তু কোনো বিষয় অমীমাংসিত রাখা তার পছন্দ নয়। তবে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে পেশাদার জীবনকে কখনওই গুলিয়ে ফেলবেন না। আপনাকে হয়ত অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে। বিবাহের যোগও আছে এই বছরে। নতুন ব্যবসা করতেই পারেন। সেক্ষেত্রে লাভ হবে আপনার। তবে এই বছরে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের মনের কথা অবশ্যই শুনুন। কারণ এই বছর আপনার জন্য খুবই লাভবান হতে চলেছে। স্যাফরন হল আপনার লাকি রঙ এবং ৮ হল লাকি সংখ্যা। বৃষরাশি (২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে) শুক্রগ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হলেন বৃষরাশি অন্তর্ভুক্ত জাতক-জাতিকারা। বৃষরাশির অধিকাংশ জাতক জাতিকারা জড়বাদী হয় এবং সবকিছুতেই পরিবেশনা করার জন্য প্রস্তুত। যাইহোক, তারা খুব সংবেদনশীল এবং প্রায়ই তাদের আবেগের নিকট পরাজিত হয়। অধ্যবসায় তাদের আদর্শ যার দ্বারা তারা তাদের লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে থাকে। বছরের প্রথমার্ধ খুবই ভালো কাটবে আপনার। ভালোবাসার দ্বারা প্রভাবিত থাকবেন আপনি। প্রথমার্ধে বিদেশ যাত্রার যোগ আছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই লাভবান এই বছর। ছেলে-মেয়ের দ্বারা মুখ উজ্জ্বল হবে আপনাদের। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। অবসাদে ভুগতে হতে পারে আপনাকে। তাই একটু প্রথমার্ধে খরচের প্রতি সজাগ থাকুন। তাহলেই দ্বিতীয়ার্ধে খুব বেশি সমস্যা হবে না। তবে এই বছরে একটু ব্যালেন্স করে চলতে হবে আপনাকে। আপনার লাকি রঙ সিলভার এবং লাকি সংখ্যা ৮। মিথুনরাশি (২১ মে থেকে ২০ জুন) মিথুন রাশির জাতক-জাতিকারা সবসময় নতুন জিনিস শিখতে চায়, তাই তাদের সাধারণ জ্ঞান খুবই ভালো যদিও তা ভাসা-ভাসা। তারা নতুন কিছু আবিষ্কার করতে ভালোবাসে এবং তারা যদি গুরুত্বপূর্ণ কিছু পায় তবে তাতে গভীর মনোনিবেশ করে। সব সময় একটি হ্যাঁবাচক মনোভাব থাকে মিথুনরাশি অন্তর্ভুক্ত মানুষের। বছরের প্রথমার্ধ পরিপূর্ণ থাকবে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে। যার ফলে শেখার জায়গা থাকবে প্রবল। প্রচুর প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে পারেন আপনি। তাই যদি কোনো আইনি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, তাহলে সমস্ত দিক বিচার-বিবেচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন। মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে আপনার। তাই আগে থেকেই এই ব্যাপারে যথেষ্ট সজাগ থাকুন। মাথা ঠান্ডা রেখে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিন। এছাড়া নিজের শরীরের প্রতি খেয়াল রাখুন। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে নতুন প্রেম আসতে পারে আপনার জীবনে। এছাড়া যদি ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে দ্বিতীয়ার্ধ হল ব্যবসার জন্য একদম সঠিক সময়। তবে ব্যবসার ক্ষেত্রে কিছু বাধার সম্মুখীন হতে হলেও বছরের শেষে গিয়ে সবই ঠিক হয়ে যাবে। নীল আপনার জন্য খুবই উপকারী এবং ৯ হল আপনার লাকি সংখ্যা। কর্কটরাশি (২১ জুন থেকে ২২ জুলাই) এই রাশি চাঁদের সাথে সংযুক্ত। এই রাশির জাতক-জাতিকারা অনেক সংবেদনশীল, তাদের কাছে তাদের পরিবারই প্রধান। কর্কটরাশির মানুষদের যুদ্ধ করতে ও জয়ী হতে হয় না, অধিকাংশ সময় তারা দিবাস্বপ্ন দেখে, সংবেদনশীল, কল্পনাপ্রবণ, তাই তারা কোন কর্মপ্রচেষ্টার নেতা হতে পারে না। তবে খুব একটা মিশুক হন না এই রাশির মানুষরা। পরিচিত মানুষদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকলেও অপরিচিতদের সঙ্গে একেবারেই মিশতে পারেন না তারা। বছরের প্রথমার্ধ খুবই ভালো কাটবে। তবে যারা ব্যবসা করছেন তাদের ক্ষেত্রে এই বছর খুবই লাভবান। যদি কেউ নিজের ব্যবসায় উন্নতি করতে চান তাহলে সাফল্য আসবেই। লেখক, মার্কেটিং, মিডিয়া এবং ট্রাভেলের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জন্য এই বছর খুবই কার্যকরী হবে। বিয়ের যোগও আসতে পারে এই বছরেই। ক্যারিয়ারের দিক থেকেও যথেষ্ট সাফল্য পাবেন আপনি। তবে শান্তভাবে সমস্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে বছরের প্রথমার্ধে যদি কোনো টাকার সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে তা ঠিক হয়ে যাবে। এছাড়া বিদেশ যাত্রার যোগও আছে বছরের মাঝে। বিষয় সম্পত্তি নিয়ে কোনো জটিল সমস্যা থাকলে তা মিটে যাবে এ বছরেই। নিজের রাগকে দূরে রেখে শান্তভাবে প্রতিটি পদক্ষেপ নিলে সাফল্য আপনার সাথী হয়ে উঠবে। মেরুন আপনার লাকি রঙ এবং ৯ হল লাকি সংখ্যা। সিংহরাশি (২৩ জুলাই থেকে ২২ অগাস্ট) সূর্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে থাকেন এই রাশির অন্তর্ভুক্ত মানুষরা। সিংহ রাশির জাতক-জাতিকারা উদার এবং তারা আকাশ ছুঁতে চান। তারা সবসময় পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন যা খুবই ভালো, কিন্তু কখনো কখনো অসাধ্য। তারা অর্থ ভালোবাসে কেননা তা তাদেরকে স্বাধীনতা দেয়। বছরের প্রথমার্ধে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে সিংহরাশির জাতক-জাতিকার। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে কিছু আইনসংক্রান্ত কাজের মধ্যে ফেঁসে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি তার থেকে রক্ষাও পেয়ে যাবেন। সিংহরাশির জাতকেরা খুব তাড়াতাড়ি প্রেমে পড়তে পারেন। এছাড়া নতুন বাড়ি, গাড়ি কেনার সম্ভাবনাও আছে এ বছরেই। ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি হবে আপনার। কিন্তু কোনো শর্টকাট নিলেই হয়ে গেল। টাকা নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না। আপনার ভালোবাসার মানুষের প্রতি বিশ্বস্ত থাকবেন। কোনো খাবার খাওয়ার সময় সজাগ থাকবেন। কারণ পেটের সমস্যায় ভুগতে পারেন আপনি। লেমন হল আপনার লাকি রঙ এবং ১ হল লাকি সংখ্যা। কন্যারাশি (২৩ অগাস্ট থেকে ২২ সেপ্টেম্বর) এই রাশির জাতক-জাতিকারা বুধগ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন। কুটিল, বুদ্ধিমান এবং বাস্তববাদী জাতক-জাতিকাদের মধ্যে জানার আগ্রহ থাকে লক্ষ্য করার মতই। এছাড়া অবহেলা এবং বিশৃঙ্খলাকে যথেষ্ট ঘৃণা করে এরা। তারা স্বার্থপর হলেও প্রথমে তাদের বিনয়ী বলে মনে হয়। তারা সাধারণত স্বল্পভাষী হয়ে থাকেন। বছরের প্রথমভাগ বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে খুবই লাভবান হবে। কোনো নতুন ব্যবসা যদি শুরু করতে চান তাহলে এই বছর তাদের জন্য খুবই উল্লেখযোগ্য। তবে যারা এখনও একা আছেন তাদের জন্য প্রেম বারে বারে আসতে পারে। কন্যারাশির জাতক-জাতিকাদের ক্ষেত্রে পার্পেল রঙ এবং ৭ সংখ্যাটি খুবই লাকি। তুলারাশি (২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ অক্টোবর) এই রাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত শুক্রগ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হন। সততা ও দায়িত্বশীলতা তাদের বৈশিষ্ট্য। তারা সাধারণত, সহানুভূতিশীল, বিশ্বপ্রেমিক ও বন্ধুভাবাপন্ন। প্রেম কিন্তু বারে বারে হাতছানি দিয়ে ডাকতে পারে আপনাকে। তাই যারা কোনও সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত আছেন তারা খুব সাবধানে থাকবেন। এই বছরে একটু শান্ত হয়ে কাজ করবেন। কোনো খারাপ সঙ্গে না পড়ে খুব সাবধানে থাকুন। যেকোনো শর্টকাট সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত বিচার বিবেচনা করে তারপরেই নিন। সব থেকে বড় ব্যাপার শর্টকাট না নেওয়াই খুব ভালো। এই বছরে আপনার সবথেকে লাকি রঙ নীল এবং লাকি সংখ্যা হল ২। বৃশ্চিকরাশি (২৩ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর) মঙ্গল গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন বৃশ্চিকরাশির জাতক-জাতিকারা। এরা সাধারণত বিপরীত চরিত্রের হয়ে থাকেন। তবে ২০১৬ সাল এই জাতক-জাতিকাদের ক্ষেত্রে একটি মিশ্র সাল হবে। ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবন খুব একটা ভালো কাটবে না। মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে আপনার। কাজের সূত্রে নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে অনেক দূরে যাত্রা করতে হতে পারে আপনাকে। কথার জন্য আপনার শত্রু বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে আপনার কাছের মানুষকে কখনোই ছেড়ে যাবেন না। কারণ সেই খারাপ সময় একমাত্র আপনাকে সাহায্য করতে পারে আপনার এই কাছের মানুষই। বছরের দ্বিতীয়ার্ধ খুবই ভালো কাটবে পাওনার। ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রে প্রচুর ভালো খবর পাবেন আপনি। প্রথমার্ধে যদি টাকার কোনো সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে দ্বিতীয়ার্ধে এই টাকার সমস্যা সম্পূর্ণভাবে কেটে যাবে। বিদেশ যাত্রার সুযোগ থাকবে আপনার। ছেলে-মেয়ের জন্য মুখ উজ্জ্বল হতে পারে আপনার। তাই প্রথমার্ধে ভেঙে না পড়ে শান্ত হয়ে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিন। বেগুনি হল আপনার লাকি রঙ এবং ৬ সংখ্যাটি আপনার জন্য খুবই লাকি। ধনুরাশি (২২ নভেম্বর থেকে ২১ ডিসেম্বর) ধনুরাশির জাতক-জাতিকারা সাধারণত বৃহস্পতির প্রভাবে প্রভাবিত থাকেন। একটি মিশ্রিত বছর হল এই ২০১৬। বৃহস্পতির প্রভাবের জন্য অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্খী হয়ে থাকেন ধনুরাশির অন্তর্ভুক্ত জাতক জাতিকারা। এই বছরে ক্যারিয়ারের দিক থেকে যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করবেন আপনি। বিশেষত বছরের শেষ দিকে আপনার সঙ্গী হয়ে উঠবে সাফল্য। এই সালে আপনার কোনো কাছের বন্ধুর থেকে সাহায্য নিতে পারেন আপনি। যার পরামর্শ মেনেই বিনিয়োগ করবেন। বিনিয়োগের জন্য খুবই আদর্শ এই সাল। আপনার কাছের ক্ষেত্রেও কোনো সিনিয়রের সাহায্যের ফলে নতুন করে কাজে উৎসাহ পাবেন আপনি। আপনার সুখের কারণে বেশ কয়েকটি শত্রুও তৈরি হতে পারে। যারা এখনো পর্যন্ত একা আছেন তাদের ক্ষেত্রে একটি সুখবর। প্রেম আপনার জীবনে পা রাখতে পারে ২০১৬ সালের গরমের দিনগুলোতে। আর যারা এখন প্রেম করছেন তারা চুটিয়ে প্রেম করে যান। মাঝে মধ্যে ঝগড়া হলেও খুব একটা অসুবিধা হবে না। এই বছরটি প্রেম এবং ক্যারিয়ারের মেলবন্ধনে খুবই ভালো যাবে আপনার। তবে এই বছরের সেপ্টেম্বর মাস আপনার জীবনে অনেকগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসবে। যদি আপনি মনে করেন নিজের চাকরি নিয়ে খুব একটা সুখী নন, তাহলে চাকরি পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বর মাসই হল একদম আদর্শ। তবে এই বছরের অক্টোবর মাসে নিজের চাকরিজীবনে কিছু ভুল পদক্ষেপ নিয়ে ফেলবেন আপনি। আপনার সেই ভুল শুধরে দেবেন আপনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে কর্মক্ষেত্রে যতই সমস্যার সম্মুখীন হোন না কেন কখনোই মেজাজ খারাপ করবেন না। বিরক্তি যেন ছুঁতেই না পারে আপনাকে। তারপর বছরের শেষে গিয়ে আবার সমস্ত কিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে। এই বছরের নানান উত্থান-পতন আপনার ব্যক্তিত্বকে শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করবে। পান্না আপনার জন্য খুবই কার্যকরি এবং আপনার লাকি সংখ্যাটি হল ৩। মকররাশি (২২ ডিসেম্বর থেকে ১৯ জানুয়ারি) এই রাশির অন্তর্ভুক্ত জাতক-জাতিকারা সাধারণত নিঃসঙ্গ হয়ে থাকেন। জীবনের প্রতি বাস্তববাদী হয়ে থাকেন। এছাড়া নিজেদের সুবিধার জন্যই সবকিছুকে কাজে লাগাতে ভালবাসেন। খুবই সহজ, শান্ত এবং উদাসীন স্বভাবের হয়ে থাকেন। মকররাশিভুক্ত মানুষেরা খুবই কৃপণ হন। তাই টাকার অভাব খুব একটা না থাকলেও বেশিরভাগ সময় না খেয়ে টাকা জমিয়ে রাখতেই বেশি পছন্দ করেন। যার জন্য এদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। অনেক সময় তারা গভীর প্রেমে পড়লেও দুর্ভাগ্যের কারণে সেই প্রেম সফলতা পায় না। হতাশা এবং মতানৈক্য তার প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। যদি আপনি আপনার সেভিং অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা জমিয়ে রাখেন তাহলে সেগুলি খরচ করার আদর্শ সময় হল ২০১৬ সাল। আপনার লাকি রঙ হল ক্রিমসন এবং লাকি সংখ্যা হল ৬। কুম্ভরাশি (২০ জানুয়ারি থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি) কুম্ভরাশির জাতক-জাতিকারা শনি এববং ইউরেনাস গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন। তারা অত্যন্ত গুরুগম্ভীর এবং মিশুক হয়ে থাকেন। কোনো মত নেওয়ার পরেই মত পরিবর্তন করতে এরা সিদ্ধহস্ত। তারা মনে মনে অনেক কিছু চিন্তা-ভাবনা করলেও তা বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে অপারগ হন। কারণ মত পরিবর্তন করার জন্য কখনো এই কাজ ভালো লাগলেও কিছুদিন বাদে তাদের অন্য কাজ সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। তারা খুব একটা কঠিন কাজ করতে পছন্দ করেন না। অন্যের সাহায্য নিয়ে কোনো কাজ করতে তারা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। কুম্ভরাশির জাতক-জাতিকাদের একটি নেতিবাচক মানসিকতা থাকে। তাই বিভিন্ন ধরনের মানুষের সঙ্গে কথা বলা খুবই দরকার। সাফল্য আপনার সব সময়ের সাথী হলেও সেক্ষত্রে কিছু বাধার সম্মুখীন হতে হবে আপনাকে। সোনালি হল ২০১৬ সালে আপনার লাকি রঙ এবং আপনার লাকি সংখ্যাটি হল ৪। মীনরাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চ) মীনরাশির অন্তর্ভুক্ত জাতক-জাতিকারা জুপিটার এবং নেপচুন গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত। উদার, বন্ধুভাবাপন্ন এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন এরা। এদের সবজান্তাভাব অন্য মানুষকে বিরক্ত করে তোলে। এছাড়া কর্মচঞ্চল স্বভাবের জন্য অনেকেই এদের নার্ভাস বা অমনোযোগী বলে ভুল বুঝে থাকেন। বছরের প্রথমভাগ খুবই আধ্যাত্মিক চিন্তা-ভাবনার দ্বারা প্রভাবিত হবেন। যার ফলে একটি পজিটিভ এনার্জি পাবেন আপনি। যদি প্রেম করে থাকেন তাহলে চুটিয়ে প্রেম করতে থাকুন। কারণ বছরের প্রথমার্ধের খারাপ সময় কাটানোর সময় কেবল আপনার কাছের মানুষটিই আপনার পাশে থাকবেন। বছরের দ্বিতীয়ার্ধ প্রচুর কাজের দ্বারা পরিপূর্ণ হয়ে থাকবে। তাই আপনাকে সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়া দ্বিতীয়ার্ধেই সাফল্য আপনার সাথী হয়ে থাকবে। আপনার ছেলে-মেয়ের দ্বারা মুখ উজ্জ্বল হবে। সন্তানও লাভ করতে পারবেন। এছাড়া অভিনেতা, খেলোয়াড় এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি আপনার ব্যবসায় লগ্নি করতে চান তাহলে এ বছর আপনার জন্য খুবই উপকারী হবে। তাই খুব শান্তভাবে বিচার-বিবেচনা করার পরেই সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। আপনার লাকি রঙ লাল এবং লাকি সংখ্যা হল ৫।

kkr 2016 with shakib

পাকিস্তান সিরিজের জন্য গতবার মাত্র ৪টি ম্যাচই খেলতে পেরেছিলেন। তাতে ব্যাট হাতে ৩৬ রান, আর বাঁহাতি স্পিনে ৪ উইকেট। কিন্তু টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডের বর্তমান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে এই চার ম্যাচ দিয়ে মাপতে যাওয়া ভুল। সেটা করেনি কলকাতা নাইট রাইডার্সও, পাকা জহুরির চোখ দিয়ে ঠিকই দলের রত্নকে চিনে নিয়েছে তারা। আগামী মৌসুমের আইপিএলের জন্য আবারও সাকিব আল হাসানকে দলে রেখে দিয়েছে দলটি। আগামী ফেব্রুয়ারিতে হবে এবারের আইপিএলের নিলাম। গতকাল ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলোর দল গুছিয়ে নেওয়ার শেষ দিন। কাকে রাখবে, কাকে ছেড়ে দেবে - এসবের তালিকা জমা দিতে হয়েছে গতকাল। তাতে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলে মোট ১০১ জন খেলোয়াড়কে দলে রেখে দিয়েছে, আর ছেড়ে দিয়েছে ৬১ জনকে। ছেড়ে দেওয়ার তালিকায় আছে ডেল স্টেইন, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, যুবরাজ সিং, কেভিন পিটারসেনসহ অনেক বড় নাম। তবে এঁদের মধ্যে যুবরাজ আর ম্যাথুসের বিষয়টা একটু ভিন্ন। গতবারের নিলামে ভারতীয় ও বিদেশি দুই কোটায় সবচেয়ে দামি দুই খেলোয়াড় ছিলেন দিল্লির এই দুই খেলোয়াড়। অথচ এক মৌসুম পরই কিনা নতুন দলের খোঁজে নামতে হচ্ছে তাঁদের। অবশ্য গতবার যুবরাজ-ম্যাথুসের পারফরম্যান্সটাও ছিল আকাশচুম্বী দামের ঠিক বিপরীত দিকে। ১৩ ইনিংসে ২০-এরও কম গড়ে ২৪৮ রান যুবরাজের। বোলিং তো করেছেনই সাকল্যে ৯ ওভার। আর ম্যাথুস ১১ ম্যাচে ব্যাট হাতে ১৪৪ রানের সঙ্গে বল হাতে নিয়েছেন মাত্র ৭ উইকেট। ইকোনমি রেটও ছিল ৮.২০! এই দুজনকে ছেড়ে দিয়ে এবার অন্য কাউকে নিলাম থেকে টেনে নেবে দিল্লি। তবে পুরোটাই তো ভাগ্যের খেলা। সাকিবকে নিয়ে এমন খেলায় নামতেই চায়নি কলকাতা। গতবারের পারফরম্যান্স হয়তো অতটা ভালো হয়নি, কিন্তু সাকিব দলে থাকা মানেই তো একটা নির্ভরতা। বল হাতে উইকেট নেওয়া, রান কমানোর ক্ষেত্রে সাকিবের হাতে বল তুলে দিয়ে কিছুটা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন অধিনায়ক। আর কোনো দিন যদি বোলিংটা ভালো না হয়, সে ক্ষেত্রে ক্ষতিটা পুষিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাটিং তো আছেই। এমন একজনকে কেন হাতছাড়া করতে চাইবে কলকাতা। ২০১১ আইপিএলে শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রথম কিনে নিয়েছিল সাকিবকে। সাধারণত চুক্তি ৩ বছরের হয়, এসময়ের মধ্যে দল না ছাড়লে ওই দলেই থাকেন একজন খেলোয়াড়। চুক্তির পুরো সময়টা সাকিবকে রেখে দিয়েছিল কলকাতা। ২০১৪ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষে ছেড়ে দিয়ে দিল্লির সঙ্গে তুমুল প্রতিযোগিতার পর আবারও ২ কোটি ৮০ লাখ রুপিতে বাংলাদেশি অলরাউন্ডারকে কিনে নিয়েছিল দুবারের আইপিএল জয়ী দলটি। তার ফল তো হাতেনাতেই পেল। ওই মৌসুমে ১৩ ম্যাচে সাকিবের ৩২.৪২ গড়ে ২২৭ রান আর ৬.৬৮ গড়ে ১১ উইকেট কলকাতাকে দ্বিতীয় আইপিএল শিরোপা জিততে সাহায্য করেছে। চাইলে আরেকটা তথ্য থেকেও কলকাতার সাফল্যে সাকিবের প্রভাব বুঝে নিতে পারেন। ২০১১ সালে সাকিব কলকাতায় যোগ দেওয়ার আগের তিন মৌসুমে আইপিএলে কলকাতার পারফরম্যান্স ছিল এমন - ৮ দলের টুর্নামেন্টে দুইবার ষষ্ঠ, অন্যবার সবার শেষে। আর সাকিব যোগ দেওয়ার পর ৫ মৌসুমে দুবার চ্যাম্পিয়ন, আর একবার খেলেছে সেমিফাইনাল। সাফল্য পুরো দলেরই, তাতে গৌতম গম্ভীরের দায়িত্বশীল অধিনায়কত্ব কিংবা সুনীল নারাইনদের পারফরম্যান্সেরও অনেক অবদান। কিন্তু ব্যাটে-বলে সাকিব যেভাবে ভরসা জোগান, সেটি তাঁর মতো করে আর কে দিতে পারবে! আইপিএলে এই পর্যন্ত ৫ মৌসুমে ৩২ ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। তাতে মূলত পাঁচ-ছয়ে নেমে ২১.২৮ গড়ে ৩৮৩ রান, আর বল হাতে ৩৮ উইকেট - সাকিবকে রেখে দেওয়ার কারণটা এই তথ্য থেকেই বুঝে নিতে পারেন। সূত্র: আইপিএল, ক্রিকইনফো।